নিজস্ব প্রতিবেদক : বুধবার ডিআরআরএ পিআইএইচআরএস প্রকল্পের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে সাতক্ষীরা, আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলার ১৬ জন সরকারি ডাক্তার-এর অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধীতা সনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাঃ তওহীদুর রহমান সিভিল সার্জন সাতক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন ডিআরআরএ এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমীন ও সহকারী পরিচালক দেবেশ দাস। প্রশিক্ষণ এর পাশাপাশি ডিআরআরএ পরিচালিত পিআইএইচআরএস প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবস্থিত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রেফারাল, রিপোর্টিং ও সরকারের মূলধারার স্বাস্থ্য সেবায় প্রতিবন্ধীদের সম্পৃক্ততা শক্তিশালী করার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়। তাছাড়া প্রতিবন্ধীতা সংক্রান্ত ডিআরআরএ ও সিবিএম প্রনীত প্রতিবন্ধীতা ধরণ পরিচিতি ফিলিপচার্ট বিতরণ ও আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ সেশন শেষে ডিআরআরএ পরিচালিত পিআইএইচআরএস প্রকল্পটি সকলের সহযোগিতায় আরোও ভালভাবে গুণগত সেবা দেওয়া যায় সে বিষয়ে সকল অংশগ্রহণকারীদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণকরা হয়।

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে যেমন দারুণ শুরু, বোলিংয়েও তেমন। কিন্তু শেষটা ভালো হয়নি। যে কারণে তিন ফিফটিতেও বাংলাদেশ করে ৯ উইকেটে ২৫৭ রান। আবার বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে ভালো কিছুর আশা জাগিয়েছিল তারা। তবে সেখানেও ছেদ টানে নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে জেমস নিশাম ও নেইল ব্রুম শক্ত হাতে বাংলাদেশের সামনে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অল্প পুঁজির স্কোরটা কিউইরা পার করতে পেরেছে স্বাচ্ছন্দ্যে। ১৫ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা পৌর আ. লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৫ টায় পুরাতন সাতক্ষীরা বাজারে এ আলোচনা সভায় পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর বনানী থানায় করা মামলার দুই নম্বর আসামি হাসান মোহাম্মদ হালিম ওরফে নাঈম আশরাফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শ্যামনগর ব্যুরো : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন নির্বাসন থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দিবসটি পালনে সারা দেশের ন্যায় ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিকলীগ শ্যামনগর উপজেলা শাখার আয়োজনে গতকাল ১৭ মে বুধবার র্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৫টায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল সহযোগী ও অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দারের নেতৃত্বে এক বিশাল মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামমনগর বাসষ্ট্যান্ডে আলোচনা সভায় অংশ নেয়। সভায় জাতীয় শ্রমিকলীগের শ্যামনগর উপজেলা শাখার সভাপতি এস এম কামরুল হায়দারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অসীম কুমার মৃধা, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু, সদর ইউনিয়ন সভাপতি ও প্রেসক্লাব সভাপতি আকবর কবীর, আওয়ামীলীগ নেতা ড. আব্দুল মান্নান, বাস্তুহারালীগের সভাপতি মোকছেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা, রমজাননগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুল হক মোড়ল, কৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল করিম, তাঁতিলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ, ছাত্রলীগের ইকরামুল হক লায়েস প্রমুখ। বক্তব্য শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাঈদ উজ জামান সাঈদের পরিচালনায় উপজেলা কমিটির ও ইউনিয়ন কমিটির নেতা কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্বের পর মিলাদ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আহবানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয় সংলগ্ন সমবায় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজহার আলী শাহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনকের কন্যা ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা যদি সেদিন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করতেন তাহলে আওয়ামীলীগের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতো। বাংলাদেশের এতো উন্নয়ন সম্ভব হতোনা। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলতো। সেদিন শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার বিচার বাস্তবায়নে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আমার আর হারাবার কিছু নেই। আমি আপনাদের মাঝেই সব কিছুই পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলা দুঃখী মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে চাই। বাঙালী জাতির আর্থ সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’ ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি নিরলসভাবে দেশের অধিকারহারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সম্পাদিকা জ্যোন্সা আরা, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ডা. মুনসুর আহমেদ, এড আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তওহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মো. আজিবর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য এপিপি এড. তামিম আহমেদ সোহাগ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক তওহিদুজ্জামান, পৌর তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ক্যাপ্টেন হোসেন প্রমুখ। এসময় জেলা আওয়ামীলীগসহ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।
নয় মাস ধরে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করত শিশুটি। বয়স ১১। গতকাল মঙ্গলবার কাজে যেতে একটু দেরি হয় তার। আর এ কারণে ওই বাসার গৃহকর্ত্রী গরম খুন্তি দিয়ে শিশুটির বুকে ছ্যাঁকা দেয়!
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার ক্রীড়াঙ্গণে ধারাবাহিকভাবে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেই চলছে সাতক্ষীরার সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি। এই একাডেমিতে জাতীয় দলের ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও কাটাররাজা মোস্তাফিজুর রহমানের উত্থান। বর্তমানে এ জেলার ক্রীড়াঙ্গণে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি নবাগত ক্রিকেটার গড়ার ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চলছে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ। সাতক্ষীরা জেলার অহংকার জাতীয় ক্রিকেট দলের দুই তরুণ ক্রিকেটার সৌম্য সরকার ও মুস্তাফিজুর রহমান এ একাডেমির ক্রীড়া প্রশিক্ষক হিসেবে বিশ্বের মাঝে নিজের দেশ তথা সাতক্ষীরা জেলাকে পরিচিতি করেছে তারা। ক্রীড়াঙ্গণে ভালো ক্রিকেটার হতে হলে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখানোর উদ্দেশ্য নিয়ে এ একাডেমি কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষণার্থীরা বর্তমানে দেশের ক্রীড়াঙ্গণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। ক্রিকেট খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে তৃর্ণমূল পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সুযোগ সৃষ্টি করে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমি। দেশবরেণ্যে দুই ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও মোস্তাফিজুর রহমান সুন্দরবন একাডেমি’র প্রশিক্ষক হিসেবে খেলোয়াড়দের উৎসাহ জাগিয়েছেন। সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আলতাফ হোসেন ক্রিকেট খেলোয়াড় গড়ার কারিগর নিরলসভাবে পরিশ্রম করে আজ তার প্রশিক্ষণ একাডেমিতে ৪ শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তার হাত দিয়েই বাংলাদেশে দলের বরেণ্য ক্রিকেটার সৌম্য ও মোস্তাফিজের মতো নতুন বিস্ময়কর ক্রিকেটার তৈরি হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দল খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের ১০টি জেলার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌবর অর্জন করেছে। ধারাবাহিকভাবে এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণার্থীদের দু’টি ব্যাচে সপ্তাহে চার দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। জেলার সাতটি উপজেলাসহ জেলার বাইরে থেকেও আসা ক্রিকেটাররা এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। একাডেমিতে গরীব ও কৃর্তী খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা। একাডেমির প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন- পরিচালক মোঃ আলতাপ হোসেন, সহকারী প্রশিক্ষক বিসিবি’র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোর্স তারিকুজ্জামান তারিক ও সহযোগি হিসেবে প্রশিক্ষন দেন- রিপন ী মিলন। সুন্দরবন ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আলতাফ হোসেনের হাতে গড়া দেশবরেণ্য দুই ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকার ও মোস্তাফিজুর রহমান এর উত্থান সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে দেশের এতো বড় সাফল্য এনে দিয়েছে যে মাঠ থেকে সে মাঠের দিকে লক্ষ্য নেই কারো। এ মাঠ থেকে আগামী দিনে সৌম্য মোস্তাফিজের মতো ক্রিকেট তারকা দেশবাসীকে উপহার দিতে পারে। কিন্তু মাঠটি খেলার অনুপযোগি হওয়ায় প্রশিক্ষণার্থীরা খেলার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে পাচ্ছে না। দীর্ঘ দিন ধরে মাঠ সংস্কারের ব্যাপারে অনেকেই আশার বাণী শুনালেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।