সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

01প্রেস বিজ্ঞপ্তি : তালা প্রেসক্লাবের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্যরা খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ দিদার আহম্মদের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছে।
বুধবার (১৭ মে) সকালে তালা প্রেসক্লাবের আহবায়ক প্রণব ঘোষ বাবলু’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালযয়ে  মতবিনিময় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় ডিআইজি দিদার আহম্মদকে তালা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে  ফুল দিয়ে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তিনি তালা প্রেসক্লাবের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান এবং তিনি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় তিনি তালা প্রেসক্লাবের পরিদর্শন করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা এম,এ হাকিম ও তালা প্রেসক্লাবের আহবায়ক প্রণব ঘোষ বাবলু, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল জব্বার, যগ্ম-আহবায়ক গাজী জাহিদুর রহমান, এম,এ ফয়সাল, সরদার মশিয়ার রহমান, তালা প্রেসক্লাবের সদস্য নজরুল ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, মোঃ সেলিম হায়দার, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, প্রভাষক ইয়াছিন আলী, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, কাজী আরিফুল হক ভুলু, ফিরোজা রহমান শিমু, মোঃ ইলিয়াস হোসেন, অর্জুন বিশ্বাস, কামরুজ্জামান মিঠু, মিজানুর রহমান, মোঃ খলিলুর রহমান মোঃ নূর ইসলাম, প্রভাষক নজরুল ইসলাম, জিএম খলিলুর রহমান লিথু,মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ রোকনুজ্জামান টিপু, সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, মোঃ আকবর আলী, আছাদুজ্জামান রাজু, কাজী লিয়াকত হোসেন, মোঃ তাজমুল ইসলাম, সুমন রায় গনেশ, রবিউল ইসলাম, আজমল হোসেন জুয়েল, গোলাম রসুল, শাহিনুর ইসলাম, সৌমিত্র চক্রবর্তী, মনঞ্জুরুল হাসান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picture 17.05.17তালা প্রতিনিধি : সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতকরন ও বৈষম্য দূরিকরন বিষয়ক আলোচনা সভা বুধবার সকালে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দাতা সংস্থা সানজিনো- ইটালী’র সহযোগীতায়, বেসরকারি সংস্থা দলিতের উদ্যোগে এবং টিপসি প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন দলিত’র টিপসি প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেবব্রত বিশ্বাস। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চয়ারম্যান মো. ইখতিয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অর্ধীর গাইন।
দলিত এর সিডিও গোপীনাথ দাশের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান তিতু, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, সোনালী চৌধুরী, সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান, দলিত নেতা মনজুরুল আলম, ফুলচাঁদ দাশ, মায়া মন্ডল, স্বরস্বতী দাশ, রাজেস্বর দাশ, যুধিষ্টির চক্রবর্ত্তী, মহাদেব দাশ, লিটন দাশ, বিশ্বনাথ মন্ডল, দলিত কর্মকর্তা রীনা দাস, শাওন শাহা ও সমীর দাস প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সভায় সমাজের পিছিয়ে পড়া দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক অধিকার নিশ্চিতকরন এবং বৈষম্য দূরিকরন সহ এই সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক নানান প্রতিবন্ধকতা দূরিকরনের উপর আলোচন হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6a41272e14171c9b989ef5b357685d38-591c27f340954নিজের স্বভাবসুলভ ব্যাটিংয়ের বিপরীতে গিয়ে খেলছিলেন তামিম ইকবাল। ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে হয়তো উইকেটের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন এই ওপেনার। যদিও তার সেই লড়াই বেশিক্ষণ টিকল না। আউট হয়ে গেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার আউটে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট।

জেমস নিশামের অফ স্ট্যাম্পের বেশ খানিকটা বাইরের বল কাট করেছিলেন তামিম। যদিও বল শূন্যে ভেসে আশ্রয় নেয় কভার বাউন্ডারিতে থাকা কলিন মুনরোর হাতে। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে এই ওপেনার খেলেছেন ৪২ বলে ২৩ রানের ইনিংস।

তার আউটের পরপরই ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের পঞ্চম হাফসেঞ্চুরির দেখা পান সৌম্য। ৭ ইনিংস পর প্রথমবার ফিফটির দেখা পেলেন এই ওপেনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

173544gang_rape_kalerkantho_picএম বেলাল হোসাইন : ভালো কাজে মোটা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ক্লিনিকে রেখে দফায় দফায় জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে ক্লিনিক মালিক বিধান মন্ডলকে অবেশেষ আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে স্বপ্না ক্লিনিক থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযোগকারী ওই নারীর ভাষ্য মতে, বিধান প্রায়ই ক্লিনিকের বিভিন্ন কক্ষে খদ্দেরসহ নারী ও মদের আসর বসাতো।
ঘটনার শিকার ওই নারীর বাড়ি জেলার আশাশুনি উপজেলার তুলসীডাংগা গ্রামে। ধর্ষণের শিকার হয়ে ওই নারী একাধিক স্থানে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেও কোনো ফল না পেয়ে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ ধর্ষিতার অভিযোগ আমলে নিয়ে বিধান মন্ডলকে আটক করে। সাতক্ষীরা সদর দায়েরকৃত এ মামলার নং ৩৪, তারিখ ১৭/০৫।
ধর্ষণের শিকার ওই নারীর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাস কয়েক আগে ভালো কাজে মোটা টাকার বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে স্বপ্না ক্লিনিকে চাকরি দেয় বিধান। চাকরির কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ পায় বিধানের চরিত্র। বিধান ওই নারীকে ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে শহরতলীর বিনেরপোতা এলাকার এক মাদকাসক্ত ব্যক্তির সাথে অনৈতিক কাজে বাধ্য করে ওই নারীকে। ঘরের মধ্যে আটকে রেখে তাকে অনৈতিক কাজ করতে বলে বিধান। এতে ওই নারী আপত্তি জানায়। এক পর্যায়ে তাকে জোর পূর্বক বিধান ও তার সঙ্গী মিলে ধর্ষণ করে। এসময় বিধানও মাদকাসক্ত ছিলো বলে জানায় ওই নারী। এতে ওই নারী মাদকাসক্তদের যৌন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ঘরে দরজা খুলে চিৎকার দিয়ে বাইরে চলে আসে। এরপর ফাঁস হয় আসল ঘটনা। ধর্ষণের শিকার ওই নারী বিষয়টি এলাকার লোকজন ও ঘরমালিক মফিজুল ইসলামকে জানিয়ে বিচার দাবি করে। কিন্তু বিধানের ক্লিনিক সংগঠনের নেতারা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ওই নারীকে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে।
এলাকাবাসি জানায়, টাকার বিনিময়ে বিধান হয়ে যায় ধুয়া তুলসি পাতা। কলঙ্কের দাগ মাখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে ওই নারীর গায়ে। ধর্ষণের শিকার ওই নারী এবং ক্লিনিকের আশেপাশের লোকজন জানায়, বিধানের স্বপ্না ক্লিনিকে অনেক নারী তার ভোগের শিকার হয়েছে। জোরপূর্বক অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করা হয় এখানে। ইতোপূর্বে কয়েকবার নারী কেলেঙ্কারীর দায়ে এলাকাবাসি ও পুলিশ তাকে আটকও করেছে। কিন্তু প্রতিবারই সে টাকার বিনিময়ে ছাড়া পেয়ে গেলেও এবারে যেতে হয়েছে পুলিশের খাঁচায়। ক্লিনিকের আড়ালে বিধান স্বপ্না ক্লিনিককে মিনি পতিতালয় বানিয়েছে। ক্লিনিক ব্যবসার আড়ালে চলে দেহ ব্যবসা। এমন অভিযোগ এলাকাবাসির।
এব্যাপারে ঘরমালিক মফিজুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি। মেয়ের মুখেও শুনেছি। এলাকাবাসির মুখেও শুনেছি। শোনার পর ক্লিনিক মালিক এ্যাসোসিয়েশনের লোকজন আমাকে ডেকেছিলেন। কিন্তু আমি সেখানে যাইনি। আমিও এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘উন্নয়নের পাসওয়ার্ড আমাদেরই হাতে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদে চলছে ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের কর্মসূচি। এ উপলক্ষে বুধবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদে সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে সদর উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে আইসিটি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান ও সদর উপজেলা আইসিটি অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001 (Large)
নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ মে) দুপুরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এ আলোচনা সভায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকচক্র সপরিবারে হত্যা করলেও তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকার কারণে রক্ষা পান। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর ১৯৮১ সালে এই দিনে দেশে ফিরেন শেখ হাসিনা।’ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবীব অয়নের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণিল আনন্দ র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে শেষ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ সভাপতি এস.এম আশিকুর রহমান, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন ব্যানার্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ পারভেজ, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবীব লিমু, সাধারণ হাসানুজ্জামান শাওন, সদর থানা সভাপতি রমজান আলী রাতুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাওন, পলিটেকনিক কলেজের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামসহ জেলা ছাত্রলীগ, সদর থানা ছাত্রলীগ, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Assasuni Pic 17-05-17
সোহরাব হোসেন আশাশুনি : মহাকবি মাইকেল মধুসুধন দত্ত সহ বহু গুণিজনের স্মৃতিবিজোড়িত কপোতাক্ষ নদ আজ সমতল ভূমিতে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আশাশুনি সহ নদের তীরবর্তী বিভিন্ন শ্রেণি বা পেশার মানুষেরা দীর্ঘ ২যুগেরও বেশি সময় ধরে চাতক পাখির ন্যায় চেয়ে আছে কপোতাক্ষ নদ যেন তার হারানো যৌবন ফিরে পায়।
সরেজমিন ঘুরে জানাযায়, অপরিকল্পিত বেঁড়িবাধ, অবৈধ দখলদারদের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে কপোতাক্ষ নদ তার গতিপথ পাল্টেও শেষরক্ষা পায়নি। বিভিন্ন দিক থেকে কপোতাক্ষ নদের ৮০টি সংযোগ খাল বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে পানি শূন্যতা হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিবছর তীরবর্তী এলাকা গুলোর হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। অপর দিকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্ষেতের ফসল, পুকুর, মৎস্যঘের তলিয়ে পানিতে একাকার হয়ে যায়। আর এ কারণে কপোতাক্ষ তীরবর্তী মানুষ গৃহহীন হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে থাকে। বর্তমান অভিশপ্ত কপোতাক্ষ অববাহিকার আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের কথা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো। উপজেলার দরগাহপুর, কাদাকাটি, বড়দল, খাজরা ও অনুলিয়া ইউনিয়ন গুলোর বিভিন্ন পেশার মানুষ ও ৫হাজার জেলে ও মৎস্যজীবী পরিবারের ভাগ্যে নেমে এসেছে চরম দূর্দশা। তার ভিতরে দরগাপুর, কাদাকাটি, বড়দল ইউনিয়নে নদটির নাব্যতা নেই সম্পুর্ণ রুপে সমতল ভুমি। গড়ে উঠেছে ঘরবাড়ি আর ভুমি দস্যুদের ভুমি দখল। বেসরকারি একটি সংস্থার জরিপ সূত্রে জানা গেছে,কপোতাক্ষ নদটির বিচ্ছিন্ন ৮২কিলোমিটার অংশ বিশেষ করে এর উজানের অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। পানি প্রবাহ না থাকায় শুরু হয়েছে নদের জায়গা দখলের প্রতিযোগিতা। নদীর জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছে আবাসন, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। চলছে চাষাবাদ ও ঘের তৈরি করে মাছ চাষ। দীর্ঘদিন ধরে এরকম চলে আসলেও প্রশাসনের এদিকে কোনো নজর নেই। এই সুযোগে ক্ষীণ কপোতাক্ষের চর রাতারাতি প্রভারশালী দখলবাজরা বাড়ি ঘর ও দোকানপাট নির্মাণ, মৎস্য ঘের, ধানচাষ সহ ইটভাটা নির্মাণ অব্যাহত চালিয়ে যাচ্ছে তহসীলদারেরা কৌশলে বড় অংকের উৎকোচের বিনিময়ে কয়েক বছর পিছন থেকে একাধিক বছরের বন্দোবস্ত দিচ্ছে। এ ছাড়া সংযোগ খাল গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বদ্ধ জলাশয় দেখিয়ে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের জন্য বন্দোবস্ত অব্যহত রয়েছে। এভাবেই চলতে থাকলে আগামি বর্ষা মৌসুমে ভারি বৃষ্টিপাত হলেই পানিতে তলিয়ে কয়েক লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়বে। কপোতাক্ষ যদি সুষ্ঠু পরিকল্পনায় খনন বাস্তবায়ন না হয় এবং খালগুলো যদি খননে উদ্যোগ গ্রহণ না করে তা হলে খুব শীঘ্রই দেশের ভূ-খন্ড থেকে কপোতাক্ষসহ খাল গুলো বিলীন হয়ে সমতল ভূমিতে পরিণত হবে। সেই সমতল ভূমিতে বেশি দেরি করে কপোতাক্ষ নদ ও সংযোগ খাল গুলো খনন করতে চাইলেও পাওয়া যাবে না কোনো নিশানা বা নির্ধারিত সীমানা। সব মিলিয়ে এখানে নদী একসময় ৭৫০ মিটার প্রশস্ত ছিল। বর্তমানে প্রায় ১৭০ মিটার। চাঁদখালীর কাছে নদীটি প্রায় ৩০০ মিটার চওড়া।  ৮০টি সংযোগ খাল পুণঃখননের জন্য এখন সময়ের দাবি মাত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1824139406_1495000454.jpg.pagespeed.ic.fWa9wzXun1বাহুবলি-২ দ্যা কনক্লুশন সিনেমাটি দেখেননি এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। বলিউডেরও বহু তারকা এখন বাহুবলি দেখে এর ফ্যান ক্লাবে ঢুকে পড়েছেন। তবে বাহুবলি-২ এখনও দেখে উঠতে পারেননি খোদ বলিউড বাদশা শাহরুখ। তবে রাজামৌলির এই ফিল্ম না দেখলেও বাহুবলি-২ র সাফল্যের চাবি কাঠি জানা আছে কিং খানের।

বাহুবলি-২র সাফল্য নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কিং খান সাফ জানালেন, কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না। IANS-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ বলেন, আমি বাহুবলির প্রথম পার্ট দেখেছি, খুবই অনুপ্রেরণা দেয়ার মত সিনেমা। দুর্ভাগ্যবশত আমি বাহুবলি-২ দেখে উঠতে পারিনি। আমার মনে হয় এটিও একই ভাবে অনুপ্রেরণা ‌‌যোগাবে। সাফল্যের মাপকাঠি শুধু সংখ্যা দিয়ে বোঝানো ‌যায় না, এর গরিমা চিন্তা ও মননের সঙ্গে জড়িয়ে। কষ্ট না করলে সাফল্য আসে না।

শাহরুখের কথায় সিনেমায় প্র‌যুক্তি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ‌যেকোনো সিনেমার রূপ বদলে দিতে পারে প্র‌যুক্তি, ‌যার অন্যতম উদাহরণ হলো বাহুবলি।

বাহুবলির পরিচালক রাজামৌলি সম্পর্কে কিং খান বলেন, উনি এমন একজন পরিচালক, ‌যে উনি ‌যে সিনেমাই বানান, সেটা সকলকে অনুপ্রেরণা ‌যোগায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest