সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

Copy of 112233মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম কর্তৃক দারিদ্র বিমোচন প্রকল্পের আওতায় মহিলা সেলাই প্রশিক্ষর্ণার্থীদের মাস ব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল লতিফ, দৈনিক প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুল খালেক, আব্দুর রশিদ, অধ্যাপক রফিউদ্দীন, আব্দুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৩টি ব্যাচের মোট ১২ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04245মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘সাবধানে গাড়ি চালান, নিরাপদে থাকুন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে জন-সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল লতিফ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘জনসচেতনতায় পারে সড়ক দূর্ঘটনা রোধ করতে। এজন্য পেশাজীবী গাড়ী চালকসহ সকলকে সম্মিলিতভাবে সড়ক দূর্ঘটনা রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সকল নিয়মের অনুশাসন মেনে চলার আহবান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তাওহীদুর রহমান, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) খুলনা বিভাগের উপ পরিচালক (ইঞ্জি:) মো. জিয়াউর রহমান, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি আবু আহমেদ, দৈনিক প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতাক্ষীরা জেলা পুলিশ পরিদর্শক (যানবাহন) তপন কুমার মজুমদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ট্রাংক ট্রাংকলরী কাভার্ট ভ্যান ইউনিয়নের সভাপতি মো. আজিজুল হক আজিজ, সাধারণ সম্পাদক শাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন, মটরযান পরিদর্শন মো. আমির হোসেন, ম্যাকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট মো. আবু জামাল, অফিস সহকারী নাসির উদ্দীন, নারকেলতলা ট্রাংক-ট্যাংলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের কাদু, বিআরটি এর শেখ আমিনুর হোসেন প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IMG_20170511_175623জিল্লুর রহমান/ মোসলেম আহমেদ/ সোহেল পারভেজ/আজহারুল ইসলাম : বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার প্রাণকেন্দ্রে একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ। উচ্চ শিক্ষার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য এবং এতদাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ হিসাবে গড়ে তোলার অভিপ্রায়ে ১৯৯৮ সালে এ কলেজে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থনীতিতে স্মাতক শ্রেণি চালু করা হয় এবং ২০১০-১১ সেশন থেকে স্মাতকোত্তর শ্রেণি চালু করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থনীতি বিভাগ এ কলেজে অত্যন্ত গৌরবের সাথে সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বিভাগের ফলাফল অত্যন্ত চমৎকার ও ঈর্ষণীয়। ২০০৬-২০০৭ শিক্ষাবর্ষে সাতক্ষীরা কলেজের ছাত্র মফিজুল ইসলাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ে সম্মলিত মেধাক্রমে ১ম স্থান অধিকার করেন।
২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে আহসান হাবীব সারা বাংলাদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ে ২য় স্থান লাভ করেন। বর্তমানে এ বিভাগে ৪ জন শিক্ষক এবং ১ জন শিক্ষিকা তাদের দক্ষতা মেধা ও কঠোর পরিশ্রম দ্বারা এ বিভাগের গৌরবকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিভাগটিতে ৩ টি ক্লাসরুম, ১টি অফিসকক্ষ আছে। বিভাগটিতে প্রায় ৭৫০ জন ছাত্র- ছাত্রী অধ্যয়নরত।অর্থনীতি বিভাগের বর্তমান (ভারপ্রাপ্ত) বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এ বিভাগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এ বিভাগ থেকে গত পরীক্ষায় স্মাতক সম্মান ২০১৪ সালের শিক্ষাবর্ষে ৪০ জন এবং ১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ১৮জন ফাষ্ট ক্লাস পেয়েছে।আশাকরি আগামীতে আরও ভালো ফলাফল হবে।

এ বিষয়ে কয়েকজন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর কাছে জিজ্ঞাসা কররে তারা বলেন, আমাদের শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ তাদের মেধা ও দক্ষতার সাথে পাঠদান করেন। যদি আমাদের একটি ভাল সেমিনার কক্ষ এবং ক্লাসরুম গুলো  পাশাপাশি হতো তাহলে আমাদের খুব সুবিধা হয়। এ বিভাগের ফলাফল ফলপ্রসু হওয়ার কারণে অর্থনীতি বিভাগের প্রতি ছাত্র- ছাত্রীদের আগ্রহ দিনদিন বেড়েই চলেছে। কিন্তু আমাদের ক্লাসরুমে বিছিন্ন থাকায় এবং সেমিনার কক্ষটি ব্যবহার করতে না পারায় বিভিন্ন সময় সমস্যার সম্মুখীন হই।

জিল্লুর রহমান/ মোসলেম আহমেদ/ সোহেল পারভেজ/আজহারুল ইসলাম : ডেইলি সাতক্ষীরা’র মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

def566b962db88d269fac3d0907546a1-5923d367bc410সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার (২৩ মে) সারাদেশে  প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকরা। বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ঘোষণা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা।

রোগীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন, রোগীদের এই দুর্ভোগের জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার জন্য একুটু (প্রাকটিস বন্ধ রাখা) করতে বাধ্য হয়েছেন। তারা আরও জানান, বহির্বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ রাখা হলেও জরুরি বিভাগের চিকিৎসা চলছে।

মঙ্গলবার সকালে গ্রিনরোডের সেন্ট্রাল হাসপাতাল, ল্যাবএইড, গ্রিন লাইফসহ আরও কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে থাকা চিকিৎসকরা বিএমএ’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরুরি চিকিৎসা ছাড়া রোগী দেখছেন না।

সেন্ট্রাল হাসপাতালে রংপুর থেকে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, তিনি গত পরশু (রবিবার) রাত ১১টা পর্যন্ত হাসপাতালে থেকে আজকের (মঙ্গলবার) সিরিয়াল দিয়ে গেছেন দেশের নাম করা একজন গাইনি চিকিৎসকের কাছে। কিন্তু আজ এসে শুনেন যে, ডাক্তার বসবেন না। এটা হয়রানি ছাড়া কিছু না। তিনি আরও জানান, ডাক্তার দেখাতে রংপুর থেকে ঢাকায় আসা এত সহজ না। তাকে কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নিয়ে আসতে হয়েছে।

গ্রিনরোডের গ্রিন লাইফ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, এক ব্যক্তি রিসিপশনে গিয়ে মেডিসিন বিভাগের এক চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। কিন্তু রিসিপশন থেকে তাকে বলা হয়,  সারাদেশে আজ চিকিৎসকরা চেম্বারে বসবেন না। আজকে কোনও ডাক্তার দেখানো যাবে না।

এ হাসপাতালেই ছোট বোনকে নিয়ে আসা মামুন বলেন, ‘নিজের ক্লাস বাদ দিয়ে বোনকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছিলাম। কিন্তু ডাক্তার দেখাতে পারিনি। জানি না কিসের জন্য ডাক্তাররা ধর্মঘট ডেকেছেন। তবে অন্যান্য সব পেশার মানুষদের মতো ডাক্তাররাও ধর্মঘট ডেকে পরিচয় দিলেন যে, তারা আর মহৎ পেশায়  নিয়োজিত নেই। ডাক্তারি এখন আর নোবেল প্রফেশন নয়। চিকিৎসকরা রোগী না দেখে তাদের শপথ ভঙ্গ করছেন।’

সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে গত ২০ মে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর কার্যনির্বাহী পরিষদ সারাদেশের চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ রাখার এই ঘোষণা দেয়। এছাড়াও গত ২১ মে থেকে আগামী ২৫ মে পর্যন্ত তারা সকাল ৮ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কালো ব্যাজ ধারণের সিদ্ধান্ত নেন।

রাজধানীর গ্রিন রোডে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ঢাবি শিক্ষার্থী আফিয়া জাহিন চৈতি মৃত্যুর ঘটনায়  গত ১৮ মে  ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন ঢাবি প্রক্টর আমজাদ আলী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল অনুষদের ডিন ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহকে এক নম্বর আসামি করে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর পরপরই সেন্ট্রাল হাসপাতালের পরিচালক ডা. এম এ কাশেম ও ডা. সাজিদ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে সব চিকিৎসকরাই জামিন নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আফিয়া জাহিন চৈতি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বুধবার (১৭ মে) সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি হলেও তাকে ক্যান্সারের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের সহপাঠীরা ওই হাসপাতালে এসে ভাঙচুর করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495471313আবার খবরের শিরোনামে এলেন ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু স্বামী ওম। এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে জনতার হাতে মার খেয়েছেন তিনি। আর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখলেন সংগঠকরা।

অব্শ্য এর আগেও অনেক বিতর্কে জড়িয়েছেন এই স্বঘোষিত সাধু। অর্ধনগ্ন নারী শিষ্যর সঙ্গে যোগ বা অন্তর্বাসের উপকারিতা বোঝাতে গিয়ে মার খেয়েছিলেন। এর আগে রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এ যোগ দিয়েও নানা বিতর্কে সেধে অংশ নেওয়া তো রয়েছেই।

তবে এবার স্বামী ওম মার খেলেন প্রায় বিনাদোষেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, গত শনিবার দেশটির রাজধানী দিল্লির বিকাশনগর এলাকায় নাথুরাম গডসের জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল ওম স্বামীকে। সঙ্গে ছিলেন আরো অনেক অতিথি।

অনুষ্ঠানের দিন যথাসময়ে হাজির সাধুবাবা। এর মধ্যে অনুষ্ঠান মঞ্চে তাঁকে স্বাগতও জানানো হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে আয়োজক ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত নারীরা ওম স্বামীর উপস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। জবাবে প্রত্যুত্তর দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চের দিকে যেতে উদ্যত হন ওম স্বামী।

কিন্তু মঞ্চের কাছাকাছি যেতেই জনতার মধ্যে থেকে কিছু লোক এগিয়ে এসে তাঁকে মারতে শুরু করে। মারের চোটে খুলে আসে চুল। আর কিছু বুঝে ওঠার আগেই বেধড়ক মার খেয়ে অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন বিগ বসের এই আলোচিত-সমালোচিত প্রতিযোগী।

মারার সময়ে জনতা চিৎকার করছিল, নাথুরামের মতো ব্যক্তির জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্বামী ওমের মতো দূরাচারীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এ সময় জনতা স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুকে বেরিয়ে যেতে বলে।

এদিকে ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে ক্ষমা চেয়েছেন আয়োজকরা। আর ওম স্বামীর দাবি, তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত মহল এই হামলা চালিয়েছে। তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে।

https://www.youtube.com/watch?v=xWrElJ9Hqok

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495521292মহাশক্তিধর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তিনি। কিন্তু তাতে কী আসে যায়। বউয়ের মন জুগিয়ে চলতে হয় তাঁকেও। এর প্রমাণ মিলল সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে।

‘অশান্ত’ বিশ্বের জন্য একটু ‘শান্তি’ খুঁজতে সৌদি সফরে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর গতকাল সোমবার পা রাখেন বন্ধুদেশ ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া। বিমান থেকে নেমে লালগালিচার ওপর দিয়ে হাঁটার সময় হয়তো ভালোবেসেই স্ত্রীর হাত ধরতে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু মেলানিয়া মোটেও সাড়া দিলেন না তাতে। বরং ট্রাম্পের বাড়িয়ে দেওয়া হাতে ছোট্ট একটা চাপড় মেরে প্রত্যাখ্যান করলেন।

তবে কী কারণে পতির ভালোবাসার ডাক ফিরিয়ে দিলেন এই মডেল সুন্দরী তার কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। হয়তো কোনো কারণে মি. প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফার্স্ট লেডির মান-অভিমান চলছিল। এমনও হতে পারে, সংকীর্ণ গালিচায় পাশাপাশি হাঁটা সম্ভব না বলে হাতে চাপড় দিয়েছিলেন তিনি।

তবে ট্রাম্পকে একেবারেই বঞ্চিত করেননি মেলানিয়া। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারার সঙ্গে বিদায় নেওয়ার সময় ট্রাম্পের হাতে সামান্য স্পর্শ করেছিলেন তিনি।

https://www.youtube.com/watch?v=slo71FaJjfY

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495520403আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চাঁদপুর ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

এ সময়ে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু্য়েক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১২ মিনিটে এবং আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

iMQh8A_186nছবিটা একটু দেখুন তো! ভাল করে কিন্তু! এত কিছু ভাঙাচোরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে চারধারে! বাড়িটারও বেশ বেহাল দশা! সব চেয়ে জরাজীর্ণ কিন্তু গাড়িবারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটাও এখন পড়ে রয়েছে ওখানে।

বাড়িতে যখন বাসিন্দারা থাকতেন, তখন যে ভাবে দাঁড়িয়ে থাকত, ঠিক সে ভাবেই! আসলে ভারতের বেঙ্গালুরুর সেন্ট মার্ক রোডের এই বাড়ি থেকে একটা জিনিসও সরানো যায় না। তা সে যতই ভাঙাচোরা হোক! যারা এই বাড়ি ঢুকে সরাবার চেষ্টা করেছেন, কেউ বেঁচে থাকেননি!

শোনা যায়, টেরা ভেরা নামের এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ান পরিবারের হাতে। ১৯৪৩ সালে এই বাড়ি বানিয়েছিলেন উকিল এজ ভাজ। তাঁর অবর্তমানে বাড়ির মালিকানা যায় দুই অবিবাহিতা বোন ভেরা আর দোলসে-র হাতে। ভেরা একটি স্কুলে ইংরেজি পড়াতেন। আর ছোট বোন দোলসের নেশা আর পেশা, দুই-ই ছিল পিয়ানো। দোলসেও ছিলেন দিদির মতো স্কুলশিক্ষিকা। তবে তিনি পড়াতেন না, পিয়ানো বাজানো শেখাতেন। এ ভাবেই সময় যায় সময়ের পিঠে। বয়স হয়ে আসে দুই বোনের। এবং, ঘনিয়ে আসে সেই মর্মান্তিক মুহূর্ত। সাল ২০০২! অভ্যেস মতো সেই রাতেও নিজেদের বাড়িতেই ছিলেন দুই বোন। খেয়ে-দেয়ে ঘুমোতে গিয়েছিলেন যে যার নিজের ঘরে। গাড়িবারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল গাড়িটাও!

হঠাৎই রাতের নীরবতাকে তছনছ করে দরজা ভেঙে এক যুবক ঢুকে আসে বাড়িতে। ঢুকেই পর পর গুলি চালায় দোলসেকে লক্ষ্য করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দোলসের! ঠিক কী কারণে এই যুবক দোলসেকে হত্যা করেন, তা এখনও জানা যায়নি। অনুমান করা হয়, তার মাথার ঠিক ছিল না! এই ঘটনার পরে পুলিশ কিন্তু ওই বাড়িতে থাকার অনুমতি দেয়নি বড় বোন ভেরাকে। নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া যায়।

আর, দোলসকে কবর দেওয়া হয় ওই বাড়ির বাগানেই।আসবাব, ফাঁকা বাড়ি, গাড়িবারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সঙ্গে মাটির নিচে অনাদরে শুয়ে থাকেন দোলসে! সেই শুরু! তার পর থেকে অনেকেই ওই বাড়িতে, গভীর রাতে শুনেছেন পিয়ানোর টুং-টাং! শুনেছেন ফাঁকা ঘরে কারও চলাফেরার আওয়াজ! কেউ যেন পা টেনে টেনে হাঁটছেন! ঠিক যে ভাবে হাঁটতেন দোলসে! কখনও বা আবার হঠাৎ হঠাৎ জ্বলে ওঠে গাড়ির হেডলাইট! কোনও কারণ না থাকা সত্ত্বেও! বলাই বাহুল্য, এই সব শুনে যথেষ্ট মর্মাহত হয়েছিলেন ভেরা।তিনি তখন এই বাড়ি থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে চান! কিন্তু, তা সম্ভব হয়নি! যারা জিনিসপত্র নিয়ে যেতে এসেছিলেন, তারা প্রত্যেকেই অসুস্থ হয়ে ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। তার পর থেকে আর টেরা ভেরার একটা জিনিসও সরানো হয়নি।

গাড়িটাকেও নয়। দোলসের জিনিস তাঁর সঙ্গেই থেকে গিয়েছে ওই বাড়িতে। শুধু যে ওই বাড়ির জিনিস সরানো যায় না, তাই নয়! পাশাপাশি, ওই বাড়ির ভিতরে কোনও ছবিও তোলা যায় না। যাঁরা চেষ্টা করেছেন, দেখেছেন ছবি ঝাপসা এসেছে! নয় তো ব্যাটারি পুড়ে গিয়েছে, ক্যামেরা গিয়েছে খারাপ হয়ে!আপনি কি ওই বাড়িটায় একবার ঢুঁকে মারার কথা ভাবছেন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest