সর্বশেষ সংবাদ-
আ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণ

কালিগঞ্জ ডেস্ক : কালিগঞ্জ উত্তরপারে অবস্থিত মাছের বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত ফরমালিন বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমেদ মাছুমের নেতৃত্বে রোববার বেলা ১২ টার দিকে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট থাকা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পরীক্ষা করে সেগুলো ফরমালিন মুক্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়। অভিযান পরিচালনাকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, ক্ষেত্র সহকারী উজ্জ্বল কুমার অধিকারী, ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অদম্য ইচ্ছা এনে দিতে পারে জীবনের অনেক সাফল্য। সেখানে বয়স হয়ে যায় গৌণ। যার প্রমাণ নাটোরের দুই বোন। ছোট বোন ও তাঁর সন্তানকে নিয়ে বড় বোনও পাস করেছেন এবারের এইচএসসি পরীক্ষায়। প্রমাণ দিয়েছেন ইচ্ছা থাকলে বয়স কোনো বাধা হতে পারে না।
আর এ বয়সে ছেলের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ছেলেকেই টপকে ভালো ফলাফল করেছেন মা শাহনাজ। আর শাহনাজকে টপকে আরো ভালো ফলাফল করেছেন তাঁর বড় বোন মমতা হেনা।
এমন ফলাফলে আনন্দের জোয়ার এখন নাটোর শহরের মল্লিকহাটি এলাকার শাহজাহান আলীর বাড়িতে। চলতি বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নাটোর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেড থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন শাহজাহানের নাতি ও শাহনাজের ছেলে রাকিব আমিন। তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৩ দশমিক ৬৭।
১৯৯৫ সালে এসএসসি পাস করেন শাহনাজ বেগম। তারপর আর পড়া হয়নি তাঁর। এক ছেলে ও এক মেয়ের মা শাহনাজ বেগম সন্তানদের পড়ালেখা করাতে গিয়ে আবার পড়াশোনার প্রতি টান অনুভব করেন। তাই ২২ বছর পর আবার নাটোর মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় বসেন এই মা। অর্জন করেন জিপিএ ৪ দশমিক ৮৩।
একই সঙ্গে বসবাসকারী শাহনাজ বেগমের ফুপাতো বোন মমতা হেনা যখন দেখলেন তাঁর মামাতো বোন এতদিন পর আবার পড়াশোনা শুরু করেছেন, তখন তিনিও শুরু করেন পড়াশোনা। ১৯৯৩ সালে এসএসসি পাস করার ২৪ বছর পর আবার হাতে তুলে নেন বই। দুই বোন একই কলেজে কম্পিউটার অপারেশন ট্রেডে ভর্তি হয়ে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। মমতা হেনা অর্জন করেন জিপিএ ৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট।
একই পরিবারের এই তিনজনকে একসঙ্গে পাস করতে দেখে চমকে গেছেন অনেকেই। ফলাফল ঘোষণার পরপরই তাদের একনজর দেখতে অনেকেই ভিড় জমান শহরের মল্লিকহাটি এলাকায় তাঁদের বাড়িতে।
২২ বছর পর ছেলের সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে এমন ফলাফল অর্জনের বিষয়টি এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না রাকিব আমিনের মা শাহনাজ বেগম। শাহনাজ বেগম বলেন, ‘এই ফলাফলের নেপথ্যে কাজ করেছে আমাদের ইচ্ছাশক্তি। অনেক কষ্ট করে ছেলেমেয়েকে বড় করার পর নিজেরও মনে হয়েছে একটু পড়াশোনা করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু দুই সন্তানের পর নিজের পড়ালেখার খরচ চালানোর সামর্থ্য আমার ছিল না। আবার পড়াশোনা শুরু করার ইচ্ছার কথা শুনে এগিয়ে আসেন বাবা হাজি শাহজাহান আলী ও ভাই কাউসার আলী। পড়াশোনার জন্য বই দেন ভাই, পড়তে সহযোগিতা করে ছেলেমেয়ে আর ফরম পূরণের টাকা দেন বাবা। স্বামী দিয়েছেন অনুপ্রেরণা। এভাবেই আমার অর্জন আজকের ফলাফল। আজ থেকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের আকাঙ্ক্ষা আরো বেড়ে গেল। সুযোগ পেলে আমি আরো পড়াশোনা করতে চাই।’

পাসের খবরে মমতা হেনা খুশিতে কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, ‘নতুন করে পড়াশোনা করতে গিয়ে উৎসাহ পেয়েছি আমার ভাই ও মেয়ের থেকে। আর বাকিরা করেছেন উপহাস-বিদ্রূপ। পড়তে গিয়ে আর্থিক টানাপড়েন পোহাতে হয়েছে প্রচুর। অন্যদের মতো প্রাইভেট পড়তে পারিনি, ভাই ও মেয়ে তখন সাহায্য করেছে। নতুন বই কিনতে পারিনি, পুরাতন বই কিনেছি। দুই বোন মিলে একসেট বই কিনে পড়েছি। বড় মেয়ের টাকায় ফরম পূরণ করেছি। এভাবেই প্রতিকূলতাকে জয় করে আজ পাস করলাম, এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে?’

মায়ের ভালো ফলাফলে খুব খুশি ছেলে রাকিব আমিনও। রাকিব জানান, আর্থিক সমস্যার কারণে তাঁর তিনটি বই কেনা হয়নি। ধার করতে হয়েছে অন্যদের থেকে। মা-খালা তাঁর চেয়ে ভালো রেজাল্ট করলেও কোনো কষ্ট নেই। বরং আনন্দ এ জন্য যে, তাঁর মা ও খালা এতকিছুর পরও প্রমাণ করতে পেরেছেন, ইচ্ছা থাকলেই করা যায় যে কোনো কিছু।

এদিকে মেয়ে ও নাতির ভালো ফলাফলের সংবাদে খুশি শাহনাজ বেগমের বাবা হাজি শাহজাহান আলী। তিনি বলেন, জীবন সায়াহ্নে এসে এমন ঘটনা তাঁকে গর্বিত করেছে। তিনি জানান, মেয়ে ও নাতির জন্য তিনি সামর্থ্যমতো সবকিছু করবেন।

রাকিব আমিনের বাবা রুহুল আমিনও খুশি স্ত্রী-সন্তানের ফলাফলে। তিনি বলেন, ‘একজন স্বামী ও বাবা হিসেবে আমি গর্বিত। ছেলের সাথে মায়ের পড়ার সময় অবাক হয়েছিলাম আমি। ভাবনা ছিল পারবে কি না। অথচ সব শঙ্কা দূর করে আর দশজনের মতো রাকিবের মাও পাস করল, ভালো ফলাফল করল।’

মমতা হেনার মেয়ে সুরাইয়া সূচী বলেন, ‘গত বছর আমি এইচএসসি পাস করার পর আমার মাকে আবারও পড়তে বলি। কেননা আমি যখন মায়ের গর্ভে, তখন আমার জন্য তিনি পড়ালেখা ছেড়েছিলেন। আমার কথায় মা আজ পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করেছেন। এ জন্য আমার আনন্দের আর কোনো সীমা নেই। আজকে মায়ের জন্য আমরা গর্বিত।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘ভয়ংকর সুন্দর’ ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী ৪ আগস্ট। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন আশনা হাবিব ভাবনা ও কলকাতার অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যয়।

সোমবার দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছবিটির প্রচারণা করার জন্য যাবেন ভাবনা। তাঁর সঙ্গে আরো থাকবেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও নির্মাতা অনিমেষ আইচ। গত দুদিন আগে ঢাকায় এসেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। কলকাতায় শিগগির ফিরবেন বলে জানান তিনি।

ছবির প্রচারণা নিয়ে  ভাবনা বলেন, ‘বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছবির প্রচারণা করার ইচ্ছে আমাদের আছে । আমি রাজধানীর ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করছি। কাল প্রথমে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছবির প্রচারণা করব। পরমব্রত, অনিমেষ আইচ ও আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলব। ছবিটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কুইজ অনুষ্ঠান করারও আমাদের পরিকল্পনা আছে। এরপর বিকেলে আমরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছবির প্রচারণার জন্য যাব।

বিষয়টি নিয়ে আমরা বন্ধুরা অনেক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।’

ভাবনা আরো বলেন, ‘টেলিভিশন, রেডিও অনুষ্ঠান ও ফেসবুকে ছবির প্রচারণায় নিয়মিত অংশ নিচ্ছি। তবে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছবির প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমি বেশ রোমাঞ্চিত।’

ছবিটিতে ভাবনা ও পরমব্রত ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, ফারহানা মিঠু, ফারুক আহমেদ, লুৎফর রহমান জর্জ, অ্যালেন শুভ্র, দিহান। ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন সাহা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনিতে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নদীর পানি ভিতরে প্রবেশ করে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে এ ভাঙ্গনের কোবলে পড়ে উপজেলা শ্রীউলা ইউনিয়নে থানাঘাটা এলাকার মানুষ। প্রাপ্ত তথ্যে ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিরের মাথে কথা বলে জানাগেছে, ইউনিয়নের থানাঘাটা এলাকায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন যাবত বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়েছিল। এব্যাপারে উপজেলা প্রশাষন ও ওয়াপদা কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ার কারনে রবিবার ভোর রাতে খোলপেটুয়া নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারের তোড়ে থানাঘাটা গ্রামের ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে দ্রুত গতিতে ভিতরে পানি প্রবেশ করে ২/৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও ওয়াপদা কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও এখনও কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এলাকায় মাইকিং করে সেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী এক হয়ে ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধ রক্ষায় কাজ অব্যহত আছে। এ বর্ষা মৌসুমে আশাশুনির বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্র্ণ হয়ে পড়ায় যে কোন সময় ভেঙে গিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ফাবনা থেকেই গেছে। কোন বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে উপজেলাবাসিকে প্লাবিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা উচিত। অপরদিকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জানা গেছে, অপরিকল্পিতভাবে চিংড়ি ঘের করার কারণে ড্রেনের ব্যাবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ায় ও সেগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টানা বর্ষণে উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন জলাবদ্ধতায় সৃষ্টি হয়েছে। আশাশুনি থানা সড়কের প্রধান ফটোকে আশাশুনি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে সড়কটিতে সব সময়ের জন্য পানিতে ডুবে আছে। স্কুলের ছাত্র ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। পানিতে ডুবে থাকা সড়কটি দিয়ে দিনের পর দিন বিভিন্ন জানবাহন দ্রুত গতিতে চলতে গিয়ে কাঁদাপানি ছিটকে নষ্ট করে দিচ্ছে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের গাঁয়ের পোষাক। এসব মানুষের একটি অভিযোগ আশাশুনি এমপি উপজেলা চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের কর্মকর্তারাসহ অন্যান্য জন প্রতিনিধি এ সড়ক দিয়ে কখনও চলাচল করেন না নাকি চলাচল করলেও এ সড়কের দূর অবস্থা কী চোখে পড়ে না। আর যদিও চোখে পড়ে থাকে তাহলে মানুষের কেন এই চরম ভোগান্তি। আরও অভিযোগ রয়েছে এ সড়কটির যখন পূর্ণ সংস্কার করা হয়েছিল তখন বালি ও খোয়া কম দেওয়ার কারনে হইত ভারি যানবহন চলাচলের কারণে সড়কের দুই পাশে বসে গিয়ে সড়কটির মাঝখানে উচা হয়ে যাওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে থাকা সড়ক দিয়ে অতি কষ্টে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষের। সচেতন মহলের দাবি উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলি কোন অঘটন ঘটার আগেই মেরামত করাসহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রতীকি ছবি

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন কলেজের সদ্য ঘোষিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। আশাশুনি সরকারি কলেজ হতে ৩২৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৬৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাশের হার ৮১%। এ+ ২ জন, এ ৪১, এ- ৭৪, বি ৭৮, সি ৬৭ ও ডি গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন। ফেল করেছে ৬২ জন। বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮৭জন। কৃতকার্য হয়েছে ১৫৬ জন। পাশের হার ৮৩%। বিজ্ঞান বিভাগে ৯ জনে ৯ জন, বাণিজ্য বিভাগে ২০ জনে ১৯ জন ও মানবিক বিভাগে ১৫২ জনে ১২৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল স্থগিত রয়েছে ৬ জনের। আশাশুনি মহিলা কলেজে মোট ৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৮ জন। মানবিক বিভাগে ৭২ জনের মধ্যে ৪৫ জন, বাণিজ্য বিভাগে ১৪ জনে ১৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ২ জন অংশ নিয়ে কেউ পাশ করেনি। বুধহাটা বি বি এম কলেজিয়েট স্কুলে ১০৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৮৬ জন কৃতকার্য হয়েছে। এ ১২, এ- ৩৫, বি ২৭ ও সি গ্রেডে কৃতকার্য হয়েছে ১২ জন।বদরতলা হাজী জালাল উদ্দীন আদর্শ কলেজ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৪৮ জন, কৃতকার্য হয়েছে ৪৭ জন। স্থগিত ১ জন। এ ২১, এ- ১৩, বি ১১ ও সি ২ জন। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২০ জন কৃতকার্য হয়েছে। (প্রতাপনগর) এপিএস ডিগ্রী কলেজে ১৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১২৪ জন কৃতকার্য হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র একদিনেই মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেল। রোববার (২৩ জুলাই) ন্যাশনাল পাবলিক সার্ভিস ডে ২০১৭ উপলক্ষে বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেল অন স্পট সার্ভিস প্রদান করেন। বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলে ওয়ান স্টপ এ সার্ভিসের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন।
এসময় তিনি বিআরটিএ’র কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। অন স্টপ সার্ভিসে সেবাগ্রহিতারা আবেদন জমা দেওয়ার সাথে সাথে সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং সেবাগ্রহীতাদের রজনীগন্ধা ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। সরকারকে রাজস্ব প্রদান করে কষ্ট করে সেবা নিতে আসার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরী। একই সাথে ট্রাফিক আইন মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল লতিফ প্রমুখ। এসময় মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন, শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং ডিজিটাল নাম্বারপ্লেট বিতরণ করার পাশাপাশি অন্যান্য দাপ্তরিক সেবা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম রেজাউল করিম : টানা বৃষ্টিতে দেবহাটার বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফসলি জমিগুলোতে পানি জমে বর্ষা মৌসুমে ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে যাওয়াসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকরা। অপরদিকে মৎস্য ঘেরগুলো বর্তমানে পানি কানায় কানায়, যদি জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পায় তাহলে মৎস্য ঘের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন মৎস্য ঘের মালিকসহ এলাকাবাসী। এছাড়া এই টানা বৃষ্টির সাথে সাথে নালা নরদামা ড্রেন এবং খালের নালাগুলো নেট-পাটার মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির কারণে বদরতলা, সুবর্ণাবাদ, নাজিরেরঘের, টিকেট, হিরেরচক, শ্যামনগর, গোবরাখালী, হালদার বাড়ি, শসাডাঙ্গা, আন্দুলপোতা, পারুলিয়া, কুলিয়া, খেজুরবাড়িয়া, সখিপুর, চিনেডাঙ্গা, কোঁড়া, পাঁচপোতা, নারকেলী, দেবহাটা, বসন্তপুর, সুশিলগাতী, নওয়াপাড়া, নাংলাসহ আশপাশের এলাকাগুলোর খাল-বিলে এবং সড়কগুলো পানি জমে থাকায় জনভোগান্তির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির অশংঙ্কা বিরাজ করছে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষ ঘর ছেড়ে কর্মস্থলে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারছেন না। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ খেটে খাওয়া দিনমুজুর পরিবারগুলো। কর্মস্থলে পৌঁছালেও কর্মহীন থাকতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল-কলেজে পৌঁছাতে পারছেনা সঠিক সময়ে। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারণে হাট-বাজারগুলোতে আসতে পারছে না ক্রেতা-বিক্রেতারা। ইতোমধ্যে উপজেলার ধানের মিল ও ইটের ভাটাগুলোর কর্মকা- সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিরামহীন বর্ষায় আকাশ বন্যা হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দীতে জনজীবন বিপন্ন ও অর্থনীতির বিপর্যয় বিরাজ করছে। বিরামহীন বর্ষা অবশেষে বন্যার রূপ নিয়েছে। যান চলাচল, কর্মচাঞ্চল্য সব এলাকা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়েছে। গত তিন-চার দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের বহু অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত না হলেও এক-দুদিনের মধ্যে প্লাবিত হবে বলে জানাগেছে। কোন কোন এলাকায় পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থা না থাকায় ঘরের মধ্যে পানি প্রবেশ করেছে। রান্না ঘরের চুলায় পানি উঠে রান্নাবান্নায় ব্যাঘাত ঘটছে। গরীব-অসহায় পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে।
দেবহাটায় বিরামহীন বর্ষার কারণ হেতু আকাশ বন্যার কবলে শত শত চিংড়ী ঘের এবং বিভিন্ন ধরনের সাদা প্রজাতির মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায়। ঘেরের ভেড়ি পানি ছুঁই ছুঁই ভাব। ডুবতে বাকি মাত্র সেন্টিমিটার। ডুবে গেলে কোটি কোটি টাকার চিংড়ীসহ বিভিন্ন মাছ পানিতে ভেসে যাবে বলে জানিয়েছেন ঈদগা বাজার সংলগ্ন জুইকুড়া বিলের মৎস্যঘের ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম(মন্টু)। সেই সাথে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তবে গত কয়েকদিনে সুর্যের আলো এক বারের জন্যেও উঁকি মারেনি। অঝোর ধারায় বর্ষাই কেবল তার আগমন এবং অবস্থান জানান দিয়ে গেছে। জনদূর্ভোগ, জনদূর্যোগ বৈরী আবহাওয়া এবং অতি বৃষ্টি একাকার হয়ে ভিন্ন প্রকৃতির অসহায় এক জীবন যাত্রার প্রতিকৃতি জনমানুষের সঙ্গী হয়। বিরামহীন বৃষ্টি জনজীবনকে কেবল দুর্ভোগে নেয়নি, জনজীবনে এক ধরনের উদ্বেগ, শঙ্কা আর আতঙ্ক ভর করে। কয়দিনে বিভিন্ন বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট খোলেনি। কিছু কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত থাকলেও ক্রেতা সাধারণের উপস্থিতি ছিল সামান্য। তবে কয়েকটি দোকানে রেইন কোট, ছাতা, নেট, পলিথিন বিক্রি ছিল বিশেষ লক্ষ্যনীয়। অবিরাম বর্ষায় আকাশ বন্যার প্রভাবে চাষাবাদে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় অধিকাংশ বীজতলা পানিতে ডুবে যেয়ে ক্ষতির পরিমান সীমাহীন হয়ে দাড়িয়েছে। অধিকাংশ বীজতলা পানিতে ভেসে গেছে। কাঁচাঘর বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
এদিকে টানা বৃৃষ্টিতে মৎস্যঘেরর ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামানা কাছে জানতে চাইলে বলেন, উপজেলায় বাগদা ও গলদা চিংড়ির ৭৭৯৪টি ঘের আছে এবং ৩৭টি সরকারি খাল রয়েছে। তবে মৎস্য ঘের প্লাবিত যাতে না হয় সে জন্য সরকারি খালগুলোর দখল মুক্ত করা হবে। একই সাথে খালগুলো থেকে নেট-পাটা খুব দ্রুত অপসারণ করে উন্মুক্ত করা হবে।
বৃষ্টিতে কৃষির বিপর্যয়ের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিমউদ্দীন জানান, লাগাতর বৃষ্টিতে কৃষির ক্ষয়-ক্ষতির নির্দিষ্ট কোন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে বৃষ্টির ক্ষয়-ক্ষতিতে কৃষকরা সরকারি সহায়তার সুযোগ নেই কেননা এটি প্রকৃতির সৃষ্টি। তবে দুর্যোগে যাতে কৃষক ক্ষতির সম্মুখিন না হয় সে ব্যপারে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এক কথায় আকাশ বন্যার প্রভাবে জেলার লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দীর পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি। অবিলম্বে পানি নিস্কাষণ না হলে প্লাবিত হয়ে জনভোগান্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম বেলাল হোসাইন : রবিবার সারাদেশে এইচএসসি বা সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতবারের তুলনায় এবার পাশের সংখ্যা অনেক। ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের এবারের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬৪জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩ শ ৮৮জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২ শ ২৩জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১ শ ৫০ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩ জন। সরকারি মহিলা কলেজে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শ ৫৩ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ শ ৭জন। পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭৩জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৯৪ জন, বি গ্রেড পেয়েছে ৯১ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৪২জন। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ ১৮ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৬৯ জন। পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩জন, এ মাইনাস ১৮জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন এবং সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭৩ জন। সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৯১ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৪৭জন। এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩৩জন, বি গ্রেড ৪৪ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, ডি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫ জন। দরগাপুর কলেজিয়েট বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২১ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১৭৪ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৯১ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৬ জন। সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় এবারের আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮৫ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২জন। পাশের হার ৮২ দশমিক ৫২%। সীমান্ত আদর্শ কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২শ ৩১ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭০ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬৭ জন, সি গ্রেড ২৮জন। কলারোয়া শেখ আমান উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৫৯ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৬০ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫১জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৩ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৪৬জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩০ জন। ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১শ ১৫ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৭ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২০ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১৯ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৯ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest