এমন অনেকেই আছেন যারা, ঠান্ডার সময় ছাড়াও গরম জলে স্নান করেন। কিন্তু এমন অভ্যাস শরীরের জন্য ভাল কিনা সে সম্পর্কে খোঁজ রাখেন? প্রায় ৮০ শতাংশই গরম জল বা ঠান্ডা জলের স্নান করার উপকারিতা বা আপকারিতার কথা না জেনে কেবল অন্ধের মতো কাজটি করে থাকেন। সুস্থ থাকতে ছোট ছোট বিষয়ের উপর নজর রাখাটা একান্ত প্রয়োজন।
১। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে প্রচন্ড ঠান্ডায় গরম জলে স্নান করলে হঠাৎ করে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, এমনটা করলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনাও বাড়ে। তাই যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তারা ভুলেও গরম জলে স্নান করবেন না।
২। গরম জলে স্নান করলে ত্বকের আদ্রতা হারিয়ে যায়। ফলে স্কিন রুক্ষ হতে শুরু করে। এবং ধীরে ধীরে ত্বকের সৌন্দর্য হ্রাস পেতে থাকে।
৩। সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ঠান্ডা জলে স্নান করলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে হ্রাস পায়। মদ্যপান করার পরে ভুলেও গরম জলে স্নান করবেন না। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
৪। গরম জলে স্নান করার সময় রক্ত চাপে পরিবর্তন হতে শুরু করে। ফলে এই সময় সারা শরীরে রক্তের সরবরাহ ঠিক রাখার পাশাপাশি ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক রাখতে হার্টকে বেশি বেশি করে কাজ করতে হয়। এর ফলে যাদের হার্টের রোগ আছে তাদের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
৫। গরম জলে স্নান করার কারণে অনেকেরই হঠাৎ করে বমি হওয়া এবং মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। গরম জল শরীরে পরা মাত্র রক্তচাপে হেরফের হতে শুরু করে। ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা কমে গিয়ে এই সব লক্ষণগুলি দেখা দিতে থাকে। সূত্রঃ বোল্ড স্কাই।

ন্যাশনাল ডেস্ক : নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকাকে দুটিভাগে ভাগ করে অবশেষে ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি। নতুন কমিটি পেয়ে চাঙ্গা নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি অন্তরালে নয়, নেতাদের চান মিছিলের সামনে, মাঠে, রাজপথে। মহানগরের নেতৃত্ব, কর্তৃত্ব, প্রভাব বিস্তারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার দীর্ঘ দিনের অম্লমধুরতার কথা জানেন সকল রাজনৈতিক সতেচন মানুষ।
শুষ্ক ত্বক আসলে মরা চামড়ার কোষের স্তর যা চামড়ার ওপরের অংশে অনেকদিন ধরে জমা হয়। ত্বক অনেকদিন পরিষ্কার না করলে এই কোষের স্তর জমতেই থাকে। এর ফলে ত্বকে নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়। পায়ের শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রায় মানুষেরই চুলকানি ও জ্বালা অনুভব হয়ে থাকে।
অনলাইন ডেস্ক: খাবার ছাড়া আমাদের জীবন ধারণ অসম্ভব। দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেলা করার জন্য সবল, রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর প্রয়োজন। আর এই সুস্থ শরীর বজায় রাখতে খাবার প্রয়োজন।
শুটিং করতে গিয়ে সেটে ছাদ ধসে পড়ায় অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন শাহরুখ খান। বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান ৷ আনন্দ এল রাই-এর ছবির শুটিং সেটে সিলিং ভেঙে পড়ে ঠিক শাহরুখ যেখানে বসেছিলেন তার পাশেই৷ একটুর জন্য তিনি রক্ষা পেলেও, টিমের দু’জন সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে৷
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাদী সায়েরা খাতুনের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বাদ আছর ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকা অফিসে অনধিকার প্রবেশ করে সাতক্ষীরা সদর এমপির সহোদর মীর মাহমুদ হাসান লাকী ও মীর মইনুল ইসলামসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন সন্ত্রাসী কম্পিউটার, ল্যাবটপসহ দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় তাদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সন্ত্রাসী কর্তৃক সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহরের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি নিয়াজ কাওছার তুহিন, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, যুগ্ম-সম্পাদক ইকবল আলম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু, কোষাধ্যক্ষ কাজী মোজাহিদুল ইসলাম তরুন, দপ্তর সম্পাদক মীর জাহাঙ্গীর হোসেন, নির্বাহী সদস্য শেখ আবু হাবিব, নারায়ন চন্দ্র চক্রবর্তী রাজিব প্রমুখ।
রেজাউল করিম : সাতÿীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতÿীরা পত্রিকা অফিসে সদর এমপি’র লোকজন কর্তৃক হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং পত্রিকার সাব এডিটর তহিদুর রহমান ডাবলু ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যহারের দাবি জানিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। নিন্দা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব লিটুর যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন ডাবলু, অর্থ সম্পাদক এমএ মামুন, দপ্তর সম্পাদক শরিফুজ্জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, কেএম রেজাউল করিম, আরাফাত হোসেন লিটন, তরিকুল ইসলাম লাভলু, গোপাল কুমার, ফরহাদ হোসেন সবুজসহ দেবহাটায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দরা।