সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

21মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিট্রি অফিসের নকল নবিশ সমিতির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ নির্বাচন গ্রহণ চলে। নির্বাচনে ৬৯ ভোটারের মধ্যে ৬৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. আমানুর রহমান সুমন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. মহিবুল্লাহ পেয়েছেন ৩২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মাহমুদুল হাসান লাল্টু তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নাজমুজ্জামান সুমন পেয়েছেন ২৯ ভোট। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ ইকবাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা রেজিষ্টার মুন্সি রুহুল ইসলাম, সদর সাব রেজিষ্টার লুৎফর রহমান মোল্লা, নকল নবিশ শেখ রশিদ আলী, আমির আলী, সাইফুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495710702সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানিতে আ্যমিকাস কিউরি হিসেবে নিযুক্ত ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ আপিল বিভাগের উদ্দেশে  বলেছেন, যাঁরা সংসদে দাঁড়িয়ে ‘তোরে জজ বানাইছে কেডা’ বলেন, তাঁদের হাতে বিচার বিভাগ ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের উদ্দেশে রোকনউদ্দিন এই মন্তব্য করেন।

সর্বোচ্চ আদালতের উদ্দেশে  রোকনউদ্দিন বলেন,  ‘তোরে জজ বানাইছে কেডা -পত্রিকায় এ রকম দেখেছি। যাঁরা সংসদে দাঁড়িয়ে এ রকম কথা বলেন, তাঁদের হাতে এটা (বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা) ছেড়ে দেবেন? তখন জুডিশিয়ারির স্বাধীনতা থাকবে?’

‘সবচেয়ে ক্লাসে (সর্বোচ্চ শ্রেণি) হচ্ছেন আপনারা (বিচারপতিরা)। শিক্ষা-দীক্ষায় আর সম্মানে আপনারা ক্লাসে। আপনাদের সম্মান থাকবে না? বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে না? তারা (সংসদ সদস্যরা) আপনাদের নিয়ে এ রকম মন্তব্য করেন’, যোগ করেন রোকনউদ্দিন।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সপ্তম দিনের মতো আজ আপিল শুনানি হয়।

আজ শুনানিতে আগের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের জজ নিয়ে সংসদে আলোচনার সুযোগ নেই। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এমপিরা আলোচনা করেছেন। কিন্তু স্পিকার টু শব্দ করেননি। বলছি না, আপনাদেরও (বিচারপতিরা) ত্রুটি নেই, দোষে-গুণে মানুষ। যে রায়ের (ষোড়শ সংশোধনী বাতিলে হাইকোর্টের রায়) কথা বলছি, সেখানে দুটি শব্দ বাদ দিয়ে দেবেন, আশা করছি।’

‘সিভিল সার্ভিসের ব্যক্তিদের কারা অপসারণ করেন? পুলিশ সদস্যদের কারা করেন? সেক্রেটারিদের কারা করেন? আপনি? সংসদ? কেউ না। তাদের উপরস্থরা রিমুভ করেন। অর্থাৎ সহকারী সচিবদের তদন্ত করেন যুগ্ম সচিবরা। পুলিশের করেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। মিলিটারিদেরটায়ও তাদের ডিসিপ্লিনারি আছে। তাহলে আপনাদেরটা কেন পার্লামেন্টে যাবে? সচিব, পুলিশ তো সংসদে যাচ্ছে না, তাহলে এটি কেন?’

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কথা আলোচনা করতে গিয়ে রোকনউদ্দিন মাহমুদ  বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল না থাকলে এখানে অরাজকতা হবে। আর এটি (ষোড়শ সংশোধনী) যদি হয়ে যায়, তাহলে হাইকোর্টের জজদের তো আপনি (প্রধান বিচারপতি) কিছু বলতে পারবেন না। তাঁরা যদি বেলা ১১টায় আসেন, তখনো কিছুই বলতে পারবেন না। অথবা খাসকামরায় কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যখন কথা বলবেন, তখন সংসদ কি দেখবে? এটা সংসদ জানবেও না। তাকে কে জানাবে?’

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, ‘সংসদে ষোড়শ সংশোধনী যদি পাস হয়, তাহলে আপনারা (বিচারপতি) শুধু বেঞ্চ গঠন করতে পারবেন। এ ছাড়া কিছু করতে পারবেন না। এর মাধ্যমে সরকারি লোকজন বিচারকের খাস কামরায় প্রবেশ করতে পারবে। কোনো বিষয়ে রায় হলে, তা নিয়ে সংসদে আলোচনা উঠবে। ’

ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিনের উল্লিখিত বক্তব্যের পর বিচারপতি টি এইচ খানের পক্ষে তাঁর ছেলে আফজাল এইচ খান বক্তব্য দেন।  উভয়ের বক্তব্য শেষে আদালত আগামী রোববার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ৮, ৯ এবং ২১,২২,২৩ ও ২৪ মে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য ১২ আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের লিখিত বক্তব্য আদালতে জমা দিতে বলেন আপিল বিভাগ।

অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ আইনজীবী হচ্ছেন—বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও এম আই ফারুকী।

বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। পরে ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

এ আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

এ রুলের ওপর শুনানি শেষে গত ৫ মে আদালত সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে ১৬তম সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন। তিন বিচারকের মধ্যে একজন রিট আবেদনটি খারিজ করেন।

এর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতের ভিত্তিতে রায় প্রকাশিত হয় গত বছরের ১১ আগস্ট এবং রিট খারিজ করে দেওয়া বিচারকের রায় প্রকাশিত হয় ৮ সেপ্টেম্বর। দুটি মিলে মোট ২৯০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। ওই আপিলের ওপর শুনানি চলছে।

হাইকোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এই বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র।

রায়ে আরো বলা হয়, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IMG_4296 copyমোস্তফা কামাল : শ্যামনগর উপজেলার ৩নং শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় নকিপুর সরকারী হরিচরন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ বাজেট ঘোষনা করেন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ আমিনুর রহমান। বাজেটে অর্থ বছরে বিভিন্ন খাত থেকে আয় ৩ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৮ শত টাকা এবং ব্যয় ৩ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৮ শত টাকা। উক্ত বাজেট অধিবেশনে ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবুর সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক জুলফিকার আল মেহেদী লিটনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির Ÿক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত মহসিন উল মুলক, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ আব্দুল্লাহ্ সাদীদ, সাবেক উপাধ্যাক্ষ নাজিমউদ্দীন,  প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর কবীর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মিসেস  অমেলা রানী মন্ডল দেলোয়ারা বেগম, বেবী নাজনীন। ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী খান, রামকৃষ্ণ মন্ডল, শেখ মাসুদুর রহমান, মলয় কুমার গায়েন, আমিনুর রহমান, আব্দুর রশিদ, শক্তি শেখর চক্রবর্তী, মিজানুর রহমান, আসলাম হোসেন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ হাজারও জনতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC08640আব্দুল জলিল : সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্তে পাঁচটি সোনার বারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩ এর সাব পিলার ৩ এর কাছে চারাবাড়ি এলাকা  থেকে এই সোনা আটক করা হয়।
বিজিবির তলুইগাছা কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মিজানুর  রহমান জানান তার নেতৃত্বে একটি টহল দল ওই এলাকায় অবস্থানকালে একটি ছোট মোড়ক  দেখতে পায় । এ সময় মোড়কটি  খুলে পাঁচটি স্বর্নের বার জব্দ করা হয়। এর পাশেই বসেছিল স্বর্নের  মালিক উজ্জ্বল  হোসেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উজ্জ্বল কলারোয়ার কেড়াগাছি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_145042088_1495709428.jpg.pagespeed.ic.-PRvPw0z08ন্যাটো সামরিক জোটের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে পৌঁছেছেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের সফরসঙ্গীদের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা- বিবিসি জানাচ্ছে, এটি সম্ভবত অত্যন্ত কঠিন এক বৈঠক হতে যাচ্ছে।

বিবিসি খবরে জানা গেছে, ন্যাটোর বৈঠক শেষ করে বৃহস্পতিবারই ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গেও আলোচনায় বসবেন ট্রাম্প। তবে এই দুটি বৈঠক ট্রাম্পের জন্য ব্যাপক চ্যালেঞ্জের হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে, ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়ে বারবার বেফাঁস মন্তব্য করেন ট্রাম্প। যার কারণে ওই দুটি জোটের নেতারা ট্রাম্পকে খুব একটা স্বাভাবিকভাবে নাও নিতে পারেন।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসলামিক স্টেট জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে পূর্ণ আর্থিক সহয়তার প্রস্তাব দিতে পারেন ট্রাম্প। এছাড়া মিত্রশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরো প্রতিশ্রুতির নিশ্চয়তা চাইতে পারেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা।

কিন্তু ব্রাসেলসে পোঁছেই ব্যাপক বিক্ষোভের শিকার হয়েছেন ট্রাম্প। বেলজিয়ামের রাজা এবং রানীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎকালে ব্রাসেলস সিটি সেন্টারে বিক্ষোভ করেন ট্রাম্প বিরোধীরা। তাদের হাতে প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানারে লেখা ছিল, ‘স্টপ ট্রাম্প, সেভ দ্য প্লানেট।’

বৃহস্পতিবার ন্যাটোর সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

umVdlx_jmbরাজধানীর কদমতলী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) শীর্ষ নেতা মাওলানা সাইদুর রহমানসহ তিনজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ-৬ এর বিচারক ইমরুল কায়েস এ রায় ঘোষণা করেন।মামলার অপর এক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে ১৮ মে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ-৬ এর বিচারক ইমরুল কায়েস রায় ঘোষণার জন্য ২৫ মে দিন ধার্য করেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন আবদুল্লাহেল কাফী ও আয়েশা আক্তার। তারা পলাতক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ মে কদমতলী থানার দনিয়া এলাকার একটি বাসায় থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি বই ও প্রচারপত্রসহ আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মাওলানা সাইদুর রহমানসহ তার সংগঠনের তিন সক্রিয় সদস্যের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাওলানা সাইদুরসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Ecw7JB_1আগামী শনিবার থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
২৫ই মে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যুৎ ভবনে এক সংবাদ সম্নেলনে তিনি এ তথ্য জানান। একইসঙ্গে রমজান মাসে বিকেল ৫ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495702229জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হওয়ায় বাংলাদেশের তিন শান্তিরক্ষীকে সম্মান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৩টি দেশের ১১৭ জন আত্মোৎসর্গকারী শান্তিরক্ষী কর্মীকে তাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মেডেল দেওয়া হয়। বাংলাদেশসহ ৪৩টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধির হাতে এই মেডেল তুলে দেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মালি মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. আবুল বাসার এবং একই মিশনে কর্তব্যরত বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল মোতাহের হোসেন নিহত হন। একই বছরের ১৫ মে নিহত হন মো. সামিদুল ইসলাম।

এই তিন শান্তিরক্ষীকে দেওয়া দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল গ্রহণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। এ সময় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান ফিরোজ আহমেদসহ জাতিসংঘে কর্মরত বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান ও পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই মহাসচিব গুতেরেস কর্তব্যরত অবস্থায় জীবনদানকারী সামরিক ও বেসামরিক শান্তিরক্ষী কর্মীর বিদেহী আত্মার স্মরণে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের পিসকিপিং মেমোরিয়াল সাইটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক, সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিজের বক্তব্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘আজ যাঁদের আমরা সম্মান জানালাম, তাঁরা পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষগুলোকে রক্ষা এবং সেসব দেশকে সংঘাত থেকে শান্তিতে উত্তরণের মতো কঠিন কাজে সহযোগিতা করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন।’ তিনি বিশ্বশান্তির জন্য জীবনদানকারী এসব শান্তিরক্ষী কর্মীর সর্বোচ্চ অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এর আগে আত্মদানকারী শান্তিরক্ষীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ একটি অন্যতম বৃহৎ শান্তিরক্ষী সরবরাহকারী দেশ। ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় বাংলাদেশের ১৩৩ জন শান্তিরক্ষী মারা গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest