wmPwGK_pupউত্তর ব্যাংককের একটি প্রসিদ্ধ কেক-পেস্ট্রির দোকান উইলেইওয়ান। তাদের ফেসবুক পোস্টে কয়েকটি ছবি দেখে সবার অবাক হয়েছে। ‘কুকুর ছানাদের’ নাকি একটি জেলির উপরে ফেলে পরিবেশন করা হচ্ছে। ছবিগুলো পোস্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০ হাজারের উপর শেয়ারও হয়ে গেছে। মিষ্টির দোকানে এমন অনাসৃষ্টি কাণ্ড দেখে গ্রাহকরাও অবাক।

তবে কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, এগুলো জীবন্ত কুকুর ছানা নয়। তাদের মতো দেখতে নারকেল ক্রিম পুডিং। সাধারণত উইলেইওয়ান ফুলের ছাঁচে ফেলে পুডিং তৈরি করে এই দোকান। কিন্তু একটু অন্যরকম কিছু করার তাগিদে, তারা কুকুরছানার ছাঁচে ফেলে এই মিষ্টি তৈরি করার কথা ভাবে। যেমন ভাবা তেমনি কাজ। কুকুর ছানার মতো দেখতে পুডিং তৈরি করে সাড়া ফেলে দিয়েছে এই দোকানটি।

কিন্তু এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের দুই ভাগ করে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, এত দারুণ মজা। কেউ আবার বলছে, কুকুরছানাদের এত ভালোবাসি, তাদের মতো দেখতে কোনো খাবার খাওয়া যায় নাকি।

দোকানের মালকিন উইলেইওয়ান মি নুয়েন এবং তার স্বামী আশ্বস্ত করছেন, এই মিষ্টিতে কোনোভাবেই জীবন্ত কুকুরের কোনো চিহ্নই নেই। এটি নেহাতই অন্যরকম একটি পুডিং মাত্র এবং কয়েকদিনেই বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। একটি পিসের দাম রাখা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রার মূল্যে প্রায় ৫৮ টাকা।

পশুপ্রেমীরা এর বিরুদ্ধে কমেন্ট করেছেন কিন্তু এখনই কোনো সংগঠন এই পুডিং বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলনে নামেনি। তবে উইলিওয়ান তা নিয়ে যে একটুও চিন্তিত নন তা নয়। অবশ্য তিনি ভাবছেন এই বিতর্কে তার দোকানের নামডাক একটু ক্ষতি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1496573777-cow-01ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ভারতে একটি সদ্যোজাত বাছুরের ‘মানুষের  মতো’ মুখ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। গরু নিয়ে ভারতের উত্তাল রাজনীতির এই সময়ে বাছুরের মুখ মানুষের মতো হওয়াতে এই প্রাণিটিকেই পূজা করছেন অনেকেই। খবরে জানা যায়, উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরের একটি প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে এই অদ্ভুতদর্শন বাছুরটির জন্ম হয়। জন্মাবার পর দেখা যায় বাছুরটির মুখের আদলের সঙ্গে মানুষের মুখের আদলের মিল আছে।
এরপরই শুরু হয় ধুন্দুমার। অনেকে বাছুরটিকে রীতিমতো পূজা করা শুরু করে দেন। কিন্তু এই পুজোর ধাক্কা সামলাতে না পেরেই কি না জন্মের কিছুক্ষণ পর বাছুরটি মারা যায়। তবে এরপরও ওই বাছুরটির আবেদন কমেনি। বাছুরটির মৃতদেহ সংরক্ষণ করে এতে ফুলের মালা পরিয়ে রেখেছেন ভক্তরা! আর এই মৃত বিকলাঙ্গ বাছুরটি দেখতে লোক আসছেন হাজারে হাজারে।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, বাছুরটি ‘গোকারণ-২৪’  গ্রন্থে বর্ণিত বিষ্ণুর অবতার। তাই তাঁরা বাছুরটির জন্য একটি মন্দির বানাতে চান। তবে গরুর বাছুরটিকে নিয়ে এত আলোড়নকে কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাণি বিশেষজ্ঞরা। দিল্লিতে কর্মরত প্রাণীচিকিৎসক রনজিত মেহতা জানান, জিনগত গঠনে সমস্যার কারণে বিভিন্নরকম প্রাণীর জন্ম হয়। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এ নিয়ে কুসংস্কারের কোনো অবকাশ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

upol-tharanga-1সংবাদ সম্মেলনে ঢুকেই লন্ডন হামলায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানালেন স্টিভেন স্মিথ। নিজ দল কিংবা প্রতিপক্ষকে নিয়ে কথা বলার চেয়ে জঙ্গিবাদ নিয়েই বেশি সময় পার করলেন অস্ট্রেলিয়ান কাপ্তান। তারপর সোমবারের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের ক্রিকেটার তামিম, মোস্তাফিজের নামটা ঠিকঠাক বলতে পারলেও আটকে গেলেন মুশফিকের নাম বলতে গিয়ে। নাম জানুন বা না জানুন এইটুকু বলতে পারলেন যে তার দলের জন্য এই তিনজন সত্যিকার অর্থেই বিপদ ডেকে আনতে পারেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তামিম-মুশফিক জ্বলে উঠলেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি দ্য ফিজ। আইপিএল খেলার কল্যাণে মোস্তাফিজকে ভালোই জানা স্মিথের। আর ইংলিশদের বিপক্ষে দারুণ এক শতক হাঁকিয়েছেন তামিম। ইংলিশ মিডিয়াতে কিঞ্চিৎ লেখালেখির কারণেই হয়তো টাইগার উদ্বোধকের নামটা জানা আছে অজি দলপতির।

তাই যখন তাকে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল তাতে তামিম-মোস্তাফিজের নাম বলতে পারলেও আটকে গেলেন মুশফিকে, ‘বাংলাদেশের দলটিতে বেশ কয়েকজন বিপজ্জনক খেলোয়াড় আছে। তামিম ইকবাল দারুণ খেলেছে। ম…ম…নামটা ঠিক, মুশফিক। তাই নয় কি? কিপার। সেও ভালো ক্রিকেটার। আর মোস্তাফিজ অসাধারণ বোলার। ওদের হারাতে আমাদের ভালো খেলতেই হবে।’

নাম ঠিক বলতে না পারলেও পরিসংখ্যান কিন্তু স্মিথের যুক্তিই সত্যি প্রমাণিত করে। কয়েক বছর ধরে টাইগার ব্যাটিংয়ের প্রাণভোমরা মুশফিকুর রহিম। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্ট্রাইক রোটেট করতে তার জুড়ি মেলা ভার। আর আগের মারদাঙ্গা ব্যাটিং তুলে রেখে পরিণত এক ব্যাটসম্যানের নাম তামিম ইকবাল। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাঁচটি শতক তারই প্রমাণ। মোস্তাফিজ তো ক্রিকেটবিশ্বের কাছে এক বিস্ময়েরই নাম!

স্মিথ মুশফিকের নাম না জানলেও এসব ব্যাপারে ওয়াকিবহাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xwHONE_4945চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ১২৪ রানে হারিয়েছে ভারত। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ভারতের হয়ে ব্যাটিংয়ের উদ্বোধন করেন রোহিত শর্মা আর শিখর ধাওয়ান।

ভারতের করা ৩ উইকেটে ৩১৯ রানের জবাবে ৩৩.৪ ওভারে সবকটি উইকেট (ওয়াহাব রিয়াজ ইনজুরির কারণে খেলতে পারেন নি) হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ১৬৪ রানের মাথায়। রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান,বিরাট কোহলি ও যুবরাজ সিংয়ের ব্যাটিং তাণ্ডবে নাকানি চুবানি খেয়েছে পাক বোলাররা।

বৃষ্টি বিঘ্নিত কারণে ৪৮ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগুন ঝরিয়েছেন বিরাট কোহলি ও যুবরাজ সিং। পাকিস্তানে বিপক্ষে দেখা গেল সেই চির চেনা যুবরাজকে। ধুন্ধমার চার-ছক্কার মারে তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। মাত্র ৩২ বল খেলে ৮টি চারের মার ও ১টি ছক্কায় ৫৩ রান করে হাসান অালীর বলে আউট হন যুবরাজ। এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে শিখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মার শক্ত ভিত গড়ে দেন ভারতকে। তাদের জুটি থেকে আসে ১৩৬ রান। শিখর ধাওয়ান করেন ৬৮ রান। আর রোহিত রান আউট হওয়ার আগে করেন ৯১ রান।

খেলায় বিরাট কোহলির বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ৩২০ রানের বড় সংগ্রহ পায় ভারত। বিরাট কোহলি ৬৮ বলে ৩ ছক্কা ৬টি চারের মারে করেন অনবদ্য ৮২ রান।

এদিকে ভারতের দেওয়া ৩২০ রানের টার্গেটে পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজহার আলী আর আহমেদ শেহজাদ ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৪৭ রান তোলেন। শেহজাদ ১২ রানে ফিরলেও ৬৫ বলে ৬টি বাউন্ডারিতে ৫০ রান করে বিদায় নেন আজহার। তিন নম্বরে নামা বাবর আজম করেন ৮ রান। মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ১৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন শোয়েব মালিক। কোনো রান ছাড়াই ইমাদ ওয়াসিমকে ফিরতে হয়। আর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ব্যক্তিগত ১৫ রানে বিদায় নেন। শাহদাব খান ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

04---aমোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ও আনুলিয়ায় দু’টি সুপেয় পানির প্লান্ট উদ্বোধন এবং শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। রবিবার আশাশুনির এসব এলাকায় পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্লান্ট উদ্বোধন ও চেক বিতরন করা হয়।
বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুল চত্বরে ও দঃ কাকবাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টা দু’টি সুপেয় পানির প্লান্ট নির্মান করেছে। কাকবাসিয়া প্লান্ট ২০ লক্ষ টাকা এবং বড়দল প্লান্ট ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উভয় প্লান্ট থেকে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ হাজার লিটার করে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্লান্ট পরিচালনার জন্য দু’টি ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা প্লান্ট দু’টি পরিচালনা করবে। বর্তমানে প্রতি লিটার পানির মূল্য নির্দ্ধারন করা হয়েছে ৫০ পয়সা। স্কুল শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং মসজিদের জন্য বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হবে। উন্নয়ন প্রচেষ্টা নির্বাহী পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলির সভাপতিত্বে প্লান্ট দু’টির পৃথক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, সাবেক এমপি আলহাজ্ব ডাঃ মোখলেছুর রহমান, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যা, বড়দল কলেঃ স্কুলের অধ্যক্ষ ড. শিহাব উদ্দিন প্রমুখ। পরে বড়দল, কাদাকাটি ও খাজরা ইউনিয়নের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ৪.০০ থেকে ৪.৯৯ প্রাপ্ত ৪৪ জন কৃতি ছাত্রছাত্রীকে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষা বৃত্তির প্রথম কিস্তির টাকা প্রদান করেন প্রধান অতিথি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌরসভা সুইপার কল্যাণ ইউনিয়ন কর্মচারীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা পৌরসভার সামনে ঘণ্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কর্মচারীরা সাতক্ষীরা পৌর মেয়র বরাবর দুটি ব্যানার সম্বলিত আবেদনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া উত্থাপন করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তারা এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কর্মচারীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন যে, আমরা সাতক্ষীরা পৌরসভার পরিস্কার পরিছন্নতার কাজ করে থাকি। যা লোক চক্ষে একটি অশোভনীয় কাজ। তারপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শুধুমাত্র পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য এসকল কাজ আমরা করে থাকি। এ কাজের করার কারণে আমরা বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। আর এ কাজের বিনিময়ে আমরা যে বেতন পাই তা বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে আমাদের জীবন যাপন করা কষ্ট সাধ্য হয়ে যাচ্ছে। এ কাজ করার ফলে আমরা জড়িয়ে পড়ি নানা ধরনের রোগে, আর বৃদ্ধ বয়সে আমাদের কোনো ভবিষ্যত নেই। এ কারণে আমরা পরিবারের সদস্যদের কাছেও হয়ে থাকি অবহেলিত, লাঞ্ছিত।
এজন্য কর্মচারীরা মানবিক দিক বিবেচনা করে কর্মচারীরা যাতে তিন বেলা খেয়ে সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারে সে ব্যাপারে সাতক্ষীরা পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496543830বিশেষ ডেস্ক : অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে অস্ট্রেলিয়া সব সময়ই পছন্দের শীর্ষে ছিল। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক জরিপে দেখা গেছে, গোটা বিশ্বের মানুষদের কাছে বসবাস ও কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শহরগুলো সবচেয়ে বেশি প্রিয়।
পছন্দের শীর্ষে থাকার মূল কারণ শান্তি-শৃঙ্খলা, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ, চাকরি, খরচ, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ও চিকিৎসার মানের দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সব সময়ই সেরা।
যাঁরা অস্ট্রেলিয়ায় যেতে চান, তাঁদের প্রথমেই জেনে রাখা দরকার যে, দেশটিতে মূলত ছয় ধরনের ভিসা দেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে আছে ছাত্র ভিসা, দক্ষতা অনুযায়ী কাজের ভিসা, বিজনেস, ভিসা পরিবারের সদস্যদের জন্য ভিসা এবং অন্যান্য ভিসা।
বাংলাদেশি ভিসাপ্রত্যাশীরা খুব সহজেই সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হয়ে কাজ ও দক্ষতা প্রমাণের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করলে পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় কাজ ও বসবাস করার সুযোগ পেতে পারেন।
অস্ট্রেলিয়ায় মাইগ্রেশনের সব প্রোগ্রামকে বেশ কিছু সাব-ক্লাসের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো :

সাব-ক্লাস ১৮৯- স্কিলড ইনডিপেনডেন্ট ভিসা।
সাব-ক্লাস ১৯০- স্টেট নমিনেটেড ভিসা।
সাব-ক্লাস ৪৮৯- রিজিওনাল স্পনসরড ভিসা।
সাব-ক্লাস ৪৮৫- অস্থায়ী গ্র্যাজুয়েট ভিসা।

এ ছাড়া বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত সহজ ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে :
সাব-ক্লাস ৪৫৭-চাকরিদাতা কর্তৃক স্পনসরড অস্থায়ী ভিসা।
সাব-ক্লাস ১৮৬- চাকরিদাতা কর্তৃক স্পনসরড স্থায়ী ভিসা।
সাব-ক্লাস ৪০২-ট্রেনিং এবং গবেষণার জন্য ভিসা।
সাব-ক্লাস ৪৬১ নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের জন্য।

পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী ভিসা মাত্র ১২ মাসে :
সাব-ক্লাস ১৮৬,১৮৯,১৯০ এবং ৪৮৯-এর অধীনে যে কোনো বিদেশি নাগরিক এখন মাত্র ১২ মাসে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারছেন।

এই প্রোগ্রামের কিছু সুবিধা রয়েছে। এগুলো হলো : এর জন্য দেশ থেকে কোনো চাকরির অফার নিয়ে যেতে হবে না। সন্তানরা বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ পাবে, পরিবারের সদস্যরা বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া ১৬৯টি উন্নত দেশে ভিসা ছাড়াই যাতায়াত করার সুবিধা পাওয়া যাবে। রয়েছে সবচেয়ে কম খরচে এবং কম সময়ে স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ, কোনো কোটা বা নির্ধারিত সংখ্যা নেই। যে কোনো সময় স্টেট গভর্নমেন্ট নমিনেশনের জন্য আবেদন করা যায় এবং পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের জন্য সরকারি খরচে সবচেয়ে কম টাকায় পিআর প্রসেস করা যায়।

পেশা  : প্রকৌশলী, চিকিৎসক, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কর্মী, অ্যাকাউনটেন্ট, অডিটর, স্থপতি, ডেনটিস্ট, ফার্মাসিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, ব্যাংকার, রেডিওলজিস্ট, নার্স, সনোগ্রাফার, প্যাথোলজিস্ট, সার্ভেয়ার, মিডওয়াইফ, শিক্ষক ইত্যাদি পেশার লোকজন নিজ নিজ ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।

এই প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম যে যোগ্যতা থাকতে হবে তা হলো :

বয়সসীমা : অস্ট্রেলিয়া স্কিলড প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ৫৫ বছরের নিচে থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওআই) সাবমিট করতে হবে। পরে ইনভাইটেশন আসলে মূল আবেদন জমা দিতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা : চার বছরের অনার্স এবং এক বছরের মাস্টার্স অথবা তিন বছরের অনার্স এবং দুই বছরের মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন।

কাজের অভিজ্ঞতা : প্রথমে মনে রাখতে হবে যে, অস্ট্রেলিয়ার বাইরের যে কোনো ডিগ্রিকে অস্ট্রেলিয়ার সমমানের করার জন্য প্রার্থীকে ওই একই ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

ইংরেজি জ্ঞান : প্রার্থীকে অবশ্যই আইইএলটিএস (সাধারণ বা একাডেমিক)-এর প্রতিটি মডিউলে আলাদা আলাদা করে ৬.০+ স্কোর করতে হবে। কোনো প্রার্থী যদি প্রতিটি মডিউলে আলাদা আলাদা করে ৭.০+ স্কোর করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি আবেদন করার সঙ্গে আরো ১০ পয়েন্ট পাবেন।

অস্ট্রেলিয়া স্কিলড মাইগ্রেশন- সাব ক্লাস ৪৫৭-এর অধীনে (সর্বশেষ তারিখ মার্চ ২০১৮)

এই প্রোগ্রাম হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে অন্যতম। পরিবারসহ যেহেতু কাজ ও বসবাস করার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে সুতরাং এই প্রোগ্রামটি হতে পারে সবার পছন্দের। প্রোগ্রামটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে প্রোগ্রামটি নতুন কোনো সাব-ক্লজে ঘোষণা হতে যাচ্ছে।

আগামী মার্চ, ২০১৮-এর মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সাব-ক্লাস ৪৫৭। তাই আর দেরি না করে এখনই আবেদন করে শেষ সুযোগটি নিতে পারেন। সাধারণত মেডিকেল প্রশাসক, আইটি, অ্যাকাউনটেন্ট, অডিটর, আর্কিটেক্ট, ডেনটিস্ট, ফার্মাসিস্ট, থেরাপিস্ট, রেডিওলজিস্ট, নার্স, সনোগ্রাফার, প্যাথলজিস্ট, মিডওয়াইফ, শিক্ষক, ব্যাংকারসহ আরো অনেক পেশাজীবী স্বল্প সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারসহ বসবাস ও কাজ করার অনুমতি পেতে পারেন এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করে।

প্রোগ্রামটির উল্লেখযোগ্য সুবিধাজনক দিক হচ্ছে : চাকরিসহ মাইগ্রেশন করা যায়। আইইএলটিএসের স্কোর লাগে ন্যূনতম ৪.৫ পয়েন্ট। কমপক্ষে ডিগ্রি পাস হলেই চলে। পরিবারসহ যাওয়া যায়। এ ছাড়া আগে আবেদনের সময়ের হিসাবে প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। অর্থাৎ যিনি আগে আবেদন করবেন তিনি আগে বিবেচিত হবেন।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের জন্য রয়েছে বিজনেস মাইগ্রেশন, বিজনেস ইনভেস্টমেন্ট বা বিজনেস ইন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম।

বিজনেস টেলেন্ট প্রোগ্রাম (সাব-ক্লাস ১৩২)

ভিসার মেয়াদকাল-স্থায়ী
সম্পত্তির পরিমাণ- ১.৫ মিলিয়ন (৪,০০,০০০অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ব্যবসায়িক সম্পত্তি)
টার্নওভার-৩ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের টার্নওভার থাকতে হবে, বা ১ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ভেন্চার ক্যাপিটাল ফান্ড থাকতে হবে।

বিজনেস ইনোভেশন (সাব-ক্লাস ১৮৮)

ভিসার মেয়াদকাল-প্রাথমিকভাবে চার বছরের জন্য পরে সাব-ক্লাস ৮৮৮-এর অধীন পিআর করা যাবে।
সম্পত্তির পরিমাণ ৮,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বার্ষিক হিসাব
টার্নওভার-৫,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের টার্নওভার থাকতে হবে, যা আবেদন করার সর্বশেষ চার বছরের মধ্যে অন্তত দুই বছরের হিসাব হতে হবে।

বিজনেস ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সাব-ক্লাস ৮৮৮)

ভিসার মেয়াদকাল-স্থায়ী
সম্পত্তির পরিমাণ- ২,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ব্যবসায়িক সম্পত্তি বা ৬,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা আবেদন করার ১২ মাস আগের হিসাব হতে হবে।
টার্নওভার- ৩,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের টার্নওভার থাকতে হবে, যা আবেদন করার ১২ মাস আগের হিসাব হতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় মাইগ্রেশনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে পিআর ভিসা নিয়ে দেশটিতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সন্তানরা প্রতি মাসে নির্ধারিত সোশ্যাল বেনিফিট পাওয়া শুরু করবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অস্ট্রেলিয়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা, যা পরিবারের সবার জন্য প্রযোজ্য। এই সুবিধা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও পাওয়া যায় না। তাই আর দেরি না করে যোগ্য ব্যক্তিদের এখনই আবেদন করা উচিত।

বাংলাদেশ থেকে যে কয়েকজন ইমিগ্রেশন আইনজীবী অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে মাইগ্রেশন নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের মধ্যে শীর্ষে আছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু)।

ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্ট লিমিটেডের কর্ণধার ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু) বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এমনকি শ্রীলঙ্কা থেকেও প্রতিবছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রচুর মানুষ মাইগ্রেশন করে অস্ট্রেলিয়ায়। প্রতিবছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রচুর গ্র্যাজুয়েট বের হলেও শুধুমাত্র আইইএলটিএস পরীক্ষা-ভীতির কারণে বাংলাদেশিরা বেশি যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় যেতে পারছে না।’ তিনি তরুণদের প্রতি বিশেষ করে যারা উন্নত দেশে বসবাস করতে আগ্রহী তাদের নিজের যোগ্যতার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে অস্ট্রেলিয়া খুব দূরের স্বপ্ন নয়।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় info@worldwidemigration.org অথবা advahmed@outlook.com এ ছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে+৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করতে পারেন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।

ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে প্রাথমিক তথ্যের জন্য কথা বলতে পারেন

০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৬৬০৪১৩৩৩, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮ এই নম্বরগুলোতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496582327ন্যাশনাল ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও মানবাধিকারকর্মী খুশি কবীরের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান এ আদেশ দেন। আদালতে আজ রাজধানীর চকবাজার থানা এলাকার সমাজসেবক হাজি মোহাম্মদ বাদল বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।
বিচারক আদেশে বলেন, আরজিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় তা খারিজ করে দেওয়া হলো।
বাদী আরজিতে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি নিজের মা হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। প্রধানমন্ত্রীর নামে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি মামলাটি করেছেন।
আরো বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে গত ২৮ মে সন্ধ্যায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে বের হওয়া গণজাগরণ মঞ্চের একটি মিছিল থেকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে স্লোগান দেওয়া হয়। তাদের বক্তব্য পর দিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় আসে। এতে প্রধানমন্ত্রীর মানহানি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest