সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

02নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটায় এক ভূয়া মহিলা কবিরাজের গর্ভ ধারণের ভেল্কিতে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে সাধারন জনগণ। ভুয়া কবিরাজ ধানদিয়া ইউনিয়নের মানিকহার গ্রামের আঃ রব এর স্ত্রী রওশনারা বেগম (৪৬)।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, পাটকেলঘাটা থানাধীন ধানদিয়া ইউনিয়নের আব্দুল রবের স্ত্রী পাঁচ সন্তানের জননী রওশনারা বেগম যেসব মহিলারা দীর্ঘদিনে সন্তান গর্ভ ধারণে ব্যর্থ হয় তাদেরকে জ্বীন ভারনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার গর্ভে সন্তান ধারণের জন্য ঔষধ দিয়ে থাকে, বিনিময়ে তিনি নেন জ্বীনের মাধ্যমে বলে দেওয়া মোটা অংকের টাকা। আর জ্বীন কবিরাজের মূখের কথার মাধ্যমে বলে কত টাকা দিতে হবে। তবে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাই রোগীদের প্রকার ভেদে। গর্ভে সন্তানের জন্য পরিবারের সদস্যরা টাকার দিকে না তাকিয়ে সরল বিশ্বাসে দিয়ে দেয়। মহিলা কবিরাজের ঔষুধে কাজ হয় এমন নজির নেই এলাকায়। সহজ সরল মানুষগুলোকে বোকা বানিয়ে প্রতিদিন ইনকাম করছে হাজার হাজার টাকা।
সরেজমিনে গিয়ে ও কবিরাজ রওশনারার সাথে আলাপকালে জানা যায়, কবিরাজ রওশন আরা দীর্ঘ ১৬ বছর এই পেশার সাথে জড়িত। গ্লাসের মধ্যে পানি নিয়ে জ্বীনের মাধ্যমে ভারণ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার গাছড়া, এ্যালোপ্যাথিক, হোমিও প্যাথিক ঔষধ দিয়ে থাকি গর্ভে সন্তান ধারন করার জন্য। তবে এতে কাজ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। বিশ্বাস করে রোগীরা টাকা দিয়ে যায়। তবে এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তার কবিরাজের সুফল পেয়েছে এমন নজির বিরল। কবিরাজ রওশনার শিকার নগরঘাটার রমেছা, মিঠাবাড়ির সাহিদা, গনডাঙ্গা গ্রামের হাবিবাসহ আরো অনেকে জানান, ভূয়া এই কবিরাজের কাছে দীর্ঘদিন আসলেও কোন ফল পাচ্ছি না শুধু কাড়িকাড়ি টাকা নষ্ট হচ্ছে। মিথ্যা জ্বীন ভারণ আর জ্বীনের মাধ্যমে টাকা নিয়ে সাধারণ জনগণের সাথে এধরনের প্রতারণা যেনো আর না করতে পারে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সাথে সাথে এলাকার সাধারন মানুষ এধরনের ভূয়া কবিরাজের গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও যাকাত সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব ডা. মো. আবুল কালাম বাবলা’র সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন।
এসময় তিনি বলেন, ‘ইসলামে যাকাত ফরজ করা হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন ও মানবকল্যাণে যাকাতের ভূমিকা অনস্বিকার্য। ধনীরা যদি সঠিক হিসাবে ও স্বচ্ছভাবে গরিবদের মাঝে যাকাত প্রদান করে তাহলে গরিব মানুষের ভাগ্য বদল হবে। সমাজে কোন গরীব মানুষ থাকবে না। আল হেরা ফাউন্ডেশনের মতো এভাবে যাকাতের টাকায় গরিবদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিলে খুব অল্প সময়েই দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে। যাকাতের উদ্দেশ্য মানুষকে স্বাবলম্বী করা, পরমুখাপেক্ষী করা নয়। দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে আল হেরা ফাউন্ডেশন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করছে।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা জেলা ইমাম সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, সাতক্ষীরা জেলা হাফেজ পরিষদের সভাপতি হাফেজ মাওলানা জুলফিকার আলী, কাটিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া প্রমুখ। আলোচনা সভায় দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কাটিয়া লস্কারপাড়া জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা মিজানুর রহমান আজমী।  অনুষ্ঠানে ১১ জন দুস্থ নারীকে ছাগল, ২টি সেলাই মেশিন, ১টি সিলিং ফ্যান, শিক্ষা উপকরণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। আল হেরা ফাউন্ডেশনের পরিচিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করেন আল হেরা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও সাতক্ষীরা পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন আল হেরা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ইমরান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসুম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাসিক সাহিত্যপাতা’র সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

FNShiM_hasan4আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অস্টম আসরের সপ্তম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং সিন্ধান্ত নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০ ওভারই ব্যাট করেছে তারা। ৮ উইকেট হারিয়ে রান তুলেছে ২১৯। জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল ছুড়ে দিয়েছে ২২০ রানের লক্ষ্যমাত্রা।

এজবাস্টনে দক্ষিণ আফ্রিকার ছুঁড়ে দেয়া ২২০ রানের লক্ষ্য ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান। কিন্তু বৃষ্টি বাধায় ইনিংসের ২৭তম ওভারের পর খেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন আম্পায়াররা। পাকিস্তানের স্কোর তখন ৩ উইকেটে ১১৯ রান। বাবর আজম ৩১ ও শোয়েব মালিক ১৬ রানে উইকেটে ছিলেন। এরপর খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। তাতে বৃষ্টি আইনে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০০ রান। ফলে ১৯ রানের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন সরফরাজ আহমেদরা।

প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে এদিন পুড়তে হয়েছে হতাশায়। বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ২৩ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১০১ রান। প্রোটিয়াদের ৭ উইকেট। খেলা মাঠে গড়ালে এবি ডি ভিলিয়ার্সরা হয়তো জয় পেতেও পারতেন! কারণ চালকের আসনে থেকেও পাকিস্তানের হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ার নজির তো কম নেই! তবে এই জয়ে ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘বি’র তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাকিস্তান। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে রান ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকা আছে তাদের উপরেই। গ্রুপের শীর্ষে ভারত।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল পাকিস্তান। কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪১ রান তুলে ফেলে স্কোরবোর্ডে। এরপর তিন বলের ব্যবধানে পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন মর্নে মরকেল। পাকিস্তানের হয়ে এ ম্যাচে ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে ওপেনার ফখর জামানের। মারমুখী ব্যাটিং উপহার দিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী ফখর। তবে অভিষেক ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। ২৩ বলে ৬ চারে করেছেন ৩১ রান। আরেক ওপেনার আজহার আলির ব্যাট থেকে আসে ৯ রান।
দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া পাকিস্তানের ইনিংস এরপর মেরামত করেছেন বাবর ও মোহাম্মদ হাফিজ। তৃতীয় উইকেটে দুজনে যোগ করেছেন ৫২ রান। মরকেলের তৃতীয় শিকার হওয়ার আগে হাফিজের ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। এরপর বাবরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মালিক। তারপরই ম্যাচে বৃষ্টির হানায় পাকিস্তানের জয়।

এর আগে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের বোলারদের তোপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটির পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াদের বিধ্বংসী ব্যাটিং লাইনআপ। ১১৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে তারা। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে ডেভিড মিলার তুলে নেন ক্যারিয়ারের দশম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি। তার ব্যাটে চড়ে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তানের হয়ে হাসান আলি ২৪ রানে ৩ উইকেট নেয়া হাসান আলি হয়েছেন ম্যাচসেরা। এছাড়া ইমাদ ওয়াসিম ২০ রানে ও জুনায়েদ খান ৫৩ রানে ২টি করে উইকেট পান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Picডেস্ক রিপোর্ট : শিশু মরিয়ম। বয়স মাত্র ৬ বছর। এরই মধ্যে পৃথিবীর আলো তার কাছে ধুসর হয়ে আসছে। দরিদ্র পিতা-মাতার এই শিশু কন্যাটির হার্টে জন্মগত ছিদ্র ধরা পড়েছে। তার অসহায় পিতা কন্যার চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ছুটছেন অশ্রুসিক্ত নয়নে। পিতা-মাতার হৃদয়ের রক্তক্ষণ কি থামানো যাবে না? নিষ্পাপ মরিয়মকে কি এই প্রথিবীর আলো-বাতাসে বেড়ে উঠতে সাহায্য করব না আমরা?
মরিয়মের পিতা মোঃ জাবের হসেন, সাতক্ষীরা শহরের পূর্ব ইটাগাছা গ্রামের একজন গরিব, অসহায় ব্যক্তি। তারর সন্তান মরিয়ম (৬) জন্মগতভাবে হার্টের ছিদ্রজনিত রোগে ভুগছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে অতি দ্রুত অপারেশন করানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু তার এই অপারেশনের জন্য প্রায় পাঁচ (৫) লক্ষ টাকার প্রয়োজন। যা একজন ক্ষুদ্র দর্জি জাবের হোসেনের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় সমাজের বিত্তবান মানুষের সাহায্য পেলে ছোট্ট মরিয়ম পৃথিবীর আলো বাতাস দেখে বেঁচে থাকতে পারবে।
যোগাযোগের ঠিকানা :
বিকাশ নং- ০১৯২৪-৩৯৩৮৩০ (পার্সোনাল)
ব্যাংক একাউন্ট বিবরণী – Md. Jaber Hossen,

Account no: 5114010007732

Basic Bank, Satkhira Branch, Satkhira.

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6O8WUr_imageদেখতে আসল, কিন্তু নকল। চালে কাঁকর হাতে নিয়ে বোঝা গেলেও, প্লাস্টিকের চাল দেখে কিছুই বোঝার উপায় নেই। মাঝখান থেকে ঠকছেন ক্রেতারা। নিত্যদিনের ভাতের বদলে গিলতে হচ্ছে বিষের পিণ্ড৷ উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি জেলায় খোলা বাজারে নাকি রমরমিয়ে চলছে এই প্লাস্টিকের চালের ব্যবসা। প্লাস্টিকের ডিমের পরের ধাপে এবার প্লাস্টিকের চাল৷ প্লাস্টিকের সঙ্গে আলু মিশিয়ে নাকি তৈরি হচ্ছে এই চাল৷

বাজারে কম দামে ভালো চাল পেয়ে পাল পরিবার একলপ্তে অনেকটা কিনে ফেলেন৷ কিন্তু ভাত মুখে তোলার সময় সন্দেহ হয়। দেখতে বাসমতির মতো, অথচ গন্ধ নেই। তার পর দেখা গেল, আগুনে পুড়লে ভেজাল বাসমতি ছোট হয়ে যাচ্ছে, জলে দিলে পচা চালের মতো ভেসে উঠছে৷ অথচ সেই বিষ দিব্যি বিক্রি হচ্ছে বাজারে৷ ‘কওন ছোড়েগা ভেজাল ভাইয়া, ভেজাল সে হ্যায় ফায়দা!’

হলদোয়ানির জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কে কে মিশ্রর বক্তব্য, খাদ্য সুরক্ষা সংস্থা এবং মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন তদন্তে নেমেছে৷ অপরাধীদের শনাক্ত করা গেলে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, এই বিষ ক্রমাগত পেটে গেলে নিদারুণ অ্যাসিডিটি থেকে মৃত্যু ঘনিয়ে আসতে খুব বেশি দেরি লাগবে না৷

কিছু দিন আগে প্লাস্টিকের ডিম নিয়ে কলকাতায় তোলপাড় হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া মনোভাবে বন্ধ করা গিয়েছিল সেই প্লাস্টিকের ডিমের ব্যাবসা। এবার একই ধরনের ঘটনা উত্তরাখণ্ডেও ঘটল। প্লাস্টিক ডিমের বদলে সেখানে বাজারে দাপাচ্ছে প্লাস্টিকের চাল। বারংবার ভেজালের বিভীষিকায় আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ৷ প্রশাসনের একাধিক অভিজ্ঞ আধিকারিকের মতে, চীন থেকেই চোরাপথে ভারতে ঢুকছে এই প্লাস্টিকের ডিম এবং চাল৷ সূত্র-কলকাতা ২৪

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপির একজন কর্মীসহ ৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় ১৪৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ২৫০ গ্রাম গাঁজ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৩ জন, কলারোয়া থানা ৫ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন, শ্যামনগর থানা ০৫ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০৪ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটককের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8889প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ৮ জুন সকাল ১০টার সময় উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি, শ্যামনগরে জলবায়ু পরিবর্তন ও বয়ঃসন্ধিকালীন সংকট ও উত্তরনে  করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যমনগর সরকারী মহসীন ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যাপিকা ও জাতীয় মহিলা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান শাহানা হামিদ। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জেসমীন আরা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী কর্মকর্তা আয়েশা সুলতানা, ইউপি সদস্য ও ধাত্রী দেলোয়ারা বেগম, শিক্ষক ও সাংবাদিক রনজিত বর্মন ও কুমুদ রঞ্জন গায়েনসহ বারসিক কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর আলম, মফিজুর রহমান, বাবলু জোয়ারদার, আল-ইমরান ও মারুফ হোসেন মিলন প্রমুখ।
জীবন প্ররিক্রমায় প্রত্যেকটি শিশুকে বয়ঃসন্ধীকালীন নানা সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। এটা সৃষ্টিরই নিয়ম। এই সমস্যা ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশী ভোগে। সামাজিক কারনে তারা এটা নিয়ে উন্মুক্ত ভাবে আলোচনা করতে পারে না। সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ুগত পরিবর্তনের কারণে অতিমাত্রায় গরম, অনাবৃষ্টি, লবনাক্ততা বৃদ্ধি, পানির গৃনগত মানের পরিবর্তন, ভেজাল খাবার গ্রহণ, পরিবার থেকে সহায়তার অভাব এবং অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে বয়ঃসন্ধিকালীন নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই কারণে মেয়েরা নানা রোগে আক্রান্ত হয় এবং শাররিক নানা  ধরণের রোগের সুষ্টি হয় যা চিকিৎসার অভাবে বড় অকারে সংকট তৈরী করে। জলবায়ু সংকটের সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকর প্রভাব অঞ্চল হিসেবে পরিচিত শ্যামনগরের ছোট মেয়েদের জীবিকার তাগিদে লবন পানিতে চিংড়ির পোনা ধরতে হয়। বয়সন্ধিকালীন সময়ে লবনপানিতে দীর্ঘ সময় মাছ ধরার কারণে মেয়েরা চুলকানীসহ নানার ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে মেয়েরা পুরুষের পাশাপাশি সাইক্লোন সেন্টারে থাকার কারণে এই সময়ে তাদের যথাযথ সেবা পাওয়ার সযোগ না থাকায় তারা অনেক বেশী সমস্যায় পড়ে। আজকের এই মত বিনিময় সভায় স্কুল এবং কলেজর ছাত্রীরা তাদের নানান ধরণের শারীবিক সমস্যার কথা বলেন এবং এই সমস্যা সমাধানের জন্য তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসে একবার করে বয়সন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে আলোচনা এবং চিকিৎসার দাবি জানান। তাছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়ার জন্য মতবিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষাথীরা আলোচনা করেন।  শিক্ষার্থীদের দাবীর পেক্ষিতে অতিথিবৃন্দ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্যাটেলাইট ক্লিনিক এবং গ্রাম পর্যায়ে বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য চিকিৎসা ও সচেতনতামূলক আলোচনার ব্যবস্থা করার ব্যাপারে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

z0RyBH_giarlফ্লোরিডার এক নারী ১৩ পাউন্ড ৫ আউন্স ওজনের এক মেয়ে শিশুকে জন্ম দিয়েছেন। এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শিশুটির মা ক্রিসি করবিট জানান, তার কাছে মনে হয়েছে যেন প্রায় ২-৩ বছর বয়সী শিশুকে তিনি জন্ম দিতে যাচ্ছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ওজনের এ শিশুর জন্ম হয়।

মে মাসের ১৫ তারিখে অরেঞ্জ পার্ক মেডিক্যাল সেন্টারে এই শিশুর জন্ম হয়। তবে শিশুটির মা তার অনাগত সন্তানের বিষয়ে কিছুই জানতেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, শিশুটি গর্ভে আসার পরও তার তেমন কোনো অসুস্থতাবোধ হয়নি।

তবে চিকিৎসকদের কাছে যাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তারা মনে করেন, তিনি গর্ভে যমজ সন্তান ধারণ করছেন। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যায় তার গর্ভে একটি শিশুই আছে।

এত বড় শিশু স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণ করা কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই প্রথম থেকেই তারা সিজার করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। সিজারের মাধ্যমে শিশুটির যখন ভূমিষ্ঠ হচ্ছিল, তখন ডাক্তার বলতেছিল শিশুর ওজন ১৫ পাউন্ড হবে। এরপর অনেক সময় ধরে এই ডেলিভারি হয়েছিল।

শিশুটিকে জন্মের সময় থেকেই ৬ মাস বয়সী মনে হয়। তার ৯ মাস বয়সী শিশুর কাপড় পরিধান করানো লাগে। আবার তাকে ৩ নাম্বার ডায়পার পড়ানো হয়। যা ৬ মাস বয়সী শিশুরা পড়ে। সবদিক থেকেই শিশুর ওজন কোনভাবে স্বাভাবিক নয়। তবে মা ও শিশু দুজনেই এখন ভাল আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest