সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণবৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

ঘরের মাটিতে জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হেরে অনিশ্চিত হয়ে গেলো শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ যাত্রা। সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিংয়ে লঙ্কানদের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৯৩। ছয়ে থাকা পাকিস্তানের চেয়ে মাত্র ২ রেটিং পয়েন্ট পেছনে ছিল তারা। অথচ জিম্বাবুয়ের কাছে হারায় পাঁচটি মূল্যবান রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে বসেছে তারা। ফলে বিশ্বকাপে তাদের সরাসরি খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের সাতে থাকা নিশ্চিত। সরাসরি অংশ নিবে ২০১৯ বিশ্বকাপে।
শ্রীলঙ্কার হারের কারণে আশা জেগে উঠেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও। এখনো কাজটা অনেক কঠিন দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জন্য। তবে গাণিতিকভাবে তাদের আশা আছে বৈকি।

এরপর ভারতের সঙ্গে ওয়ানডে খেলবে শ্রীলঙ্কা। ৫ ওয়ানডের সেই সিরিজ নিজেদের মাটিতে। কিন্তু জিম্বাবুয়ে-ধাক্কার পর লঙ্কানদের আত্মবিশ্বাস এখন তলানিতে। সেই সিরিজে ৫-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হওয়ার শঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

ওদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ ওয়ানডের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ডের মাটিতে। এর আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ইংলিশ কন্ডিশনে নিজেদের ঝালিয়ে নেবে।

এই সবগুলো ম্যাচই ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে। আইসিসির ওয়ানডে প্রেডিক্টর বলছে, শ্রীলঙ্কা যদি ভারতের কাছে ৪টি ম্যাচ হারে, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি পরবর্তী ৬ ওয়ানডের সবগুলো জেতে, তাহলে র‍্যাঙ্কিংয়ে আবার বড় ধরনের ওলট-পালট হবে। ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে আটে উঠে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে নয়ে নেমে যাবে শ্রীলঙ্কা। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটে থাকা দলগুলোই সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আজ রাত ৮টায় চিকুনগুনিয়া নিয়ে একাত্তর টিভির বিশেষ টক শো-তে আসছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে এই রোগটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পেড়েছে এবং প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ রোগটি সম্পর্কে জানতে, এর থেকে প্রতিকার পেতে এবং এটি প্রতিরোধে কার কি করণীয় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আজ রাত ৮টায় চোখ রাখুন একাত্তর টিভি’র পর্দায়।
টক শো-টি দেখার জন্য প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির পক্ষ থেকে সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘পরিবার পরিকল্পনা ঃ জনগণের ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে মিলিত হয়। পরে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. রওশনারা জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ আজ দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ হয়েছে পরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহনের ফলে। জনসংখ্যা এখন অভিশাপ নয়। প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিনত করতে হবে’।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ চৌধুরী, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. জি.এম মুজিবুর রহমান (সিসি), সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আশিকুর রহমান প্রমুখ। মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে দিবসের মূল প্রতিপাদ্য উপাস্থাপন করেন সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মো. নকিবুল হাসান। কর্ম-দক্ষতা ও সেবাদানে বিশেষ অবদানের জন্য মাঠ কর্মীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো. জিল্লুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সেলিম হায়দার : ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্য্যক্রমে প্রশংসনীয় অবদান রাখার জন্য উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ১১নং জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ।

(১১ জুলাই) মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জেলা শেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশংসাপ্রত্র জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটুর হাতে তুলে দেন জেলা প্রশাসক প্রতিনিধি হিসাবে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসেন।

এরপূর্বে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-১৭ উদযাপন উপলক্ষে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স প্রশিক্ষণ ভবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসেন’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্য্যক্রমে প্রশংসনীয় অবদান রাখায় তালা উপজেলার ১১নং জালালপুর শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ ঘোষনা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান

এম মফিদুল হক লিটুর হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দেন। এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইখতিয়ার হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খনম, তালা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাদিউজ্জামান, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামছুল আলম, মেডিকেল অফিসার আবুল বাসার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উলে¬খ্য, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে এলজিএসপির অডিট টিমের মূল্যায়ন ভিত্তিতে শেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সবার কাছেই প্রিয় তার স্মার্টফোনটি। সবাই চাই সখের স্মার্টফোনটি যেন ভালো থাকে। স্মার্টফোনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ব্যাটারি। ব্যাটারিতে যদি চার্জ না থাকে মন তাহলে কেমনে ভালো থাকে। তবে আসুন স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে চার্জ দেওয়ার সময় এই ভুল গুলো থেকে দুরে থাকুন।

স্মার্টফোনের গায়ে যদি কোনও প্রোটেক্টিভ কেস বা কভার থাকে তা চার্জ দেওয়ার সময় খুলে রাখুন। কারণ চার্জিংয়ের সময়ে ফোনের ব্যাটারি হাল্কা গরম হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু ফোনের গায়ে কোন কভার বা কেস থাকলে ফোনটি ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়।

বাজারে দ্রুত ফোন চার্জ করার জন্য অনেক চার্জার পাওয়া যায়। এগুলো থেকে আপনার স্মার্টফোনকে দুরে রাখুন। কারণ, দ্রুত ফোন চার্জ করার অর্থ ফোনের ব্যাটারিতে স্বাভাবিকের থেকে বেশি মাত্রায় ভোল্টেজ পাঠানো। যার ফলে ফোনের তাপমাত্রাও অনেকটা বেড়ে যায়। যা আদতে ফোনের ব্যাটারির উপরে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। এই রকম ক্ষেত্রে যদি ফোনের ব্যাটারি সেটিংসে অপশন থাকে, তা হলে সবসময়েই ‘নর্মাল চার্জিং সাইকেল’ অপশনটি বেছে নিন।

সবসময় ফোনের নিজস্ব চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ দেওয়ার চেষ্টা করুন। ফোনের নিজস্ব চার্জারের সঙ্গে আপনি যে চার্জার ব্যবহার করছেন, সেটি যদি ম্যাচ না করে, সেক্ষেত্রে ফোনের ব্যাটারি পারফরম্যান্স, চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা এবং ব্যাটারির আয়ুর উপরে প্রভাব পড়ে। যদি অন্য কোন চার্জার দিয়ে ফোনে চার্জ দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে ফোনের আসল চার্জারের সঙ্গে যাতে অন্য চার্জারর্টির আউটপুট ভোল্টেজ (v) এবং কারেন্ট (অ্যাম্পেয়ার) রেটিং ম্যাচ করে তা দেখে নিন। একই সঙ্গে সেই চার্জারটি ফোন নির্মাতা সংস্থার অনুমোদিত কি না, সেটিও খেয়াল করুন।

সারারাত ধরে ফোনে কখনই চার্জ দিবেন না। এর ফলে ওভারচার্জিং হয়ে ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সস্তার চার্জার কখনই ব্যবহার করবেন না। কারণ এই ধরনের চার্জারগুলিতে ভোল্টেজে তারতম্য, ওভারচার্জিংয়ের মতো সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে না। চার্জার কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফোন এবং ব্যাটারির উপরেও তার প্রভাব পড়ে।

থার্ড পার্টি ব্যাটারি অ্যাপসগুলি কখনই ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলিতে উল্টে ব্যাটারিরই ক্ষতি হয়, কারণ এই ধরনের অ্যাপ একটানা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতেই থাকে। ফোনের ‘মেমোরি লো’ বলে দাবি করে ব্রাউজারে বেশ কিছু অ্যাপ ইনস্টল করার বিজ্ঞাপন আসে, এই ফাঁদেও পা দেবেন না।

যখনই ফোনে চার্জ দিবেন, অন্তত আশি শতাংশ পর্যন্ত ব্যাটারি চার্জ করে নেওয়ার চেষ্টা করুন।

চার্জ একটু কমে গেলেই ফের চার্জে বসিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ঠিক নয়। ব্যাটারিতে কুড়ি শতাংশের কম চার্জ থাকলেই ফের ফোন চার্জ করা উচিত। অকারণে বার বার চার্জ দিলে ব্যাটারির আয়ু কমে আসে। আবার ব্যাটারির চার্জ একদম নিঃশেষ হতে দেওয়াও ঠিক নয়।

এমন পাওয়ার ব্যাঙ্ক ব্যবহার করুন, যেগুলি ভোল্টেজের তারতম্য, শর্ট সার্কিট বা ওভার-চার্জিংয়ের মতো সমস্যা হলে প্রতিরোধ করতে পারে।

পাওয়ার ব্যাঙ্কের সাহায্যে ফোন চার্জ দেওয়ার সময়ে সেটি ব্যবহার না করাই ভাল। এক্ষেত্রে ফোনের ইন্টারনাল টেম্পারেচার বেড়ে গিয়ে ফোনটির ব্যাটারি আয়ু কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতীয় দলের প্রত্যাশা মতই কোচ হলেন রবি শাস্ত্রী। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের সাথে লজ্জাজনক ভাবে হারের পর ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অনিল কুম্বলে। তারপর থেকেই কে ভারতের কোচ হবেন তা নিয়ে বেশ একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

শেষ পর্যন্ত বীরেন্দ্র সেহওয়াগ,টম মুডিদের টপকে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কোচিংয়ের দায়িত্ব পেলেন বিরাটের পছন্দের শাস্ত্রী।

মুম্বাইয়ে বিরাটদের কোচ নির্বাচনে সরাসরি থাকতে পারেননি রবি শাস্ত্রী। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ইংল্যান্ডেই রয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন টিম ডিরেক্টর। তাই সেখান থেকেই স্কাইপের মাধ্যমে সচিন-সৌরভ-লক্ষ্মণের কমিটিকে কোচের পদের জন্য সাক্ষাৎকার দেন শাস্ত্রী।

হেড কোচের দৌড়ে অন্যতম প্রতিযোগী বীরেন্দ্র সেহওবাগেরও ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। প্রায় দু’ঘণ্টাও বেশি সময় ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটির সামনে পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন কোচের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অপ্রতিম রহমান : ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাতক্ষীরার ১১ বছরের মেয়ে মুক্তামনির বিরল রোগের নাম আগামীকাল বুধবার (১২ জুলাই) জানা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুরে তিনি এ তথ্য জানান।
ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘আমরা মেয়েটির রোগের নাম এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে এটি একটি ইনফেক্টেড কেস। আজ তার সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। আগামীকাল বুধবার তার রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসবো। আগামীকাল হয়তো তার রোগের জানা যাবে।’
এদিকে মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা হলেন- বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, ইউনিটের বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, একই ইউনিটের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ খন্দকার, ঢামেক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলাম, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রায়হানা আউয়াল এবং ঢামেক হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।
এ বিষয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আজকে আমরা মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেছি। মুক্তার চিকিৎসা সবকিছু এই বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী হবে। আজই আমরা তার সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তামনি প্রচুর রক্তশূন্যতা ও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। তাকে রক্ত ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। তাকে অপারেশনের জন্যে ফিট করতে আগামী দুই-তিন সপ্তাহ সময় লাগবে।’
উল্লেখ্য, মুক্তামনিকে নিয়ে ডেইলি সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদপত্র প্রকাশিত হলে বিষিয়টি সরকারের নজরে আসে।
সোমবার দুপুরের দিকে মুক্তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর গতকাল রাতেই সরকারি এ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসময় তাকে বিদায় জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. তহিদুর রহমান, প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম ও ডেইলি সাতক্ষীরা’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হাসান হাদী।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মুক্তামনির চিকিৎসার বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিতে সোমবার বিকালে সেখানে উপস্থিত হন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা পরিষদ সদস্য এড. শাহানাজ পারভীন মিলিসহ অনেকেই।
সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তহিদুর রহমান, ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক ও দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবুল হোসেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এর ফরেনসিক মেডিসিনের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাসান হাদী, সাংবাদিক আব্দুল জলিল, এম বেলাল হোসাইন, মোস্তফা আলী ও প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আনছার হাজী। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ নেতৃবৃন্দ আক্রান্ত শিশু মুক্তামনির সার্বিক খোঁজ খবর নেন এবং তার পরিবারকে চিকিৎসার আশ্বস্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও সিনিয়র হোয়াইট হাউজ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার কাতারের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের একজনের কাছ থেকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ পেতে ব্যর্থ হওয়ার পরপরই দেশটির বিরুদ্ধে শ্বশুরকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চাপ দেয়া শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরপর ঘটা এ দু’টো ঘটনাকে যুক্ত করে দুয়ে দুয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকেই। বিশ্লেষকদের মতে, কুশনারের রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত বিভিন্ন লেনদেন এবং ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক ইস্যুজনিত জটিলতার মধ্য দিয়ে অন্তত এটুকু বোঝা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যেই অসংখ্য স্বার্থের অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে।

ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, রিয়েল এস্টেট ব্যবসার প্রথম দিকে কুশনার ব্যবসার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কের ৬৬৬ ফিফথ অ্যাভিনিউয়ে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়ে একটি বাড়ি কিনেছিলেন। ওই সময় এত বেশি অর্থের বিনিময়ে একটি ভবন কেনা সেটাই প্রথম।

বর্তমানে ভবনটির এক-চতুর্থাংশেরও বেশি অফিস স্পেস খালি আছে। নিউইয়র্ক টাইমসের দেয়া তথ্য অনুসারে, গত বেশ কয়েক বছর ধরে ভবনটি থেকে যে আয় হয় তা এর জন্য নেয়া ঋণ শোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। এ কারণে কুশনার কোম্পানিজ এই মাল্টিমিলিয়ন-ডলার ঘাটতি বিভিন্নভাবে চাপা দিতে বা পুষিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।কাতার-জ্যারেড কুশনার

২০১৫ সালে একদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প জোরেসোরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, অন্যদিকে জ্যারেড কুশনার তার বাবার সঙ্গে মিলে ডকবতে থাকা প্রপার্টিটাকে বাঁচাতে চেষ্টা করছিলেন। একটা সময় বাপ-ছেলে মিলে কাতারি বিলিওনিয়ার শেখ হামাদ বিন আবদুল্লাহ আল-থানিকে (এইচবিজে) সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী হিসেবে চিহ্নিত করেন।

দ্য ইন্টারসেপ্ট জানায়, আলোচনার পর এইচবিজে শতকোটি ডলারের এই প্রকল্পে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হন। কিন্তু শর্ত রাখেন, প্রকল্পের বাকি অর্থ কুশনার কোম্পানিজকে নিজে নিজে যোগাড় করতে হবে।

বাকি অর্থের ব্যবস্থা করতে কুশনারের এই রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান চীনের আনব্যাং ইনস্যুরেন্স কোম্পানির শরণাপন্ন হলে কোম্পানিটি চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে ৪শ’ কোটি ডলারের নির্মাণ ঋণ দিতে রাজি হয়। কিন্তু নবগঠিত ট্রাম্প প্রশাসনের মাঝে স্বার্থের দ্বন্দ্ব দেখে কয়েক সপ্তাহ পরই সরে পড়ে।

আনব্যাংয়ের সমর্থন হারানোর কারণে কুশনার কোম্পানি এইচবিজে’র দেয়া শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়। ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, কাতারের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র অনুসারে ওই বিলিওনিয়ার ঋণচুক্তিটি বাতিল করে দেন। তবে অন্য আরেকটি শর্ত বলেছে, তিনি চুক্তিটি আপাততঃ স্থগিত রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest