সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিMastering Live Casino Action and Bonuses on Casinoplaygroundcanada.Comশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

অবশেষে গ্রেপ্তার সেই বিচারপতি

আদালত অবমাননার দায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রায় ছয় মাস পর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সিএস কারনানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দেশটির তামিলনাড়ু রাজ্যের কইমবাতোর এলাকা থেকে কারনানকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের একটি দল।

গত সপ্তাহে অবসরে যাওয়া কলকাতা হাইকোর্টের এই বিচারপতিকে আজ  রাতে কইমবাতোর থেকে বিমানে করে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইতে নেওয়া হবে। এর পর তাঁকে আগামীকাল বুধবার কলকাতায় নিয়ে প্রেসিডেন্সি কারাগারে রাখা হবে।

গ্রেপ্তার কারনানকে কলকাতার আদালতে উপস্থাপন করা হবে কি না জানতে চাইলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এ ধরনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

‘সুপ্রিম কোর্ট এরই মধ্যে তাঁকে ছয় বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন’, বলেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

কারনানই ভারতের প্রথম বিচারপতি যিনি দায়িত্ব থাকা অবস্থাতেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন। ৯ মে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা জারির সময় সুপ্রিম কোর্ট তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষারও আদেশ দিয়েছিলেন।

এর আগে-পরে বিভিন্ন সময় ৬২ বছর বয়সী কারনান বলেছেন, দলিত হওয়ার কারণেই তাঁকে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে।

চেন্নাই হাইকোর্ট থেকে গত বছর কলকাতা হাইকোর্টে বদলি হন কারনান। এরপর কয়েকজন বিচারপতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ

নির্দিষ্ট কয়েকটি সেবার প্রদানের সঙ্গে জড়িত নির্দিষ্ট এলাকার ব্যাংকের শাখাসমূহকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগামী ২৫ জুন থেকে ঈদের ছুটি শুরু। তার আগে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২৩ জুন থেকেই ছুটি শুরু হচ্ছে। কিন্তু রেমিটেন্স সেবা, পোশাক শিল্প এলাকা ও কাস্টমস এলাকার ব্যাংকগুলো ২৩, ২৪ ও ২৫ জুন খোলার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

রেমিটেন্স বিতরণ সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত বৈদেশিক রেমিটেন্স প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বিতরণের উদ্দেশ্যে আগামী ২৪ জুন শনিবার প্রয়োজনীয় ব্যাংক শাখা খোলা রাখতে হবে। স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রেখে শুধুমাত্র নগদ অর্থ জমা ও উত্তোলন এবং বৈদেশিক রেমিটেন্স বিতরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম করতে হবে।

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে ঈদের আগের ৩ দিন ২৩, ২৪, ২৫ জুন বিমান, নৌ, স্থল বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা রাখতে হবে।

এছাড়া ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক/কর্মচারিদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধের সুবিধার্থে এবং রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাক শিল্প এলাকার তফসিলি ব্যাংকের কেবলমাত্র তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ ২৩ জুন শুক্রবার অর্ধদিবস (সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা) এবং ২৪ জুন শনিবার পূর্ণদিবস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা মিলবে ইমরান-সানি লিওনকে

বলিউডের তারকা ইমরান হাশমি। যুবতী নারীদের মনে জায়গা করে আছে। অপর দিকে সানি লিওন প্রতিটি পুরুষের মনে দাগা দিয়ে আছে। সেই দুই তারকাকে দেখা যাবে অন্তরঙ্গ অবস্থার। শুধু মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘বাদশা’ সিনেমায়। শুধু কি ইমরান হাশমি আর সানি, মোটেও নয় সাথে আছেন অজয় দেবগন, এশাদ গুপ্ত থেকে শুরু করে আরও অনেকেই আছেন এই সিনেমায়।

সুলতান মির্জা হয়ে পর্দায় এসেছিলেন অজয় দেগবণ। যেরকম মেজাজে তিনি রুপালি পর্দা শাসন করেছিলেন তাতে মন্ত্রমুগ্ধ ছিল দর্শক। খানিকটা সে ছায়া নিয়েই ফের গ্যাংস্টারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। সম্প্রতি মুক্তি পেল তার ‘বাদশাহো’ ছবির টিজার।

মিলন লুথারিয়ার এ ছবির প্রেক্ষাপট জরুরি অবস্থা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর এক নির্দেশেই সারা দেশে তৈরি এক অস্থির পরিস্থিতি। এ সময়ই এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে সোনা বয়ে নিয়ে যেতেন সেনারা। আর তাদের চোখের সামনেই তা লুট করত ছয় গ্যাংস্টার। ছবির কাহিনির মোটামুটি এরকমই, ইঙ্গিত মিলল টিজারে।

ছয় গ্যাংস্টারের জীবনই এ ছবির উপপাদ্য। এই ভূমিকায় দেখা যাবে, অজয় দেবগণ, ইমরান হাশমি, ইলিয়ানা ডিক্রজ, এশা গুপ্ত, বিদ্য জামওয়াল ও সঞ্জয় মিশ্রকে। টিজারে তাদের লুকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন পরিচালক।

তবে এ টিজারের তুরুপের তাস নিঃসন্দেহে সানি লিওন। ছবিতে যে তাকে দেখা যাবে, এর আগে তা ঘুণাক্ষরেও জানা যায়নি। যদিও ইমরান হাশমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে টিজারেই উষ্ণতার পারদ চড়িয়ে দিলেন সানি।

প্রত্যাশামতোই তুখোড় অভিনয়, অ্যাকশন আর সানির লাস্যে মজতে অপেক্ষায় থাকবে দর্শক। ছবিমুক্তি ১ সেপ্টেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানের জয়ে উল্লাস করায় ভারতে ১৫ মুসলিম গ্রেফতার

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের বিজয় উদযাপন করায় ভারতের মধ্যপ্রদেশে পনের জন মুসলিমের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র অভিযোগ এনেছে। গত রোববার যখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইন্যালে ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলা চলছিল, তখন এরা পাকিস্তানের পক্ষে এবং ভারতের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদ সাময়িকী ইন্ডিয়া টুডে তাদের রিপোর্টে বলছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুর জেলার মোহাদ গ্রামে। গ্রামের কিছু মানুষ থানায় গিয়ে এই বলে অভিযোগ করেন যে, রোববারের খেলার সময় অনেক মুসলিম তরুণ পাকিস্তানের পক্ষে শ্লোগান দিচ্ছিলেন এবং পাকিস্তানের বিজয় উদযাপন করছিলেন।

এই অভিযোগের পর পুলিশ ভারতীয় রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের আওতায় পনের জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ বলছে, সেখানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দিতে পারে বলে তারা আশংকা করছিল। পুলিশ বলছে, যেহেতু ভারত ঐ ম্যাচে হেরেছিল তাই সেখানে পরিস্থিতি ছিল খুবই নাজুক। এর আগেও ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের সময় এই গ্রাম থেকে একই ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এদের ধরা হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে সমর্থন করার কারণে নয়। এদের ধরা হয় পাকিস্তানের পক্ষে এবং ভারতের বিপক্ষে শ্লোগান দেয়ার কারণে।

ভারতের রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড। ভারতের মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করছে ভারতের কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত এবং প্রতিবাদ দমনের জন্য অনেক বেশি করে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন ব্যবহার করছে। এই আইনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা খুব স্পষ্ট নয়। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুসলিম বাড়িতেই জগন্নাথের নিত্য পূজা

কাঠের নড়বড়ে দরজা। একদিকে সমাধি। অন্যদিকে নিত্যসেবা চলছে জগন্নাথ, নাড়ুগোপালের। সন্ধ্যা হলেই সেখানে নমাজ পাঠ হয়, আবার তুলসিতলায় যত্নে প্রদীপ জ্বালেন বাড়ির ছেলে শাহ আলম খাদিম। কেতুগ্রামের কান্দরার মোল্লাপাড়ার খাদিম বাড়ি এমনই সহাবস্থানের নজির। বাড়ির কর্তা বলেন, ‘‘হিন্দু, মুসলমান নয়, এ মানুষের উপাস্যস্থল।’’ খবর-আনন্দবাজার

বিভেদের রাজনীতির মাঝে এই বাড়িতে এসে শান্তি পান এলাকার মানুষেরা। বাড়ির ছোট ছেলে, বছর চল্লিশের শাহ আলম খাদিম ফি দিন পুজো করেন জগন্নাথ, চৈতন্যের। তাঁর ভক্তির টানে এ বাড়িতে পুজো দিতে আসেন বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদের লোক। বাসিন্দারাই জানান, টিটু (শাহ আলমের ডাক নাম) স্কুলের গণ্ডী না পেরোলেও পুজোপাঠে ছোট থেকেই মতি তাঁর। বাবা জাহের খাদিমের কাছেই মন্ত্রপাঠ শেখা। জাহের খাদিমকে সমাধিস্থও করা হয়েছে জগন্নাথ মন্দিরের পাশে।

ভক্তদের দেওয়া চাল-কলা নিবেদন করতে করতে শাহ আলমও ডুবে যান স্মৃতিতে। বলে চলেন, এগারো পুরুষ আগে তাঁদের পরিবারের কোনও এক জন উত্তরপ্রদেশে অযোধ্যার পথে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন ধাতুর জগন্নাথ মূর্তি। তা নিয়ে বাড়ি আসেন তিনি। কিন্তু অন্যরা ‘ধর্মে’র নামে সেই মূর্তি ডোবায় ফেলে দেন। শাহ আলমের দাবি, এরপরেই পরিবারে নেমে আসে অমঙ্গল। বাড়ির এক জন স্বপ্নাদেশ পান, ডোবা থেকে মূর্তি তুলে আনলে শান্তি ফিরবে। জলে মূর্তি খুঁজতে নামলে মেলে ধাতুর নয়, জগন্নাথের দারুবিগ্রহ। সেই থেকেই জগন্নাথকে এখানে ‘বুড়োরাজ’ ডাকা হয়।

এলাকার প্রমীলা আচার্য, মিজানুল কবীররা বলেন, ‘‘যে কোনও অনুষ্ঠানে খাদিমবাড়িতে পুজো দেওয়াটা এ তল্লাটের রেওয়াজ।’’ ফি বছর মহালয়ার সপ্তাহখানেক আগে বড় উৎসবও হয়। শাহ আলমের স্ত্রী টুম্পা খাদিম বলেন, ‘‘রোজা রাখি। আবার স্বামীর অনুপস্থিতিতে ঠাকুরকে জল-বাতাসাটুকুও আমিই দিই।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তি পেয়েছে বাদশাওয়ের টিজার

বিনোদন ডেস্ক : কখনো একজন তারকা একাই ছবিকে টেনে নিয়ে যান, কখনো প্রয়োজন পড়ে একাধিক তারকার। আর ছবিটা যদি অ্যাকশনধর্মী হয়, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। একাধিক তারকার সঙ্গে অ্যাকশনধর্মী ছবি হলে সেই ছবির বক্স-অফিসে হিট হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তারকা ও অ্যাকশন—এ দুটি বিষয়ের সমন্বয় করেই আসছে ‘বাদশাও’ চলচ্চিত্র। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ছবিটির টিজার।

ছবির টিজারে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এই দাঙ্গা-হাঙ্গামার মধ্যেও ছয়জন দেখতে পায় তাদের বড়লোক হওয়ার সম্ভাবনা এবং কাজ শেষে উধাও হয়ে যাওয়ার সুযোগ। এ নিয়েই আবর্তিত হবে ‘বাদশাও’য়ের গল্প। এই ছয়জন হচ্ছে ‘সিংগাম’খ্যাত অজয় দেবগন, ‘সিরিয়াল কিসার’খ্যাত ইমরান হাসমি, ‘কমান্ডো’খ্যাত বিদ্যুৎ জামাল, ‘রুস্তম’খ্যাত ইলিয়ানা ডি ক্রুজ, ‘জান্নাত টু’খ্যাত এশা গুপ্তা।

বাদশাও চলচ্চিত্রে এই ছয়জনকে দেখা যাবে স্বর্ণভর্তি একটি ট্রাক লুট করতে। আর এই ট্রাক লুট করার জন্য তাদের মোকাবিলা করতে হবে সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে। যাদের পাহারায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার রাস্তা ধরে এই স্বর্ণভর্তি ট্রাক নিয়ে যাওয়া হবে। আর এখানেই গল্প বা কাহিনীর মূল আকর্ষণ।

ছবিটির বেশিরভাগ শুটিংয়ের কাজ করা হয়েছে রাজস্থানে, যাতে ছবিটিতে ধূলিধূসর ভাব বজায় থাকে। ছবিটির গানগুলো সম্পাদনা করেছেন অঙ্কিত তিওয়ারি। ছবিতে একটি বিশেষ গানে তাল মেলাবেন বেবি ডলখ্যাত সানি লিওন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মিলন লুথারিয়া। গল্প লিখেছেন রজত আরোরা। এই বছরের ১ সেপ্টেম্বর অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেফতার বাণিজ্য ও চাদাঁবাজির অভিযোগে ১৪ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

গ্রেফতার বাণিজ্য, চাদাঁবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও বন্দর থানার ধামঘর ফাঁড়ির পাঁচ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও নয় কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসপি মঈনুল হক বলেন, ‘ঢাকা পুলিশ সদর দফতরের বিশেষ গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।’
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মঞ্জুর কাদের জানান, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনের সময় যাত্রী হয়রানি, গ্রেফতারের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে সোনারগাঁও থানার এসআই মারুফুর রহমান, দিদারুল আলম, নাজমুল আলম ও জহিরুল ইসলাম এবং বন্দর থানার ধামঘর ফাঁড়ির এসআই মাজহারুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে মাসদাইর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, সোনারগাঁও থানার নয় কনেস্টবলকেও বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পুলিশের অন্য এক সূত্র জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে পরস্পরের যোগসাজশে পাঁচ এসআই গ্রেফতার বাণিজ্য, ব্ল্যাকমেইলিং, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিলেন। এদের বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পাওয়া গেছে সোনারগাঁও থানার এসআই মারুফুর রহমানের বিরুদ্ধে।
সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৩ এপ্রিল এসআই মারুফ জামপুর ইউনিয়নের কলতাপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা শাহ পরানকে গ্রেফতারের পর দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেন। ১৭ এপ্রিল রাতে এসআই মারুফ জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে থানায় ধরে নিয়ে আসেন। পরদিন সকালে তিনি ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে ছেড়ে দেওয়ার শর্তে তার ভাইয়ের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরে আমিনুলের ভাই ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম ৩০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন।
সূত্র আরও জানায়, ১৮ এপ্রিল পরস্পরের যোগসাজশে পাঁচ এসআই  কলতাপাড়া গ্রামের রুবেল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর মায়ের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে একলাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই মাদক ব্যবসায়ীর মা রুনা বেগম পরদিন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনাগুলো ছাড়াও ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে রাতের বেলায় আসামি গ্রেফতারের পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি কিশোর নিহত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোশালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সোহেল রানা (১৬) ও হারুন অর রশিদ (১৫) নামে দুই বাংলাদেশি কিশোর নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদুল কবির ও ৫৮ বিজিবি’র উপ-অধিনায়ক (অতিরিক্ত পরিচালক) জসিম উদ্দীন জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন।
নিহত সোহেল রানা খোশালপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ও বাকোশপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং হারুন অর রশিদ শ্যামকুড় গ্রামের কাউসার আলীর ছেলে ও শ্যামকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে খোশালপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করে সোহেল ও হারুন। টের পেয়ে বিএসএফ তাদের ধাওয়া দেয়। এসময় বিএসএফ ওই দুই কিশোরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে তারা আহত হয়।
মহেশপুর থানার ওসি আহমেদুল কবির বলেন, ‘খোশালপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি কিশোরের নিহত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।’
৫৮ বিজিবি’র উপ-অধিনায়ক জসিম উদ্দীন বলেন, বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest