সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর শ্যামনগরের এম এম প্লাজার মার্কেটের তৃতীয় তলায় উন্নতমানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভর্তা বাড়ি খাবারের হোটেলের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৯ মে হোটেলের উদ্বোধন শেষে এমপি জগলুল হায়দার তার বক্তব্যে বলেন, আমি এমপি হওয়ার পর এই প্রথম খাবার হোটেলের উদ্বোধন করলাম। হোটেলের রান্না বান্না যেন উন্নতমানের এবং রুচিসম্মত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে চন্ডিপুর মিঠা পুকুর পর্যন্ত ৯ শত মিটার পিচের রাস্তা সংস্কারে মাটি কেটে এর শুভ উদ্ধোধন করেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ টায় নকিপুর বাজার মসজিদ সংলগ্ন পিচের রাস্তা সংস্কারের মাটি কেটে শুভ উদ্বোধন করেন এমপি জগলুল হায়দার। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাস্তাটি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে বাজারের মধ্য দিয়ে থানার সামনে দিয়ে চন্ডিপুর মিঠা পুকুর পর্যন্ত পিচ ঢালাই রাস্তাটি সংস্কার হচ্ছে। রাস্তাটির দুই পাশে ৩ ফুট করে প্রসারিত হবে। রাস্তাটি সরকারীভাবে বরাদ্দ ২৫ লক্ষ টাকা বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_425225308_1494325361.jpg.pagespeed.ic.6RQWR5adkoজাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে দুদককের দায়ের করা মামলায় খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। উপহার সামগ্রীর অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার মামলায় সাজার দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে এরশাদের আপিল গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণার করেন। গত ১২ এপ্রিল উভয় পক্ষের আপিলের শুনানি শেষে রায়ের দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেয়ার অভিযোগ ওঠে এরশাদের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ সেনানিবাস থানায় এরশাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।

১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ওই অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন এরশাদ। ২০১২ সালের ২৬ জুন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদের আপিলে পক্ষভুক্ত হয় দুদক। গত ৯ মার্চ হাইকোর্টে এ মামলায় আপিল শুনানি শেষ হলে ২৩ মার্চ রায়ের দিন রাখা হয়। কিন্তু এরশাদের সাজা বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের দুটি আপিল অনিষ্পন্ন থাকায় সেদিন আর রায় না দিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস মামলার সব ফাইল পাঠিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির কাছে। পরে প্রধান বিচারপতি তিনটি আপিল একসঙ্গে নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চে পাঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

17-05-09-00-21-15-338_deco-400x300হাসান হাদী : সারারাত এম.পি সাহেবের ঘুম হয়নি!!!
রবিবার সংসদ ভবনে ছিল সরকারি দলের এমপি দের নিয়ে সংসদীয় দলের বৈঠক।

ঘটনা-১ :- বৈঠকে সংসদ নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক এমপি কে সরাসরি দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কিছু প্রশ্ন করেন কিন্তু বেশীর ভাগ সংসসদস্যই সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পারেনি!!

ঘটনা-২:-আমি এবার কারও দায়িত্ব নিতে পারবো না।
২০১৪ সালের মত নির্বাচন এবার হবে না।নির্বাচন হবে কঠিন প্রতিযোগিতামুলক । অতএব, কারও মুখের দিকে তাকিয়ে আমি নমিনেশন দিবো না।গোয়েন্দা রিপোর্ট ও জনমত জরিপে যারা আসবে তারাই নমিনেশন পাবেন!!

ঘটনা দুটি শোনার পর অনেক এমপির সারারাত ঘুম হয় নি।অস্থির সময় পার করেছেন। প্রিয়তম স্ত্রী তার স্বামীর এহেন আচরণের হেতু শুনতে চাইলে এমপি সাহেব একশো মন ওজনের একটা হায় ছেড়ে বলেন আগামী নির্বাচনে নমিনেশন মনে হয় হবে না?
কেন কেন কেন——?
সে সকল ঘটনা খুলে বললেন তার স্ত্রীর কাছে।
স্ত্রী অনেক ভেবে চিন্তুে বললেন সমস্যা নাই, তুমি চুপ থাক।এই শোন কাঁনে কাঁনে আমাদের সবার এ্যাকাউন্ট মিলে প্রায় ৭০/৮০ কোটি টাকার বুঝ হয়ে গেছে।সুরতাং চিন্তার কোন কারণ নাই বুজলে।
আরে বিটি ওটাই তো বড় চিন্তার কারণ।এমপি পদ না থাকলে তো সকলের মিলে মিশে জেলে থাকতে হবে। দুদক প্রতিদিন এসে বাসায় হানা দিবে তখন।
-এ আল্লাহ্‌ এসব কি বল? আমাদের ও যেতে হবে?
-কেন সংবাদ শোন না বিএনপির কত এমপি মন্ত্রীর বউ মেয়েরা ও জেল খাটছে?
এবার আর এমপি মহোদয় এর বউ কেঁদে একাকার!
-থাম। সালার শয়তান মহিলা। তোর ভাই কে চাকরি, বোন কে চাকরি, ভাগনে-ভাগনি,বাল ছাল কত আত্বীয়-স্বজন চাকরি দাও, একে টিয়ার দাও, ওকে কাবিখার ভাগা দাও।যতসব নষ্টের মুল তুই। অথচ যে নেতা কর্মীরা আমাকে এমপি বানাতে দিনরাত নিজের শ্রম, মেধা,পকেটের পয়সা নানা চড়াই উতরায় পেরিয়ে আমাকে সংসদে পাঠাল তাদের জন্য কিছুই করতে পারলাম না——–!
আজ যদি আমি আগের মত ওদের নিয়ে থাকতাম, সুখে দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতাম, আপা যে টাকা দিছে তার সঠিক ভাবে কাজ করাতাম তাহলে আজ আমার জনপ্রিয়তা থাকতো তুঙ্গে——?
অথচ আজ আমি শূন্য, রিক্ত————-;

ছাত্রলীগের কত ছেলে পা ধরে কেঁদেও দিছে অথচ তাদের একটা পিয়নের চাকুরীও দেয় নি মাত্র পাঁচ লক্ষ ছয় লক্ষ টাকার জন্য অন্যদের চাকুরী দিয়েছি——;
আজ আপা বললেন সব আমল নামা নাকি তার কাছে আছে—–!
আমি তো টাকা ছাড়া আর আত্বীয় ছাড়া কাউকে চাকুরী দিতে সাহায্য করিনি—–?
এমপি আমি অথচ সিন্ধান্ত দিতে তুমি আমার ভাই ও এপিএস—-;
কি এক আজব দেশ রে মাইরি——?
আমি তো দাঁড়িয়েছিলাম আপাকে সব খুলে বলবো—-?
কিন্তু নিজে কাপুরুষ হয়ে যাব, সকলে হাসাহাসি করবে এজন্য বলিনি———-?
চার বছরে যতগুলি বড় বড় টেন্ডার হয়েছে তার একটা কাজ ও কোন নেতা কর্মীকে দিতে পারিনি—–!
সব টাকায় কমিশম খেয়ে খেয়ে ছেড়ে দিয়েছি —–;
হায়রে অভাগা এমপি আমি—–?
আগে গালে মাছি যাইতো এখন গাড়ী বাড়ীর হিসাব নাই!
যাদের বাড়ী ভাত খেতাম তাদের দেখলে চিনি না–?
বাসায় আসলে এক কাপ চা ও জোঠে না————-!
আমি আবার এলাকার এমপি—-?
আগে যাদের দেখলে বুক হাসি মুখে মিলাতাম এখন কাপড়ে ময়লা হবে বলে বুক তো দূরের কথা হাত ও মিলায় না———!
আগে একজন কৃষক,দিনমুজুর, শ্রমিক,মুচি,মাথর মারা গেলে অসুস্থ হলে ভ্যানে, রিকশায় বা হেটে হেটে হলেও চলে যেতাম এখন তিন কোটি টাকার গাড়ী আছে, নিজের ড্রাইভার আছে অথচ একজন প্রতিবেশী বিপদে পড়লে ও যাই না———–!
আমি এলাকার এমপি——-!

কিছু দালালের খপ্পোরে পড়ে স্কুল কলেজে টাকার বিনিময়ে সব মেধাহীন লোকবল নিয়োগ দিয়ে কি সর্বনাষই না করেছি——?
যদি নিজ দলের কর্মীদের দিতাম তাহলে ও মন কে বুঝ দিতে পারতাম————;
রাস্তা ঘাটে পাঁচ কোটি টাকার বাজেট হলে দুই কোটির টাকার কোন রকম কাজ আর সব ভাগ জোগ——-!

ঈদের সময় সহ বিভিন্ন সময়ে সরকার থেকে আসা গরীব দুঃস্থদের জন্য আসা সকল সুবিধা আত্বীয় স্বজন দের দিয়েছি——————————;

এভাবে প্রতিনিয়ত জনগনের বাঁশ দিয়েছি——;
এবার সময় এসেছে তাই,
নিজে বাঁশ খাচ্ছি—————-;

ওগো চল বিদেশে ঐ একটা বাড়ি কিনেছো না——?
সিঙ্গাপুরে——–?
আগেভাগে পালাই —–!
শেখ হাসিনা কে চিনো——–?

বাঘে ছাড়বে তিনি ছাড়বে না ——–;
অন্যায়ের সাথে তিনি কোন আপোষ করেন না।

 

-সংগৃহীত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_538230730_1494315052.jpg.pagespeed.ic.311kiunSfhউচ্চ আদালতের বিচারক অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে নিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায় বাতিলের শুনানি দুই সপ্তাহের জন্য আবারও মুলতবি রাখার আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন নাকচ করে আদালত শুনানি অব্যাহত রেখেছেন।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা পুনরায় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাশ করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।

এ আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে গতবছর ৫ মে ১৬তম সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন।

তিন বিচারকের মধ্যে দু’জন ১৬তম সংশোধনী অবৈধ অবৈধ ঘোষণা করেন এবং একজন রিট আবেদনটি খারিজ করেন। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

24212545615775cbd5a72794da598ac7-5911415b2459aভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরসহ আটজন বিচারপতিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সি এস কারনান। ওই বিচারপতিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য, ষড়যন্ত্র, হয়রানি এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

বিচারপতি কারনান তার রায়ে বলেন,‘ওই আট বিচারপতি ১৯৮৯ সালের তফসিলি জাতি-উপজাতি নিপীড়ন আইন এবং ২০১৫ সালের সংশোধনী মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তাই তাদের পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হলো।’

অভিযুক্তদের তালিকায় প্রধান বিচারপতি ছাড়াও রয়েছেন বিচারপতি দীপক মিশ্র, জে চেলাশ্বরম, রঞ্জন গগৈ, মদন বি লোকুর, পিনাকি চন্দ্র ঘোষ এবং কুরিয়ান জোসেফ। এছাড়া তাকে বিচারপতি হিসেবে কাজ করতে না দেওয়ায় বিচারপতি আর ভানুমতিকেও একই সাজা শুনিয়েছেন বিচারপতি কারনান।

গত সপ্তাহে কারনান ওই বিচারপতিদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

চলতি বছরের প্রথমদিকে, কারনান সুপ্রিম কোর্টের ২০ জন বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান। তখন থেকেই বিচারপতি কারনান এবং সুপ্রিম কোর্ট মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

সোমবার বিচারপতি কারনান কলকাতার নিউ টাউনের বাসভবন থেকে ১২ পৃষ্ঠার এ আদেশ জারি করেন। বিচারপতিদের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের সঙ্গে এই আটজন বিচারপতিকে ১ লাখ রুপি করে জরিমানাও করেছেন তিনি। এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লির খান মার্কেটে তফসিলি জাতি-উপজাতি সংক্রান্ত জাতীয় কমিশনে সেই টাকা জমা দিতে হবে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রায়ে আরও বলা হয়, ক্ষতিপূরণ হিসেবে কারনানকে ওই অভিযুক্ত বিচারপতিরা ১৪ কোটি রুপি দেবেন। বিচারপতিদের বিচার বিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ করা থেকে বিরত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের পাসপোর্টও আদালতের কাছে জমা দিতে বলা হয়। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয় ওই রায়ে।

উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিচারপতি কারনানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুরু করে এবং তাকে বিচার বিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ করা থেকে বিরত করা হয়।

এর আগে, নিজে তফসিলি জাতিভুক্ত হিসেবে তার বিরুদ্ধে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন বিচারপতি কারনান। সেই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। পরে বিচারপতি কারনানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তোলেন সুপ্রিম কোর্ট।

কারনানেরর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। গত ৪ মে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এলে তিনি তা করাতে অস্বীকার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতে দুইজন কর্মীসহ ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ১১২ বোতল ফেন্সিডিল, ১ কেজি গাঁজা ও ১ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ০৩ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৫ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০ টি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সার্কিট হাউজ মোড়( বকচরা মোড়) থেকে পায়রাডাঙ্গা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ দশ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের ১২ বছর পার হলেও অদ্যাবধি কোনো সংস্কার বা মেরামত হয়নি।
সদর উপজেলার বকচরা পায়রাডাঙ্গা বাজারের ঐ রাস্তাটি ব্যবহার করে আশেপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ স্কুল – কলেজ, হাসপাতাল – ক্লিনিক, হাট- বাজার, থানা, উপজেলা – জেলা শহরে যাতায়াত করে। অথচ রাস্তাটি প্রতিবছর নতুন নতুন গর্ত ও খাদ তৈরি হতে হতে বর্তমানে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের এ দুর্ভোগ এড়াতে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বকচরার আব্দুস সালাম মোল্লা, কাওছার ফকির, লুৎফর মোল্লা, পায়রাডাঙ্গার মোঃ ফিরোজ সরদার, শেখ সোনামিয়াসহ আরো অনেকে বলেন, এই রাস্তাটি তাদের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। রাস্তাটি উপর যেন এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর নেক নজর পড়ে।
এই রাস্তাটি প্রত্যহ মিরিরডাঙ্গা, কাঁথন্দা বৈকারী, আড়ুয়াখালী, পায়রাডাঙ্গা, ভিটকি কানারডাঙ্গা, তেঁতুলতলা, বারোপোতা, সোনারডাঙ্গা, পরানদহা, বকচরাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা।02
আঁগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালী ডেইলি সাতক্ষীরাকে বলেন, এই রাস্তাটি এলাকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ । এলাকার মানুষজন এই চলাচল অনুপযোগী রাস্তাটির জন্য খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি জানান, এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর সাথে তার অনেকবার কথা হয়ছে। রাস্তাটি অনেক বার মাপ-জোক হলেও উপর মহল থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, স্কুল-কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও রোগীদের যাতায়াত আরো কঠিন হয়ে পড়েছে। এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর দৃষ্টি যেন অনতিবিলম্বে এই রাস্তাটির উপর পড়ে। তার সাথে একমত পোষণ করেন শিবপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মুজিদ বিশ্বাস। তিনিও রাস্তাটি অবিলম্বে সংস্কার করা প্রয়োজন বলে জানান।

 

বিঃদ্রঃ মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ- ডেইলি সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest