সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

তুরস্কের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির দিনে দেশটির প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভন্ডামি’র অভিযোগ এনে বলেছেন – তারা সেদিন অভ্যুত্থানের ফল কি হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল।

সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মি. এরদোয়ান বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য কোনভাবেই এটাকে ঢেকে রাখার উপায় নেই যে সেদিন তারা তুরস্কের সাথে তাদের বন্ধুত্বকে প্রতারণা করে ‘অভ্যুত্থানের ফল কি হয়’ এটা দেখার জন্য বসে ছিল।

এরদোয়ান ওই অভ্যুত্থানের পর তুরস্কে গণগ্রেফতার এবং শুদ্ধ অভিযান চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর গ্রেফতার করা হয় ৫০ হাজার লোককে। গ্রেফতার হন অন্তত ১৩০ জন সাংবাদিক।

সামরিক বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয় ৭ হাজার জনকে। এ ছাড়াও চাকরি হারান ১ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষাবিদ এবং সরকারি কর্মকর্তা।

২০১৬ সালের এই দিনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করার একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সেনাবাহিনীর একটি অংশ বড় শহরগুলোর রাস্তায় অস্ত্র এবং ট্যাংকসহ নেমে পড়ে এবং পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন সরকারী ভবনে হামলা চালাতে থাকে।

তুরস্কের ওই অভ্যুত্থানে নিহত হয় কমপক্ষে ২৬০ জন , আহত হয় ২ হাজার ১৯৬ জন।

অনেক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর পরও জনগণের প্রতিরোধের মুখে সেই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।

এরদোয়ান বলেন, ওই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়াটা ছিল গণতন্ত্রের ইতিহাসে মোড়বদলকারী ঘটনা।

সেই রাতের পর প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের জনপ্রিয়তা আরো অনেক বৃদ্ধি পায়।

কিন্তু অভ্যুত্থানের পর ব্যাপকহারে ধরপাকড় নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয় এবং এ নিয়ে সমালোচনা এখনো চলছে।

তুরস্কে এর আগে চারটি অভ্যুত্থান হয়েছে, প্রথমটি ১৯৬০ সালে , এর পর ১৯৭১, ১৯৮০ ও ১৯৯৭ সালে আরো তিনটি অভ্যুত্থান হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথম ছবি ‘জয়যাত্রা’, এরপর মোশাররফ করিম অভিনয় করেছেন ‘রূপকথার গল্প’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘প্রজাপতি’, ‘টেলিভিশন’, ‘জালালের গল্প’ এবং ‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রে। মোশাররফ করিমের নতুন ছবি ‘ফালতু’। আর এই ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করবেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।

মাহিয়া মাহি জানান, তার সঙ্গে এখনো চুক্তি হয়নি। পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কাজটি তিনি করবেন, এটা চূড়ান্ত হয়েছে।

মোশাররফ করিম এখন আছেন মালয়েশিয়ায়। সেখান থেকে তিনি জানিয়েছেন, ‘এখন তো নাটকের কাজের চাপ বেশি। এর ফাঁকে ফাঁকে কীভাবে ছবির কাজ করা যায়, সেটাই ভাবছি।’

‘ফালতু’ ছবির পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন বলেন, ‘আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শিডিউল দিয়েছেন মোশাররফ করিম। ছবির শুটিং হবে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড, সদরঘাট, কমলাপুর রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায়। কিছু কাজ হবে বান্দরবানে। জায়গাগুলোতে জনসমাগম বেশি। তাই প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে সেভাবেই।’

ওয়াজেদ আলী সুমন আর জানান, ‘ফালতু’ ছবির কাজ আরও আগেই শুরু করতে চেয়েছি। কিন্তু ছবির মোশাররফ করিমের শিডিউল-জটিলতার কারণে দেরি হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ৬২ হাজার ১৫০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রতিরক্ষা বিল অনুমোদন করেছে।

পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতে মার্কিন অর্থায়নের ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে শর্ত ও বিধিনিষেধ।

কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদিত ভারত-সংক্রান্ত ওই সংশোধনী বিল নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা করবেন।

এর ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর নীতি ১৮০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে। পাশাপাশি পাকিস্তানকে প্রতিরক্ষা তহবিল দেওয়ার জন্য সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে বলেছে পেন্টাগন। মার্কিন কর্মকর্তা ও আইনপ্রণেতারা এ বিষয়ে অতীতে বারবার উদ্বেগ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকার আশুলিয়ায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব সদস্যরা। এর পর থেমে থেমে গুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির মালিককে র‍্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান আজ রোববার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, টিনশেড ওই বাড়িটি গত রাত একটা থেকে ঘিরে রেখেছে র‍্যাব। জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হলে তারা ভেতর থেকে র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক ও গুলি ছুড়ছে। থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে।

তিনি জানান, বাড়ির আশপাশের এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে অভিযান শুরু হবে।

র‍্যাবের এই পরিচালক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির মালিক ইব্রাহিমকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে আগের অভিযানগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে মনে হচ্ছে, ওই বাড়িতে চার থেকে পাঁচজন জঙ্গি থাকতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘সবাই বলছেন আমি সুস্থ হয়ে যাব। আঙ্কেল (স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম), ডাক্তার, বাবা-মাও বলছেন আমার হাত ভালো হয়ে যাবে। আর হীরামনিও। ওই আঙ্কেল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার দায়িত্ব নিয়েছেন।
আমার অনেক ভালো লাগছে, সাহস পাচ্ছি। সুস্থ হয়েই প্রধানমন্ত্রী আন্টির কাছে যাব। আন্টিকে জড়িয়ে ধরে বলব, আমি ভালো হয়ে গেছি।’ বলছিল বিরল রোগে আক্রান্ত ১১ বছরের শিশু মুক্তামনি।
পাশে দাঁড়িয়ে অঝরে কাঁদছিল তার যমজ বোন হীরামনিও। ১১ জুলাই থেকে মুক্তামনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে। তাদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবাইশা গ্রামে।
শনিবার ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ৬ তলার ৬০৫ নম্বর কেবিনে গিয়ে দেখা যায়, মুক্তামনির চুল আঁচড়িয়ে দিচ্ছে হীরামনি। কখনও মুখে তুলে দিচ্ছে ফল, পানি। মুক্তার ডান হাতের ওজন প্রায় ৮ থেকে ৯ কেজি। বাম হাতে স্যালাইন লাগানো।
দুপুরের দিকে জাতীয় বার্ন ইউনিটের উপদেষ্টা ও সাবেক পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন মুক্তামনির কাছে ঘণ্টাখানেক সময় কাটান।
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বুধবার এ ইউনিটের পরিচালক ডা. আবুল কালামকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট চিকিৎসক বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সে অপুষ্টিতে ভুগছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার আলী লেনিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার চিকিৎসার দায়-দায়িত্ব নিয়েছেন। তার খোঁজখবর রাখছেন তিনি। ইতিমধ্যে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল এমপি এবং বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমও তাকে দেখে গেছেন। মুক্তামনিকে যথাযথ চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানো হবে। তবে আশা করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা দেশেই তাকে সুস্থ করে তুলবেন।
মুক্তামনির বাবা ইদ্রিস হোসেন বললেন, ২০০৬ সালের ১৪ জুলাই তাদের যমজ মেয়ের জন্ম হয়। নাম রাখেন মুক্তামনি ও হীরামনি।
মুক্তামনির বয়স যখন দেড় বছর তখন তার ডান হাতের বাহুতে ছোট্ট এটি গোঁটা দেখা দেয়। তারপর থেকে এ গোঁটাটি বড় হয়ে হয়ে এ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
দিনমজুরের কাজ করে যত টাকা কামাতেন তার অধিকাংশ মেয়ের চিকিৎসায় খরচ করেছেন।গ্রাম্য চিকিৎসক থেকে শুরু করে বহু চিকিৎসকদের কাছে নিয়েছেন মেয়েকে। প্রধানমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন মুক্তামনির বাবা।
মা আসমা খাতুন বলেন, এ রোগ নিয়েই তাকে স্থানীয় স্কুলে ১ম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাতের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় সে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠতে পারেনি। দুই বোন একই শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিল। এখন হীরামনি ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ছে।
হাতের ওজনে মেয়ের বুকের হাড় বাঁকা হয়ে কিছুটা নিচে নেমে গেছে। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে পারেননি। ফলে দিন দিন তার মেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়েটি অনেক লক্ষ্মী ও শান্ত। হাতের তীব্র ব্যথা সহ্য করার চেষ্টা করে।
আমরা কাঁদলে সে সান্ত্বনা দিয়ে বলে, ‘কেঁদো না, আল্লাহ আমাকে ভালো করবেন। তোমরা কাঁদলে আমি অনেক কষ্ট পাই।’
বার্ন ইউনিটের পরিচালক ডা. আবুল কালাম বলেন, বর্তমানে তাকে পুষ্টিকর খাবার ও রক্ত দেয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় তাকে অজ্ঞান করে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। আগামী ৭-৮ দিন পর অস্ত্রোপচারসহ সার্জারি করা হবে। আমরা আশাবাদী, কেননা জটিল রোগের চিকিৎসায় আগেও আমরা সফল হয়েছি।
সূত্র: যুগান্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পুষ্টিকর উপাদান ছাড়া শরীর ঠিক থাকতে পারে না। আর পুষ্টির যোগান ঠিক রাখতে একাধিক খাবার এক সঙ্গে খাওয়া একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু কোন খাবারের সঙ্গে কি যোগ করতে হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে :

কলা এবং দই

বাঙালিরা দই, কলা আর চিড়ে একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে খুব ভালোবাসেন। তাই না! কিন্তু কেন দই এবং কলা একসঙ্গে খাওয়ার রেওয়াজ চালু আছে জানেন? কারণ দইয়ে রয়েছে প্রোটিন এবং ভালো ব্যাকটেরিয়া। আর কলা শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর করে। তাই তো শরীরচর্চার পর এই ধরনের খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

জাম ও স্ট্রবেরি

কালো জাম এবং স্ট্রবেরি একসঙ্গে খেলে শরীরে কোনোদিন পুষ্টির অভাব হয় না। তাই তো ছোট থেকে বড়, সকলেরই প্রতিদিন এই দুটি ফল একসঙ্গে খাওয়া উচিত।

টমেটো ও অলিভ অয়েল

টমাটোয় উপস্থিত কেরোটেনয়েডস এবং লাইকোপেন অলিভ অয়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যা রক্তচাপ এবং বাজে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পালং শাক ও লেবু

পালং শাকে রয়েছে আয়রণ, যা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বেশি করে শরীরের কাজে লাগে। আসলে শরীরের আয়রণ শোষণ করার ক্ষমতা বাড়াতে লেবুর রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এই দুটি খাবারকে একসঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দেন ডায়াটেশিয়ানরা।

ডিম ও চিজ

চিজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম আর ডিম ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ। তাতে! দুটি খাবার এক সঙ্গে খাব কেন? কারণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষিত হওয়ার জন্য ভিটামিন ‘ডি’র প্রয়োজন পড়ে। তাই ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে বেশি করে ভিটামিন ডি রয়েছে এমন খাবার খাবেন। তাতে শরীর চাঙা হতে শুরু করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বৈশাখ মানেই পান্তা ইলিশ! পান্তা যদিও আমাদের দেশের গ্রামের মানুষের প্রতিদিনের খবার। কিন্তু শহরে এই খবার হয়ে থাকে বিলাস। আজ আপনাদের পান্তা ভাতের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানাব। চলুন তবে এই বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।

পান্তা ভাত  গ্রামীণ বাঙালি জনগোষ্টির একটি জনপ্রিয় খাবার। পান্তা ভাত গ্রামীণ মানুষ সকালের নাশতা হিসাবে খেয়ে থাকে। সাধারণত লবণ, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ মিশিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া হয়। আর সারা বছর শহুরে বাসিন্দাদের নিকট পান্তা ভাত অবহেলার পাত্র হয়ে থাকলেও, পহেলা বৈশাখের সকালে ঠিকই পান্তা ভাতকে তারা হাজির করেন তাদের খাবার টেবিলে। মূলত পান্তা ভাত, ভাত সংরক্ষণের একটি পদ্ধতি। নৈশভোজের জন্য রান্না করা ভাত বেঁচে গেলে সংরক্ষণের জন্য এই ভাতকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানিতে প্রায় এক রাত ডুবিয়ে রাখলেই তা পান্তায় পরিণত হয়।

ভাত মূলত পুরোটাই শর্করা। ভাতে পানি দিয়ে রাখলে বিভিন্ন গাজনকারি ব্যাক্টেরিয়া  বা ইস্ট এই  শর্করা ভেঙ্গে  ইথানল ও ল্যাকটিক এসিড তৈরি করে। ল্যাকটিক এসিড  তৈরির ফলে পান্তা ভাতের অম্লত্ব বেড়ে যায় (pH কমে) তখন পচনকারি ও অনান্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও  ছত্রাক ভাত নষ্ট করতে পারে না।

সম্প্রতি Assam Agricultural University এর একদল গবেষক  একটি  বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখেছেন যে  ১০০ গ্রাম পান্তা ভাতে (১২ ঘণ্টা পর ভিজিয়ে রাখার পর) ৭৩.৯১ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে যেখানে সমপরিমাণ গরম ভাতে থাকে মাত্র ৩.৪ মিলিগ্রাম। এছাড়াও ১০০ গ্রাম পান্তাভাতে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেড়ে হয় ৮৩৯ মিলিগ্রাম  এবং ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেড়ে হয় ৮৫০ মিলিগ্রাম যেখানে সমপরিমাণ  গরম ভাতে ক্যালসিয়াম থাকে মাত্র ২১ মিলিগ্রাম। এছাড়া পান্তা ভাতে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে হয় ৩০৩  মিলিগ্রাম যেখানে সমপরিমাণ  গরম ভাতে সোডিয়াম থাকে ৪৭৫ মিলিগ্রাম।

তাছাড়া পান্তা ভাতে ফারমেন্টেশনের ফলে পাকস্থলীতে উপ্সহিত প্যানক্রিয়াটিক অ্যামাইলেজ সহ আরও কিছু এনজাইমের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায় এতে করে পান্তা ভাতে উপ্সহিত অলিগোসাকারাইডসহ আরও কিছু জটিল শর্করা খুবসহজেই হজম হয়ে যায়।

এছাড়া পান্তা ভাত ভিটামিন বি-৬ এবং ভিটামিন বি-১২ এর ভাল উৎস।পান্তাভাত শর্করাসমৃদ্ধ জলীয় খাবার। গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখে। জলীয় খাবার বলে শরীরের পানির অভাব মেটায় এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় রাখে।পান্তা ভাত খেলে শরীর হালকা এবং কাজে বেশি শক্তি পাওয়া যায়, কারণ এটি ফারমেন্টেড খাবার। মানব দেহের জন্য উপকারি বহু ব্যাকটেরিয়া পান্তা ভাতের মধ্যে বেড়ে উঠে।

পেটের পীড়া ভাল হয়, কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয় এবং শরীরে সজিবতা বিরাজ করে। এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় থাকে।পেটের পীড়া ভাল হয়, কোষ্ঠবদ্ধতা দূর হয় এবং শরীরে সজিবতা বিরাজ করে। এবং শরীরে তাপের ভারসাম্য বজায় থাকে।রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে, কারণ পান্তা ভাতে গরম ভাতের তুলনায় সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। আশা করছি এই বৈশাখে পান্তাভাত দিয়ে শুরু হওয়া সকালটা বেশ ভালই কাটবে আপনাদের। সবাইকে বৈশাখের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সকালে ৯টা নাগাদ প্রথমে গঙ্গারামপুর মহকুমা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন সৌরভ গাঙ্গুলী। সেখান থেকে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে পৌঁছন।

জমি জটে দাদার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা গেল না বালুরঘাটে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বালুরঘাট স্টেডিয়ামে শনিবার ‘দাদা’ সৌরভ গাঙ্গুলীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বালুরঘাটের মাটিতে এসে যার প্রতিষ্ঠা ও আবরণ উন্মোচন করবেন স্বয়ং সৌরভ।

এই উপলক্ষে বালুরঘাট তথা সমগ্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রিন্স অফ ক্যালকাটার ফটো ও ব্যানার ফেস্টুনে সেজে উঠেছে। ছোট থেকে বড় সকলের মধ্যেই শুরু হয়েছিল উদ্দীপনা। কিন্তু রাজ্য সরকারের অনুমতি না মেলায় সেই মূর্তি আর প্রতিষ্ঠা করা গেল না।

শিলিগুড়ির সুশান্ত পালের হাত দিয়ে ফাইবারের তৈরি মূর্তিটির উচ্চতা ৮ ফিট। গত বুধবার শিলিগুড়ি থেকে আনা হয় মূর্তিটি। স্টেডিয়ামের মেইন গেটের মুখেই একটি বেদির উপরে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করার কথা ছিল। সেই কারণেই শনিবার সকালে ট্রেন মালদহ হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে পৌঁছন সৌরভ।

সেখানে পৌঁছে রাজ্য সরকার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে হতাশ হন দাদা। তবে প্রতিষ্ঠা না হলেও নিজের মূর্তির উন্মোচন করেন দাদা।

এসময় সৌরভ বলেন, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো সময় মতো হয় না। মূর্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটির ক্ষেত্রেও হয়তো এমনই হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কটাক্ষ করে বলেন যে বালুরঘাটে মূর্তিটি বসানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হলে মূর্তিটি বেহালার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তিনি নিজে প্রতিষ্ঠা করবেন। সেখানেই সেটি ভালো করে শোভা পাবে। সূত্র: এবেলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest