IMG_20170601_111035
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম তহমিনা খাতুন (১৯)। সে কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের ঈমান আলি সরদারের কন্যা ও যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার রাজবাড়ি গ্রামের মনিরুল ইসলামের স্ত্রী। দেয়াড়া ইউপি মেম্বর তোজাম্মেল হোসেন জানান, দুই বছর আগে মনিরুল ইসলামের সাথে তহমিনা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার স্বামী তাকে যৌতুকের দাবীতে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতো। মেয়ের সুখের কথা ভেবে তার বাবা তাকে তিন দফায় ১ লাখ টাকা যৌতুকও দেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে জামাই মনিরুল শশুর বাড়িতে এসে বলে সে তার স্ত্রীকে আর নির্যাতন করবেনা এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যাবে। এক পর্যায়ে সে সেখানে রাত্রি যাপন করে। এর পর ভোর রাতে সে তার স্ত্রীকে ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে মনিরুল পালিয়ে যেয়ে তার শাশুড়ির কাছে ফোন করে বলে আপনার মেয়ের কি হয়েছে দেখেন। তখন তার শ্বাশুড়িসহ স্থানীয় লোকজন ঘরে যেয়ে দেখে তহমিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় ওড়না পেচানো ছিল। এবং মুখ দিয়ে রক্ত বাহির হচ্ছিল। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনাটি প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। তিনি আরো জানান, ঘাতক মনিরুলকে আটকের চেষ্ট চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01এম.শাহীন গোলদার: সাতক্ষীরা জেলা শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের ¯্রােতস্বীনি প্রাণসায়র খাল আজ অস্তিত্ব সঙ্কটে।
খালের দুই মুখে অপরিকল্পিতভাবে স্লুইস গেট নির্মাণ, দুই তীর জবরদখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতি স্থাপন করা, খালের মধ্যে বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা ফেলাসহ নানা কারণে খালটি জেলা শহরের মানুষের কাছে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। খালের পানির দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন তথ্যে পাওয়া য়ায়, ১৮৬৫ সালে অবিভক্ত বাংলার সাতক্ষীরার জমিদার প্রাণনাথ রায় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে পি এন হাইস্কুল এন্ড কলেজ এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রাণসায়ের খাল খনন করেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খেজুরডাঙ্গি থেকে সাতক্ষীরা শহর হয়ে এল্লারচর পর্যন্ত এ খালের দূরত্ব প্রায় ১৩ কিলোমিটার। প্রথমাবস্থায় এ খাল চওড়া ছিল ২০০ ফুটের বেশি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সে সময় বড় বড় বাণিজ্যিক নৌকা এসে ভিড় জমাতো এ খালে। এর ফলে সাতক্ষীরা শহর ক্রমশ সমৃদ্ধশালী শহরে পরিণত হয়।
আর ১৯৬৫ সালের প্রথম দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণের নামে খালের দুই প্রান্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড স্লুইস গেট নির্মাণ করে। এতে খালে স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি বদ্ধ খালে পরিণত হয়।
এরপর জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ৯২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় ১০ কিলোমিটার খাল সংস্কারের টেন্ডার পায় ঢাকার মেসার্স নিয়াজ ট্রেডার্স। ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর তারা খাল খনন শুরু করে। কিন্তু অভিযোগ আছে যে, নামমাত্র খনন করে প্রকল্পের সিংহভাগ টাকাই লোপাট করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। খাল খননের নামে খালের দুই ধারে শত শত গাছ কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে খালটি বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে পরিণত হয়েছে।
খালের দুই ধারে অবৈধ দখলদাররা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসভবন তৈরি করেছে। খালের পানি পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। খালের দু’পারে বসবাসের অবস্থা নেই।02
সাতক্ষীরা শহরের স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান মাসুম ও আলী নূর খান বাবলু বলেন, এই করুণ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে খালটির হারানো যৌবন ফিরিয়ে দেয়ার দাবি সাতক্ষীরা শহরবাসীর। অবিলম্বে খালের দুই ধার পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। প্রাণসায়র খালের সিংহভাগ অংশ সাতক্ষীরা পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হলেও পৌর কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারি নেই।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রেকৌশলী বি এম আব্দুল মোমিন বলেন, প্রাণসায়র খাল সংস্কারের জন্য ৫ বছর আগের শিডিউলের সঙ্গে বর্তমানের শিডিউলের মিল না থাকায় ঠিকাদারা কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। খালটি জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় বিধায় চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র আলহাজ তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, প্রাণসায়ের খাল আজ মৃতপ্রায়। আগামী ৩-৪ দিন পরে কচুরি পানা পরিষ্কার করা হবে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রায় অর্ধেক দখল মুক্ত করা হয়েছে। বাকিটা দখলমুক্ত করতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রাণসায়ের খাল রক্ষার্থে মাইকিং করে ইতিমধ্যে পৌরবাসীকে জানানো হয়েছে, যাতে কেউ কোনো ময়লা আবর্জনা খালের ভেতরে না ফেলেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন বলেন, জরুরিভাবে প্রাণসায়র খাল খননের চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। বরাদ্দ চেয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষেকে জানানো হয়েছে। আর বরাদ্দ পেলেই  দ্রুত সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতের একজন কর্মীসহ ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৮০ বোতল ফেনন্সিডিল ও ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dTLsHB_3নিষিদ্ধের তালিকায় শুধু বিধিনিষেধ নয়। অনেক সময় ভাল ভাল বিষয়ও নিষেধের আড়ে পড়ে। তাই বলে কি খাবারও?

বিশ্বের কয়েকটি দেশে কিছু খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই, এই তথ্যটি আপনার কাজে আসবে, বিশেষ করে যখন আপনি সেই স্থানগুলিতে ভ্রমণ করবেন।

১। সমুচা: সমুচা নিষিদ্ধ সোমালিয়ায়। এই মজাদার খাবারটি নিষিদ্ধ হওয়ার কারণটিও বেশ অদ্ভুত। সমুচার চেহারার সাথে দেশটির সন্ত্রাসী গোষ্টী ‘আল-শাবাব’-এর চিহ্নের সঙ্গে মিলে যায়। এ কারণেই ২০১১ সালেসোমালিয়ায় এটি নিষিদ্ধ করা হয়।

২। টমেটোর সস: সব সুস্বাদু খাবার খাওয়ার জন্য ফ্রান্সে খাদ্যদ্রব্যগুলি পছন্দের তালিকায় সবার উপরে। খাবারের স্বাদ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে কারনে ফ্রান্সের সরকার ২০১১ সালে টমেটো কেচাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। আর এটি ফ্রান্সের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমেটো কেচাপ নিষিদ্ধ।

৩। কিন্ডার জয়: চকলেট বাচ্চাদের পছন্দের খাবার হলেও, এর বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বিশাল আকারের চকলেট কিন্ডার এগস নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে। মূলত স্বাস্থ্যগত সচেতনতার জন্যই ১৯৩৮ সালে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। কারন সরকার মনে করে, এই বিশাল আকৃতির চকলেট বাচ্চাদের স্বাস্থ্যর জন্য বেশ ক্ষতিকর।

৪। চুইংগাম: চুইংগাম সিঙ্গাপুরে নিষিদ্ধ। কারন সিঙ্গাপুর পরিষ্কার পরিচ্ছনাতার জন্য বিখ্যাত একটি দেশ। মানুষ চুইংগাম চিবুনোর পর তা যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ নোংরা করে বিধায় এটি ১৯৯২ সালে সিঙ্গাপুরে নিষিদ্ধ করা হয়।

৫। কাঁচা দুধ: যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি রাজ্যে ও কানাডায় কাঁচা দুধ ও ডেইরি পণ্য বিক্রি করা নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞাটির প্রকৃত কারণ হল এই পণ্যগুলিতে উপস্থিত যেসব কীটনাশকগুলি থাকে, সেটা লিস্টারিয়াসিস, ই-কোলি এবং খাদ্য বিষক্রিয়া হতে পারে।

৬। হ্যাগিস: স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত এ খাবারটি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ। এটি মূলত ভেড়ার হৃৎপিণ্ড, লিভার ও ফুসফুসের সঙ্গে বিভিন্ন মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই এটি সম্পর্কে জানা উচিত। যে হ্যাগিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অবৈধ খাদ্য।

৭। গরুর মাংস: ভারতে বসবাসরত মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, একটি গরু বধ করা এবং ধর্ষণ করা একটি অপরাধমূলক কাজ। তাই ভারতের বহু স্থানে ধর্মীয় কারণে গরুর মাংস নিষিদ্ধ। সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2EEk3b_happyবিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলিউডের কিং শাহরুখ খানের, এই খবরই এখন দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। প্যারিসে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কিং খানের।

শুধু তাই নয়, ফ্রান্সের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি নাকি শাহরুখ খানের মৃত্যুর খবর নিয়ে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে, এই খবর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে হৈ হট্টগোল। তবে এই খবরের সত্যতা নিয়ে যে কেবল ধন্দই রয়েছে তাই নয়, শাহরুখ খানের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া নিয়ে সোশ্যাল মাধ্যমেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। টুইটার থেকে ফেসবুক সব জায়গাতেই এই খবর এবং তার নিন্দা।

উল্লেখ্য এর আগেও নানান সময়ে নানান সেলিব্রিটিদের মৃত্যুর ভুয়ো খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এবার এই ‘ধাপ্পাবাজি’র খবরের শিকার হলেন স্বয়ং বলিউডের কিং শাহরুখ খান। খবর-২৪ঘন্টা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

KNo0nv_sunnyবলিউড অভিনেত্রী সানি লিওন ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মুখ থেকে ফিরে এলেন। ফিরে এলেন তাঁর স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার এবং ট্রুপের অন্য সদস্যরাও। সানি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ করে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন। তবে সকলেই অক্ষত বলেও জানিয়েছেন সানি লিওন।

নিজের টুইটার হ্যান্ডলে সানি লিওন গতকাল বুধবার লিখেছেন, বিধাতাকে ধন্যবাদ যে আমরা সকলে বেঁচে আছি। তিনি জানিয়েছেন খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁদের প্রাইভেট ফ্লাইট দুর্ঘটনার মুখে পড়তে চলেছিল। খুব অল্পের জন্য বিমানটি রক্ষা পেয়েছে এবং ভয়ঙ্কর একটি ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সানির সঙ্গে তাঁর স্বামী ড্যানিয়েল ছিলেন। ছিলেন অন্য টিম মেম্বাররাও। বিমানটি দুর্ঘটাগ্রস্ত হলে সকলেরই প্রাণসংশয় হতে পারত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cVUJrs_Dorshanআজ (১লা জুন) বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে রাজধানীর বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। গতকাল (৩১ মে) বুধবার রাতে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ড. সোহেল মাহমুদ। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কি এসেছে, তা জানাতে রাজি হননি ড. সোহেল।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, ময়নাতদন্তের সবকটি রিপোর্ট তিনি হাতে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট মেডিক্যাল বোর্ডের উপস্থিতিতে এ রিপোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়ে অপরাপর বন্ধুদের সহায়তায় ধর্ষণের শিকার হন ওই দুই তরুণী। তাদের অভিযোগ, সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধুদের যোগসাজশে অস্ত্রের মুখে তাদের ধর্ষণ করা হয়।

পরে দুই তরুণীর বাসায় সাফাতের দেহরক্ষী পাঠিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও মামলায় বলা হয়। ধারণ করা ওই ভিডিওচিত্র অনলাইনে ছেড়ে দেয়ার হুমকির মধ্যেই তরুণীরা ঘটনার এক মাসেরও বেশি সময় পর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তারা মামলার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান তারা।

এর আগে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেছেন প্রধান আসামি সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল। চার দিনের রিমান্ড শেষে বিল্লালকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার বর্ণনা দেন। আলোচিত আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে মোঃ আবদুল হালিমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picture 31.05.17তালা প্রতিনিধি  : তালার খেশরা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য এবার নিজ অর্থায়নে যথাক্রমে ৩কি: মি: ও ৩শ’ফুট দু’টি রাস্তা নির্মাণ করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। এজন্য এলাকাবাসী রীতিমত সাধুবাদ জানিয়েছেন তাকে। এলাকাবাসী জানান, তালা উপজেলার ১০নং খেশরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সামছুল হক হরিহরনগর পাকুড়িয়া নদীর বুক চিরে স্থাপিত আশাশুনি অভিমুখে প্রায় ৩ শ’ফুট মাটির রাস্তা স্কেভটর মেশিন দ্বারা সম্পূর্ণ নিজ অর্থায়নে নির্মাণ করে এবার একই গ্রামের আনছার গাজীর বাড়ি থেকে পাকুড়িয়া নদীর পাশ দিয়ে মালোপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কি:মি: রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। রাস্তা দুটি নির্মিত হলে বিস্তীর্ণ জনপদের বঞ্চিত মানুষের পাশাপাশি পাশ্চাত্য ৪ উপজেলার লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
এলাকাবাসী আরো জানান, সামছুল হক এবার নিয়ে দু’বার ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থনে সদস্য নির্বাচিত হয়ে সাধারণ ওয়ার্ডবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন। জনসেবার মহান ব্রত নিয়ে নির্বাচিত হয়ে রাত-দিন ছুঁটে চলেছেন ওয়ার্ডের এ-প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত।
এব্যাপারে হরিহরনগরের ছাত্তার গাজী, মো: মোনতাজ মোড়ল, আলাউদ্দীন মোড়ল, শরিফুল শেখ, মা: ইদ্রীস আলীসহ এলাকবাসী জানান, সামছুল হকের মত জনপ্রতিনিধি পেয়ে তারা যারপর নেই খুশি। সরকারি-বেসরকারি সব সুযোগ সুবিধা সকলের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করে সংকুলান না হলে তিনি প্রায়ই নিজ অর্থায়ন করেন বিভিন্ন প্রকল্পে। যার সূত্র ধরে এবার তিনি স্কেভটর দিয়ে নিজ অর্থায়নে দু’টি রাস্তা নির্মাণ করে এলাকাবাসীর মাঝে নিজেকে মেলে ধরেছেন ভিন্ন ইমেজে। তিনি সকলের কাছে আশীর্বাদ প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest