7273মোস্তাফিজুর রহমান : দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের উপর মীর মাহমুদ আলি লাকি কর্তৃক সন্ত্রাসী হামলা, পত্রিকা অফিস ভাংচুর ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সহ অফিস স্টাফের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দ। বিবৃতি দাতারা হলেন আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা, সহসভাপতি আকাশ হোসেন, সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাস্টার সুব্রত দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ বাদশা, অর্থ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক মোখলেছুর রহমান ময়না, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জি এম আজিজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এম এম নূর আলম, নির্বাহী সদস্য প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, মোঃ আবু ছালেক, বাহবুল হাসনাইন, অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টু, উত্তম কুমার দাশ, সত্যরঞ্জন সরকার , সাধারন সদস্য বাপন মিত্র ও তপন রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও কেঁক কাটার মধ্য দিয়ে পালিত হলো বিজয় টিভির বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান। বুধবার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা আরমান কো-অপারেটিভ সোসাইটি মার্কেটে অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।
একাত্তর টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি বরুণ ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে ও বিজয় টিভি-জাগোনিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি সাংবাদিক নজরুল ইসলাম।
এ সময় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সাদিকুর রহমান, বিজয় টিভির সাতক্ষীরার ক্যামেরাপার্সন এসএম পলাশ, মুনছুর রহমান, মোক্তাবিউর রায়হান, তুহিন, প্রথম আলো বন্ধু সভা সাতক্ষীরার সভাপতি হাসান, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল মাউয়া মৌ।
আলোচনা শেষে কেককাটার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় বিজয় টিভির ৫ম বর্ষে পদার্পন অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের পাইথালীতে সরকারী খাস জমির (রাস্তা) উপর নির্মিত অবৈধ্য পাকা স্থাপনা ভেঙে দিলেন ইউপি সদস্য মোঃ আলতাফ হোসেন সানা। বুধবার সকালে কর্মসূচীর লোক দিয়ে  ০৯নং ইউপি সদস্য পাইথালী মৌজার রাস্তার উপর পাকা স্থাপনা ভেঙে দেয় ।
উল্লেখ্য, পাইথালী গ্রামের পেরু দে’র পুত্র অংকুর দে গত কয়েক দিন থেকে রাস্তার খাস জমির উপর পাকা স্থাপনার কাজ করে আসছিল। এমনকি ঘরের কাজ প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন। জানাগেছে, প্রতিমধ্যে ইউপি চেয়ার ম্যান গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে দু-তিন দিন কাজও বন্ধ রেখে ছিল। সরেজমিনে দেখা গেছে, অংকুর দে অবধ্যৈ ভাবে রাস্তার খাস জমির উপর বৃহত আকারে গোয়াল ঘর নির্মান করেছে। দেখাগেছে সেখানে তার নির্মিত কয়েক বছরের পুরানো পাকা বাথ রুমও তৈরী করা আছে। বুধবার সকালে মেম্বর তার কর্মসূচীর লোক দিয়ে নিজে দাড়িয়ে থেকে সেই ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন সানা জানান, এটা রাস্তার খাস জমি তার পরও যদি ভোগ দখল করতে হয় করবে জমির পাশ্ববর্তী কিনা গুহুর পুত্র বিরেন গুহু। এ জমিটা বিরেন গুহুর বসত ঘরের সাথের জমি। দখল করতে হয় সে করবে সেটাও সরকারের অনুমতিতে। এলাকাবাসির দাবি, শুধু ঘর ভাঙলে হবে না রাস্তায় মাটি দিয়ে মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটায় কৃষকদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে কৃষকরা। বুধবার (৩১ মে) দুপুরে কামারাবাদ নটাডাঙ্গা বিলের কৃষকরা এ মানববন্ধনে অংশ নেয়।
সূত্রে জানা যায়, কামারাবাদ ঘেরটি বাংলা ১৪২৩ সালে বৈশাখ মাস হইতে ৩০ শে চৈত্র ১৪২৭ সাল পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য নগরঘাটা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. মহিবুল্লাহ ও মৃত আনছার আলী গাজী’র ছেলে আব্দুল আওয়াল গাজীর কাছে লীজ প্রদান করেন। সম্প্রতি উক্ত ঘেরটির বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নিলে তা বাঁধা দেয় জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু। এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানায় অভিযোগ করার পর মাপ জরিপ শেষে বাধ সংস্কারের অনুমতি দেওয়া হয়। বুধবার সকালে স্কেভেটর মেশিনের দ্বারা বাঁধ নির্মাণকালে কৃষক ও শ্রমিকদের উপর হামলা চালায় বিশ্বজিৎ সাধুর পুত্র ইন্দ্রজিৎ সাধু, ভাগ্নে অমিত সাধু ও আব্দুর রহমানসহ ২৫/৩০ জন লাঠিয়াল বাহিনী।
এসময় তারা ধারালো দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ঘেরের দুটি ঘর ও স্কেভেটর মেশিন ভাংচুর করে এবং ব্যাটারী ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জোর পূর্বক খুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর স্থানীয় জমির লীজ গ্রহিতা, জমির মালিক, স্থানীয় কৃষক ও শ্রমিকরা সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধুর অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মো. আব্দুল হান্নান, তবিবুর রহমান, বজলুর রহমান, অয়েজ উদ্দীন গাজী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ভূমিদস্যু বিশ্বজিৎ সাধু জেলা কৃষকলীগের সভাপতির ক্ষমতাবলে এ এলাকার কৃষকদের জমি দখল, জোর পূর্বক জমি লীজ গ্রহণ এবং ধানের জমিতে লোনা পানি তুলে ফসলের ক্ষতিসাধন ও কৃষকদের সর্বশান্ত করে যাচ্ছে। তার লীজ নেওয়া ঘেরে অপরিকল্পিতভাবে লোনা পানি তুলে মাছ চাষ করায় এ এলাকার কৃষকরা ধান চাষ করতে পারেনা। এ এলাকার কৃষকরা বছরে একটি ধানের ফসল পায় সেটি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এসব ব্যাপারে কৃষকরা প্রতিবাদ করলে তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা করে। তিনি এ এলাকার জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি লীজ গ্রহণ করে সময়মতো টাকা পরিশোধ করেনা। টাকা চাইলে খুন জখমসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও হামলার হুমকি দেয়।
জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু বলেন, ‘আমার ঘেরের মধ্যে একটি ঘেরের ভেঁিড় বাঁধছিল আব্দুল হান্নান। আমি রাতে খবর পেয়ে বিষয়টি প্রশাসনের নলেজে দেই। রোজা রমজান মাস হওয়ার কারণে সকাল ৯টা পর্যন্তও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমার ছেলে ও ভাগ্নেসহ আমাদের আশ-পাশের কিছু লোকজন ও দলীয় নেতা নেতাকর্মী সেখানে যায়। তখন তারা পালিয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তিনি অস্বিকার করেন।’ এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী কৃষক ও সচেতন মহলের দাবী যারা কৃষকের ক্ষতি করে নিজের আখের গোছায় তারা কৃষকের কি কল্যাণ করবে ? এ ঘটনায় ভূমিদস্যু বিশ্বজিৎ সাধুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘তামাক উন্নয়নের অন্তরায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস-২০১৭ উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে মিলিত হয়। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তাওহীদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, ‘তামাক দেহের জন্য ক্ষতিকর, তামাক মানুষের জীবনী শক্তি কমিয়ে দেয়। যে জিনিসে ক্ষতি হয়, কোন উপকার নেই তা সকলের বর্জন করা উচিত। এজন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় পারে দেশকে তামাক মুক্ত করতে।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার আতিকুল হক প্রমুখ। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে দিবসের তাৎপর্য উপাস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুজ্জামান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার ডা. আশিকুজ্জামান ও ব্রাকের প্রতিনিধি রেজাউল করিম খান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার শাহীনুর খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

37152126b44f6eee514277024c201ed4-5913279f1ec78ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মডেল সোনিকা সিং চৌহানের মৃত্যুর ঘটনায় অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন। এর আগে বিক্রমের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা হয়। সেই মামলায় তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। তবে এবারের মামলাটি জামিন–অযোগ্য ধারায় করা।

নতুন এই মামলার কারণে বিক্রমকে গ্রেপ্তারে করতে বাধা থাকল না। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে।

এনডিটিভি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৯ এপ্রিল গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় মডেল সোনিকা সিং চৌহানের। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ প্রথমে বিক্রমের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে মামলা করে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সেই দিন তিনি মদ্যপ ছিলেন। বেপরোয়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পুলিশ তাই সোনিকার মৃত্যুর জন্য বিক্রমের বিরুদ্ধে বেসামাল ও বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ এনে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারাটি যুক্ত করে আবার মামলা করেছে।

ওই দুর্ঘটনায় আহত বিক্রম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে গাফিলতির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। তাঁর জামিন পাওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। প্রকৃত সত্য বের করে আনতে পুলিশের ওপর চাপ বাড়ে। পুলিশ দুই দফায় বিক্রমকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিক্রম-সোনিকার বন্ধুদের।

দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই রাতে বিক্রমের গাড়ির গতি একবারও ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটারের নিচে নামেনি। একসময় সেটা ১১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছিল। দুর্ঘটনার ঠিক আগের কয়েক সেকেন্ডে গাড়িটির গতি ছিল ঘণ্টায় ১০৫ কিলোমিটার থেকে ৯৩ কিলোমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_812323476_1496170833.jpg.pagespeed.ic.vpbvD8vZA7আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডায় ক্যাথলিক চার্চ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আদিবাসী শিশুদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছিল তার জন্য পোপ ফ্রান্সিসকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

জি-৭ সম্মেলন পরবর্তী সফরের অংশ হিসেবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী সোমবার ভ্যাটিকান সফরে যান এবং পোপের সঙ্গে দেখা করেন।

১৮৮০ সালের দিকে কানাডার আদিবাসীদের প্রায় দেড় লাখ শিশুকে সরকার পরিচালিত আবাসিক স্কুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। কানাডার মূল সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নেবার জন্য সেসব শিশুদের নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ভাষা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল।

এক শতাব্দিরও বেশি সময় কানাডা সরকার স্কুলগুলোতে অর্থায়ন করলেও এগুলো পরিচালনা করতো ক্যাথলিক গির্জা। সবশেষ স্কুলটি ১৯৯৬ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এসব স্কুলের অনেক শিক্ষার্থীই শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালে কানাডার ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলেশন কমিশন’এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আদিবাসী শিশুদের তাদের বাবা-মা ও সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে সাংস্কৃতিক গণহত্যা চালানো হয়েছিল। সেই কমিশন পোপের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনার দাবিসহ ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করেছিল।

সোমবার পোপের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদিবাসীদের প্রকৃত সমন্বয়ের মাধ্যমে কানাডার নাগরিকদের সামনে এগিয়ে যাওয়াটা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ আমি পোপকে সে বিষয়ে বলেছি। ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে তিনি কিভাবে সহযোগিতা করতে পারবেন সে বিষয়েও আমি আলাপ করেছি”।

পোপ ফ্রান্সিসকে আদিবাসীদের কাছে ক্ষমা চাইবার জন্য কানাডায় আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো।

যদিও কানাডায় পোপের সফর ও ট্রুডোর অনুরোধের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভ্যাটিকান থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

তবে এটি নিশ্চিত যে পোপ ফ্রান্সিস ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মধ্যেকার ৩৬ মিনিট দীর্ঘ এই বৈঠকে দুজনেই ছিলেন বেশ ‘আন্তরিক’। সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_436399746_1496198859.jpg.pagespeed.ic.14VfMmd3U8আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শান্ত এক বিকেল। রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে পার্ক করা ছিল কিছু গাড়ি। পাশেই ফোনে কথা বলতে বলতে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এক নারী। এমন সময় রাস্তার নিচে থাকা পানির পাইপে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর পানি উঠে যায় সাততলার সমান উচ্চতায়। পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায়।

ঘটনাটি ঘটে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি রাস্তায় স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ২টায়।

বিস্ফোরণে রাস্তার উপরে থাকা গাড়িগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যায়, ভেঙ্গে যায় রাস্তার পাশের কয়েকটি বাড়ির জানালা ও দেয়াল। পানির পাইপের পানি ও কাঁদামাটি পাশের একটি বিল্ডিংয়ের সাত তলা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। বিস্ফোরণের আঘাতে ওই ক্যামেরাটিও অকেজো হয়ে যায়।
কী কারণে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest