সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

Doctorনিজস্ব প্রতিবেদক : বুধবার ডিআরআরএ পিআইএইচআরএস প্রকল্পের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে সাতক্ষীরা, আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলার ১৬ জন সরকারি ডাক্তার-এর অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধীতা সনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাঃ তওহীদুর রহমান সিভিল সার্জন সাতক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন ডিআরআরএ এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমীন ও সহকারী পরিচালক দেবেশ দাস। প্রশিক্ষণ এর পাশাপাশি ডিআরআরএ পরিচালিত পিআইএইচআরএস প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবস্থিত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রেফারাল, রিপোর্টিং ও সরকারের মূলধারার স্বাস্থ্য সেবায় প্রতিবন্ধীদের সম্পৃক্ততা শক্তিশালী করার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়। তাছাড়া প্রতিবন্ধীতা সংক্রান্ত ডিআরআরএ ও সিবিএম প্রনীত প্রতিবন্ধীতা ধরণ পরিচিতি ফিলিপচার্ট বিতরণ ও আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ সেশন শেষে ডিআরআরএ পরিচালিত পিআইএইচআরএস প্রকল্পটি সকলের সহযোগিতায় আরোও ভালভাবে গুণগত সেবা দেওয়া যায় সে বিষয়ে সকল অংশগ্রহণকারীদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণকরা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7aebb1a00110826eee19249e86206d12-591c89225f770বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে যেমন দারুণ শুরু, বোলিংয়েও তেমন। কিন্তু শেষটা ভালো হয়নি। যে কারণে তিন ফিফটিতেও বাংলাদেশ করে ৯ উইকেটে ২৫৭ রান। আবার বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে ভালো কিছুর আশা জাগিয়েছিল তারা। তবে সেখানেও ছেদ টানে নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা।  বিশেষ করে জেমস নিশাম ও নেইল ব্রুম শক্ত হাতে বাংলাদেশের সামনে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অল্প পুঁজির স্কোরটা কিউইরা পার করতে পেরেছে স্বাচ্ছন্দ্যে। ১৫ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৭.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ২৫৮ রান করে ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় পেল নিউজিল্যান্ড। টানা ২ ম্যাচ জিতে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে তারা। আর ২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্টে তিন দলের মধ্যে শেষে আয়ারল্যান্ড। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছিল বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। মাশরাফিদের পরের খেলা আগামী শুক্রবার, প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড।

বুধবার নিউজিল্যান্ডকে আড়াইশর উপর রানের টার্গেট দিয়ে প্রথম উইকেট তুলে নিতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে সপ্তম ওভারের শেষ বল পর্যন্ত। মুস্তাফিজুর রহমানের স্লোয়ারে সামনের দিকে বল মারতে চাইলেন লুক রঞ্চি। বল আকাশে উঠে মিডঅফে ধরা পড়ল মাহমুদউল্লাহর হাতে। ৩৯ রানে নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে।

টম ল্যাথামের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে বেশ সতর্ক ব্যাটিং করছিলেন রঞ্চি, বিশেষ করে মুস্তাফিজের ওভারে। বাঁহাতি পেসারের প্রথম ওভারে ২ রান পায় নিউজিল্যান্ড। আর দ্বিতীয় ওভারেই মুস্তাফিজের শিকার হন রঞ্চি। ২৭ বলে ২৭ রান করেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ৪টি চার ও ১টি ছয় ছিল তার ইনিংসে।

এরপর ল্যাথামের সঙ্গে শক্ত জুটি গড়তে ব্যর্থ হন জর্জ ওয়ার্কার। ল্যাথাম ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভাঙে ৪১ রানের জুটিটি। মোসাদ্দেক হোসেনের বলে অফসাইডে শট নেওয়ার পর দৌড়ে একটি রান নিতে চেয়েছিলেন কিউই ওপেনার। কিন্তু ননস্ট্রাইকিং থেকে ওয়ার্কার এসে পৌঁছানোর আগেই সাব্বির হোসেনের থ্রোতে মুশফিকুর রহিম বল লাগান স্ট্যাম্পে। টিভি আম্পায়ার দেন আউটের সিদ্ধান্ত। ২৪ বলে ১ ছয়ে ১৭ রান করেছিলেন ওয়ার্কার।

ক্রিজ আঁকড়ে পড়ে ছিলেন ল্যাথাম। নিজের অবস্থানটা বেশ শক্ত করছিলেন। তবে তাকে সাজঘরে পাঠিয়ে বাংলাদেশের স্বস্তি ফেরান রুবেল হোসেন। ৫৪ রানে নিউজিল্যান্ডের এ ওপেনারের ব্যাটে বল লেগে চলে যায় মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে। নেইল ব্রুমের সঙ্গে শক্ত জুটি গড়ার আভাস দেওয়া টেলরও ২৫ রানে মুস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হন।

১৪৭ রানে নিউজিল্যান্ড চতুর্থ উইকেট তুলে নিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্রুম ও নিশাম ১২.৩ ওভারে ৮০ রানের সতর্ক জুটি গড়েন। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়ার পণ যেন তারা করেছিলেন। কিন্তু রুবেলের বলে ২ রানের আক্ষেপ নিয়ে এলবিডব্লিউ হন ব্রুম (৪৮)। তাতে সমস্যা হয়নি কিউইদের।

বল হাতে খরুচে মাশরাফি শেষদিকে এসে উইকেট পান। প্রথম ৫ ওভারে ৪৮ রান দেওয়া অধিনায়ক নিজের ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সেরা ইনিংসের মালিক নিশামকে ৫২ রানে আউট করেন তিনি। দুই ওভার ৩ বল বাকি থাকতে মাশরাফির ওভারেই জয়সূচক রান নেন কলিন মুনরো। ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। অপর প্রান্তে ৫ রানে খেলছিলেন মিচেল স্যান্টনার।

৯ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার মুস্তাফিজ। সমান উইকেট পেয়েছেন রুবেল, ১০ ওভারে ৫৩ রান দেন তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে করে ২৫৭ রান। সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর হাফসেঞ্চুরির পরও খুব একটা আহামরি স্কোরবোর্ড তৈরি করতে পারেনি মাশরাফি মুর্তজার দল।

সৌম্যর ব্যাটে এসেছে ইনিংস সেরা ৬১ রান। মুশফিক করেন ৫৫ ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে আসে ৫১ রান। এছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান কেবল তামিম ইকবাল (২৩) ও মোসাদ্দেক হোসেন (৪১)। দলীয় স্কোরবোর্ড হতে পারত আরও মজবুত। কিন্তু শেষ ওভারেই হামিশ বেনেটের বলে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট।

কিউইদের সবচেয়ে সফল বোলার বেনেট ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন ইশ সোধি ও জেমস নিশাম।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচেও টসে হেরেছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচেও শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন তামিম-সৌমরা। যদিও বৃষ্টির কারণে নিজেদের ইনিংসই শেষ করতে পারেনি টাইগাররা। ম্যাচটি তাই পরিত্যক্ত হয়। ওই ম্যাচে একাদশে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি। এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে অবশ্য তিনি ফিরেছেন কিউইদের বিপক্ষে।

মাশরাফি ফেরায় একাদশে একটি পরিবর্তন ছিল নিশ্চিত। অধিনায়ক ফিরে আসায় কপাল পুড়েছে পেসার তাসকিন আহমেদের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশে বদল এই একটিই। কিউইদের একাদশেও এসেছে একটি পরিবর্তন। অলরাউন্ডার স্কট কুগেলিনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন বেনেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা পৌর আ. লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৫ টায় পুরাতন সাতক্ষীরা বাজারে এ আলোচনা সভায় পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় তিনি বলেন, জাতির জনকের কন্যা ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা যদি সেদিন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করতেন তাহলে আওয়ামীলীগের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতো। বাংলাদেশের এতো উন্নয়ন সম্ভব হতো না। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলতো। সেদিন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার বিচার বাস্তবায়নে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আমার আর হারাবার কিছু নেই। আমি আপনাদের মাঝেই সব কিছুই পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলা দুঃখী মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে চাই। বাঙালী জাতির আর্থ সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’ ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি নিরলসভাবে দেশের অধিকারহারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন। ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকচক্র সপরিবারে হত্যা করলেও তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকার কারণে রক্ষা পান। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর ১৯৮১ সালে এই দিনে দেশে ফিরেন শেখ হাসিনা।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন,  সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী।  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল রশিদ, জেলা কৃষকলীগের সংগঠনিক সম্পাদক এড. পলাশ, ৩নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও কাউন্সিলার শেখ আব্দুল সেলিম, পৌর আওয়ামীলীগের কার্যকারী সদস্য আমজাদ হোসেন লাবলু, মাজেদ, ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ,  যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পৌর আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রাশিদুজ্জামান রাশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495035065বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর বনানী থানায় করা মামলার দুই নম্বর আসামি হাসান মোহাম্মদ হালিম ওরফে নাঈম আশরাফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা থেকে নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় এর আগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তাঁর বন্ধু সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ নাঈমকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই মামলার সব আসামিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে এলো।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার সুমন তানভীর চৌধুরী বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল নাঈমকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা করেন এক ছাত্রী। ওই মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তাঁর বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটক রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে জোর করে ঘরে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার এবং বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তাঁর মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।

এজাহারে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার দিন সাফাতের জন্মদিনে দুই ছাত্রী যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাঁদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডের দ্য রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তাঁর বান্ধবী জানতেন না সেখানে পার্টি হবে। তাঁদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে। সেখানে যাওয়ার পর তাঁরা ভদ্র কোনো লোককে দেখেননি। সেখানে আরো দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও বান্ধবী দেখেন সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তাঁরা চলে যেতে চান। এই সময় আসামিরা তাঁদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেন। তাঁকে খুব মারধর করেন। ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন এবং তিনি প্রতিবাদ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। এরপর বাদী ও বান্ধবীর বাসায় দেহরক্ষী পাঠানো হয় তথ্য সংগ্রহের জন্য। তাঁরা এতে ভয় পেয়ে যান। লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা তাঁরা কাটিয়ে উঠে পরে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার সিদ্ধান্ত নেন। এতে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

06শ্যামনগর ব্যুরো : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন নির্বাসন থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দিবসটি পালনে সারা দেশের ন্যায় ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিকলীগ শ্যামনগর উপজেলা শাখার আয়োজনে গতকাল ১৭ মে বুধবার র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৫টায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল সহযোগী ও অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দারের নেতৃত্বে এক বিশাল মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামমনগর বাসষ্ট্যান্ডে আলোচনা সভায় অংশ নেয়। সভায় জাতীয় শ্রমিকলীগের শ্যামনগর উপজেলা শাখার সভাপতি এস এম কামরুল হায়দারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অসীম কুমার মৃধা, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু, সদর ইউনিয়ন সভাপতি ও প্রেসক্লাব সভাপতি আকবর কবীর, আওয়ামীলীগ নেতা ড. আব্দুল মান্নান, বাস্তুহারালীগের সভাপতি মোকছেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা, রমজাননগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুল হক মোড়ল, কৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল করিম, তাঁতিলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ, ছাত্রলীগের ইকরামুল হক লায়েস প্রমুখ। বক্তব্য শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাঈদ উজ জামান সাঈদের পরিচালনায় উপজেলা কমিটির ও ইউনিয়ন কমিটির নেতা কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্বের পর মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আহবানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয় সংলগ্ন সমবায় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজহার আলী শাহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনকের কন্যা ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা যদি সেদিন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করতেন তাহলে আওয়ামীলীগের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতো। বাংলাদেশের এতো উন্নয়ন সম্ভব হতোনা। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলতো। সেদিন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার বিচার বাস্তবায়নে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আমার আর হারাবার কিছু নেই। আমি আপনাদের মাঝেই সব কিছুই পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলা দুঃখী মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে চাই। বাঙালী জাতির আর্থ সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’ ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি নিরলসভাবে দেশের অধিকারহারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সম্পাদিকা জ্যোন্সা আরা, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ডা. মুনসুর আহমেদ, এড আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তওহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মো. আজিবর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য এপিপি এড. তামিম আহমেদ সোহাগ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক তওহিদুজ্জামান, পৌর তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ক্যাপ্টেন হোসেন প্রমুখ। এসময় জেলা আওয়ামীলীগসহ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495026200নয় মাস ধরে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করত শিশুটি। বয়স ১১। গতকাল মঙ্গলবার কাজে যেতে একটু দেরি হয় তার। আর এ কারণে ওই বাসার গৃহকর্ত্রী গরম খুন্তি দিয়ে শিশুটির বুকে ছ্যাঁকা দেয়!
সাভার পৌর এলাকার রাজাশন এলাকার পাঞ্জাবি ব্যবসায়ী সাইফ মিয়ার বাসায় ওই ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সাইফ মিয়ার স্ত্রী শিমুকে আটক করেছে পুলিশ। শিশু হোসনে আরা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শিশুটির মা জানান, তাঁরা ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের বাসিন্দা। শিশুর বাবা রিকশা চালান। শিশুটি নয় মাস ধরে প্রতিদিন অভিযুক্ত সাইফ মিয়ার বাসায় গিয়ে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। তার বেতন ছিল দুই হাজার ৫০০ টাকা।
গতকাল মঙ্গলবার কাজে যেতে দেরি হওয়ায় সাইফের স্ত্রী শিমু গরম খুন্তি দিয়ে শিশুটির বুকে ছ্যাঁকা দেয়। আজ সকালে সাভার মডেল থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিমুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সকালে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

05নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার ক্রীড়াঙ্গণে ধারাবাহিকভাবে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেই চলছে সাতক্ষীরার সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি। এই একাডেমিতে জাতীয় দলের ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও কাটাররাজা মোস্তাফিজুর রহমানের উত্থান। বর্তমানে এ জেলার ক্রীড়াঙ্গণে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি নবাগত ক্রিকেটার গড়ার ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চলছে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ। সাতক্ষীরা জেলার অহংকার জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই তরুণ ক্রিকেটার সৌম্য সরকার ও মুস্তাফিজুর রহমান এ একাডেমির ক্রীড়া প্রশিক্ষক হিসেবে বিশ্বের মাঝে নিজের দেশ তথা সাতক্ষীরা জেলাকে পরিচিতি করেছে তারা। ক্রীড়াঙ্গণে ভালো ক্রিকেটার হতে হলে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখানোর উদ্দেশ্য নিয়ে এ একাডেমি কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা বর্তমানে দেশের ক্রীড়াঙ্গণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। ক্রিকেট খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে তৃর্ণমূল পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সুযোগ সৃষ্টি করে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি। দেশবরেণ্যে দুই ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও মোস্তাফিজুর রহমান সুন্দরবন একাডেমি’র প্রশিক্ষক হিসেবে খেলোয়াড়দের উৎসাহ জাগিয়েছেন। সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আলতাফ হোসেন ক্রিকেট খেলোয়াড় গড়ার কারিগর নিরলসভাবে পরিশ্রম করে আজ তার প্রশিক্ষণ একাডেমিতে ৪ শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তার হাত দিয়েই বাংলাদেশে দলের বরেণ্য ক্রিকেটার সৌম্য ও মোস্তাফিজের মতো নতুন বিস্ময়কর ক্রিকেটার তৈরি হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দল খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের ১০টি জেলার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌবর অর্জন করেছে। ধারাবাহিকভাবে এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণার্থীদের দু’টি ব্যাচে সপ্তাহে চার দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। জেলার সাতটি উপজেলাসহ জেলার বাইরে থেকেও আসা ক্রিকেটাররা এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। একাডেমিতে গরীব ও কৃর্তী খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা। একাডেমির প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন- পরিচালক মোঃ আলতাপ হোসেন, সহকারী প্রশিক্ষক বিসিবি’র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোর্স তারিকুজ্জামান তারিক ও সহযোগি হিসেবে প্রশিক্ষন দেন- রিপন ী মিলন। সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আলতাফ হোসেনের হাতে গড়া দেশবরেণ্য দুই ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও মোস্তাফিজুর রহমান এর উত্থান সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে দেশের এতো বড় সাফল্য এনে দিয়েছে যে মাঠ থেকে সে মাঠের দিকে লক্ষ্য নেই কারো। এ মাঠ থেকে আগামী দিনে সৌম্য মোস্তাফিজের মতো ক্রিকেট তারকা দেশবাসীকে উপহার দিতে পারে। কিন্তু মাঠটি খেলার অনুপযোগি হওয়ায় প্রশিক্ষণার্থীরা খেলার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে পাচ্ছে না। দীর্ঘ দিন ধরে মাঠ সংস্কারের ব্যাপারে অনেকেই আশার বাণী শুনালেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest