সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আহবায়ক কমিটির ৪র্থ সাংগঠনিক সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আহবায়ক কমিটির ৪র্থ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুর ২ঘটিকায় জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরী রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের আহবায়ক এ্যাডঃ মোঃ আকবর আলী। সভা পরিচালনা করেন ফোরামের সদস্য সচিব এ্যাডঃ মোঃ নুরুল আমিন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডঃ আবু সাঈদ রাজা এবং ফোরামের সদস্য যথাক্রমে এ্যাডঃ এবিএম সেলিম, এ্যাডঃ শেখ শাহরিয়ার হাসীব, এ্যাডঃ জি. এম. ফিরোজ আহমেদ, এ্যাডঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, এ্যাডঃ মোঃ মিজানুর রহমান বাপ্পি, এ্যাডঃ লুৎফুনন্নেছা রুবী। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন এ্যাডঃ সরদার সাঈফ ও এ্যাডঃ এবাদুল হক।

সভায় আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মতবিনিময়, সরকারি আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময়, আইনজীদের মেধাবী ছেলেমেদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরন ও আইনজীবী ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে বিজয় র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিজয় র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ইবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব ডাক্তার শফিকুল ইসলাম বাবু, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল ওহাবসহ অন্যরা।

কালিগঞ্জ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শ্যামনগরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, আমরা যে আলো পেয়েছি তা ৭১ এর পরাজিত শক্তি যেন নিভিয়ে দিতে না পারে তার জন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। এছাড়া আগামী নির্বাচনে আমাদের দল যে ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিবেন তাকে জয়যুক্ত করার জন্য কাজ করবেন। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে কোপানোর অভিযোগ গণধিকার পরিষদের নেতা বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা গণধিকার পরিষদের নেতা হাসান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহিনুর কবিরসহ তাঁর ছোট ভাই সাইফুল্লাহ ও ভাবি পারুল সুলতানা।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তৈলকুপি ভাঙ্গারিঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত শাহিনুর সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। অভিযুক্ত হাসানুর রহমান হাসান জেলা গণধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী। তিনি পতিত আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হকের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাছের ঘের থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে জমি জায়গার বিরোধের পূর্বের জের ধরে তৈলকুপি ভাঙ্গারিঘাট এলাকায় শাহিনুর কবিরকে লোহার রড, হাতুড়ি, দা, জিআই পাইপ ও বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা করে। দোকানে আশ্রয় নিলে শাটার ভেঙে তাঁকে আবারও বেধড়ক মারধর করা হয়।

এ সময় ছোট ভাই সাইফুল্লাহ ও ভাবি পারুল সুলতানা ছুটে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের কোপে সাইফুল্লাহ গুরুতর জখম হন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে সেলাই দিতে হয়। পারুল সুলতানাকে পিটিয়ে জখম করার পাশাপাশি তাঁর গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। হামলাকারীরা শাহিনুরের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

শাহিনুর অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের বিএনপির দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী রুহুল হক এবং তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ঘোষ সনৎ কুমারের প্রভাবে র‍্যাব তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় দীর্ঘদিন জেল খাটতে হয় তাঁকে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন হাসান।

এ ঘটনায় শাহিনুরের বাবা লিয়াকাত গাজী পাটকেলঘাটা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এতে হাসানসহ তাঁর ১০ সহযোগীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হাসানুর রহমান হাসান বলেন, জমির কাগজ আমাদের রয়েছে, কিন্তু তারা জোর করে দখল করে রেখেছে। আইন হাতে তুলে মারধর করার মতো ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নে তিনি এড়িয়ে যান।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিনুর রহমান বলেন, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর ১নং ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিল উপলক্ষে কর্মী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌর ১নং ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিল উপলক্ষে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মাঠ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢালী সাঈদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পৌর বিএনপির আহবায়ক মাছুম বিল্লাহ শাহীন। এসময় তিনি বলেন, আপনারা এমন ব্যক্তিকে নেতা তৈরি করবেন। যিনি সুখে দুখে মানুষের পাশে দাড়ায়, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আছে। যারা দলের দু:সময়ে রাজপথে ছিলো। আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলো। এছাড়া যারা দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব শাহ মো: কামরুজ্জামান কামু, জেলা মহিলাদলের সাবেক নেত্রী সাথী, ময়না,মনু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মেহেদী হাসান, সাবেক শ্রমিকদল নেতা নবাবজান, ইদুজ্জামান ইদ্রিসসহ অন্যরা।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা, সংকটে প্রাণসায়রের খাল

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার প্রাণসায়রের খালের ধারে পৌরসভার কসাইখানা নির্মাণের উদ্যোগে আবারও খালটি ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রকৌশলী বিভাগের এসও সাগর দেবনাথ বলেন,” কসাইখানার টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়ে বড় বাজারে স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে।”
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় খালের পাড়ে কসাইখানার বর্জ্য ময়লার স্তুপ জমে আছে।
শহরের বুক চিরে প্রবাহিত এই খালটি সাতক্ষীরার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০০ সালের ভয়াবহ বন্যায় এ খালটি শহরবাসীর জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দীর্ঘদিন দূষণ ও দখলের কারণে খালটি মরে গেলেও জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের প্রচেষ্টায় খালটি আবারও প্রবাহমান হয়ে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮৪০ সালে প্রাণনাথ রায় চৌধুরী কলকাতার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের উদ্দেশ্যে এই খাল খনন করেছিলেন। শহরের বুক চিরে প্রবাহিত এ খাল শুধু জলধারাই নয়, শহরের সৌন্দর্য ও ভারসাম্যের অন্যতম প্রতীক।
শহরবাসীর দাবি—এই খালকে আবারও দূষণের মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, “প্রাণসায়রের খাল সাতক্ষীরাবাসীর প্রাণের দাবি। শহরের স্বার্থে এই খালকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। খালের পাড়ে কসাইখানা হলে আবারও পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্যত্র কসাইখানা স্থাপন করাই উত্তম।”

জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন বলেন, “প্রাণনাথ বাবুদের খননকিত প্রাণসায়রের খাল সাতক্ষীরা বাসির জন্য আশীর্বাদ। প্রাণসায়রের খালে পড়ে স্থাপিত কসাইখানা সাতক্ষীরা বাসীর জন্য বিপদ সংকেত আবার যদি একই স্থানে পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশন সহ সাতক্ষীরা শহরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। পৌরসভা কর্তৃক কসাইখানা অন্যত্র স্থানান্তর করা সমুচিত।”
সাতক্ষীরা নাগরিক অধিকার উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা বলেন, “সাতক্ষীরা জেলা শহরের মধ্য দিয়ে প্রাণসায়র খাটি যেমন সৌন্দর্য বর্ধন করে তেমনি জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সাতক্ষীরা বাসির একটা আশীর্বাদ কোন অবস্থাতে এই খালের পাশের বর্জ্য বা বিশেষ করে যে কসাইখানা নির্মাণের কথা হচ্ছে। সাতক্ষীরা মানুষের জন্য চিন্তা করে এটা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য সাতক্ষীরা নাগরিক অধিকার উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করছি।”

আদি যমুনা বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী বলেন, “সাতক্ষীরার একমাত্র আভ্যন্তরীণ জল নিষ্কাশন এবং সুন্দর পরিবেশ রাখার জন্য নদী প্রাণ সায়ের এটা প্রবাহমান রাখার এবং বর্জ্যমুক্ত রাখার জন্য মানুষ দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে দাবী জানিয়েছে। বাজার এলাকায় বর্জ্য বিশেষ করে কসাইখানার গরু, ছাগলের বর্জ্য কোনভাবে যাতে প্রান সায়েরের খালে না পড়ে মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। সাতক্ষীরা নাগরিক সমাজ এবং অন্যরা আন্দোলন করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রীতি এই জায়গায় আবার নতুন করে কসাইখানার বর্জ্য প্রাণসায়ের খালে ফেলার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সেটি অনুযায়ী কার্যক্রম তৈরি করা হচ্ছে। আমরা এটা তীব্র বিরোধিতা করি। সম্প্রতি খালে প্রবাহ সৃষ্টি হওয়ার কারণে এখন আর দুর্গন্ধ নেই। খালের দুধারে মানুষের সকালে হাটা, মানুষের উন্মুক্ত বাতাস গ্রহণের মূল কেন্দ্র বিন্দু এটা। সে জায়গায় এ ধরনের একটি কার্যক্রম এটা আসলে পরিবেশ আইনের বিরুদ্ধে এবং মানুষের জনস্বাস্থ্যের জন্য প্রচন্ড হুমকি স্বরূপ, সে কারণ আমরা এই কসাইখানা বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।”
জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এডভোকেট আজাদ হোসেন বেলাল বলেন,” সাতক্ষীরা বড় বাজারে খালের ধারে গরু ,ছাগল জবাই করার জন্য একটি কসাইখানা করা হচ্ছে এবং সেটা টেন্ডার দেওয়া হয়েছে সরকারের মাধ্যমে। কসাইখানা টা খাল ধরে না করে ওদের যে বর্জ্য হয় সমস্ত বর্জ্য এই খালে ফেলে খাল বন্ধ হয়ে যায়। ওটা খাল ধরে না করে শহরের একটু দূরে কসাইখানাটা করলে ভালো হয়।”
পরিবেশ উন্নয়ন সংঘ সাতক্ষীরা সভাপতি পলটু বাসার বলেন,”আমাদের প্রাণসায়র আমরা দূষণমুক্ত রাখবো। যারা প্রানসারের খালে বর্জ্য ফেলছে তাদের অবিলম্বে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করা দরকার। পৌর এলাকায় সুন্দর একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন। আর খাল সংলগ্ন যেসব মার্কেট বা বাজার আছে তাদেরকে আরো সচেতন হতে হবে। প্রয়োজনে সে সমস্ত জায়গা স্থানান্তর করতে হবে। সুলতানপুর বড় বাজারে যে কসাইখানা আছে সে কসাইখানার বর্জ্য আমাদের প্রাণ সাহেবের খালে যাচ্ছে। আমরা আবেদন জানাবো এই কসাইখানা একটি পরিকল্পিতভাবে বাজারের মধ্যে অন্য একটি জায়গায় যদি স্থাপন করা যায় এবং কসাইখানার যাবতীয় বর্জ্য ব্যবহারের পথে আনা যায় তাহলে এই পরিবেশ আরো সুন্দর হবে রাস্তার ধারে কসাইখানার দুর্গন্ধে যারা বাজারে যায় পথচারী তারাও অনেক সময় অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। তাই আমি বলব এগুলো একটি পরিকল্পনা মধ্যে নিয়ে আসা দরকার। তাহলে সাতক্ষীরা বাসী এই সুন্দর পরিকল্পনার সুফল অনায়াসে ভোগ করতে পারবে।”
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত বলেন, “প্রাণসায়রকে সুরক্ষার জন্য সাতক্ষীরাতে দীর্ঘদিন সামাজিক আন্দোলন হয়েছে সে আন্দোলনে একটি অংশ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সহ বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর পৌরসভা এবং সাধারণ নাগরিকের সমন্বিত উদ্যোগে প্রাণসায়র খালটি আজকে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। এবং এর চারিপাশ কিছুটা দখলমুক্ত ও পরিবেশ সুন্দর হয়েছে। প্রাণ সায়রের খাল সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। জেলা প্রশাসকের এই মহতী উদ্যোগের সাথে নাগরিক উদ্যোগ যুক্ত হয়ে একটি সুন্দর পরিবেশ উপহার দিয়েছে। একটি বিষয়ে অত্যন্ত পিঁড়া দেয় আমাদের বড় বাজারের বর্জ্য সেখানে একটি কসাইখানা প্রতিষ্ঠা করা আছে, বিশেষত সেই কসাইখানার বর্জ্য প্রতিদিন প্রাণ সায়রে গিয়ে মিশছে। এই আধুনিক যুগে উচিত হবে একটি আধুনিক কসাইখানা প্রতিষ্ঠা করা যেখানে বর্জ্য খালের পানিকে দূষিত করবে না। এবং সেটি একটি প্রসেসের মাধ্যমে সম্পদ আকারে ব্যবহার করা যাবে। জনস্বার্থে এই কিলখানা টি এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্য একটি জায়গায় স্থাপন করা উচিত হবে। যেখানে পরিবেশ ধ্বংস হবে না। এবং সুন্দরভাবে এটি মেন্টেন করা হবে। খালের নাব্যতা ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও নাগরিক সমাজ একসাথে কাজ করতে হয়।”
বাংলাদেশ জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন,”সাতক্ষীরা পৌরসভাটি ১ নং পৌরসভা হবার সত্ত্বেও এখানে সংকটের শেষ নেই। পানির সংকট, রাস্তাঘাটে চলাচলের সংকট, পরিবেশ দূষণ,অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন এসব নিয়ে আমরা আছি লক্ষাধিক ভোটার থাকলেও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাবে আমরা মহা সংকটে আছি। সাতক্ষীরা পৌরসভার অভ্যন্তরে যে কসাইখানাটি করার কথা হচ্ছে। সেটা হলে সাতক্ষীরা পৌরবাসী মরণফাদের নিমজ্জিত হবে। অতিসত্বর কসাইখানা টি একটি নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে পারলে একটি দূষণমুক্ত ভালো পৌরসভার হিসেবে আমরা এখানে বসবাস করতে পারব।”
এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, নাগরিক সমাজও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, খালের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
সাতক্ষীরাবাসীর প্রত্যাশা—প্রাণসায়রের খাল যেন আবারও ভাগাড়ে পরিণত না হয় এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের জন্য এটি সংরক্ষিত থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাসূল (সাঃ) এর আদর্শে উজ্জীবিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা শিবিরের র‌্যালি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
ছাত্র—জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবতীর্ রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে রাসূল (সাঃ) এর আদর্শে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে। র্যালিটি খুলনা রোড মোড় হয়ে নিউমার্কেটে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চারটায় অনুষ্ঠিত র্যালির নের্তৃত্ব দেন শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন ও সাবেক সভাপতি এড. আবু তালেব।
এক সংক্ষিপ্ত সভায় শিবির নেতারা বলেন, নবী (সাঃ) আমাদের আদর্শ। তিনি বিশ^ মহামানব মানবতার মহান শিক্ষক। কুরআনের উদ্বৃতি দিয়ে বক্তরা বলেন “নিশ্চয়ই রাসূল (সাঃ) এর জীবনেই রয়েছে তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ” কোরআনের এই আয়াতকে সামনে রেখে ছাত্র ও তরুণ সমাজকে রাসূল (সাঃ) এর আদর্শে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছাত্রশিবির কাজ করে যাচ্ছে। তাই পবিত্র মাহে রবিউল আউয়ালকে সামনে রেখে ছাত্র শিবির নিম্নোক্ত কর্মসূচী সমূহ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

কর্মসূচীর মধ্যেঃ ১. সিরাতুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও র্যালি। ২. সিরাতুন্নবী (সাঃ) মাহফিল। ৩. কালেমার স্টীকার বিতরণ। ৪. নাতে রাসূল (সাঃ) সন্ধ্যা। ৫. সিরাতুন্নবী (সাঃ) এর উপর কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতা। ৬. ক্বিরাত প্রতিযোগিতা। ৭. হামদ ও নাতে রাসূল (সাঃ) প্রতিযোগিতা। ৮. সিরাতুন্নবী (সাঃ) এর উপর সিম্পোজিয়াম ও সেমিনার। ৯. সীরাত বুকলেট বিতরণ ও দেয়ালিকা প্রকাশ। ১০. সীরাত পাঠ প্রতিযোগিতা। ১১. ভ্রাম্যমান নাতে রাসূল (সাঃ) পরিবেশনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হুন্ডি ব্যবসায়ী অমিতের ভয়ানক প্রতারণা: চাঁদা না পেয়ে স্বাক্ষর জাল করে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁদার টাকা না পেয়ে সাতক্ষীরা আদালতে কাল্পনিক মামলার দাখিলের অভিযোগ উঠেছে হুন্ডি ব্যবসায়ী অমিত কুমার বিশ^াসের বিরুদ্ধে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তালার খানপুর গ্রামের অসিত কুমার সরকারের ছেলে জয় কুমার সরকার।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি নাভানা ওষধ কোম্পানীতে এসআর পদে সাতক্ষীরা জেলায় দায়িত্বপালন করছি। আমার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা আমলী আদালত-১ এ জাল জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন শহরের দক্ষিন পলাশপোল এলাকার মৃত. সাধন বিশ^াসের ছেলে অমিত কুমার বিশ^াস।
আদালতে দাখিল করা মামলায় তিনি অভিযোগ করেছেন, আমার বোন জামাই প্রশান্ত কুমার দাস তার নিকট থেকে ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বর তারিখে স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে হাওলাত হিসেবে ছয় লাখ টাকা নেন। বোন জামাই ছয় মাসের মধ্যে টাকা না দিলে সেই টাকা আমি পরিশোধ করবো। চলতি বছরের ২৩ জুন আদালতে দাখিল করা মামলায় বোন জামাই প্রশান্ত কুমারকে এক নম্বর ও আমাকে দুই নম্বর আসামী করা হয়েছে।

বাস্তবতা হলো, যে তারিখে টাকা হাওলাত নেওয়া বা অঙ্গীকারনামা স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর দেখানো হচ্ছে সেই তারিখে আমি খুলনায় নাভানা কোম্পানীর অফিসে ছিলাম। তৎকালীন সময়ে আমি ওই এলাকায় এসআর পদে চাকুরি করতাম। সুতরাং অঙ্গীকারনামায় যে স্বাক্ষর রয়েছে সেটি আমার নয়, জাল জালিয়াতি। মামলায় আদালত থেকে দেওয়া সমন জারি বাড়িতে পৌঁছানোর পর মামলার বিষয়টি আমিসহ অন্যরা জানতে পারি। আমি বোন জামাইয়ের নিকট ঘটনার বিবরণে জানতে পারি, মামলার বাদী অমিত কুমার বিশ^াস বোন জামাই প্রশান্ত কুমার দাসের পূর্ব পরিচিত। সেই সুবাদে অমিতের নিকট থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ২০২২ সালের দিকে সুদে হিসেবে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নেয়। পরবর্তীতে ২ বছরে সুদ আসল মিলে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধও করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গেল ১৩ জুন বোন জামাই অভাবের তাড়নায় কাজের উদ্দেশ্যে ভারতে পাড়ি জমায়। এরপর ১৫ জুন অমিত কুমার বিশ^াস, পুরাতন সাতক্ষীরার সৈয়দ আলীর ছেলে কোরবান আলী, একই এলাকার বাবর আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম, আশাশুনির পাইথালী গ্রামের মৃত. হরিপদ মন্ডলের ছেলে প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল, দেবহাটা উপজেলার কদমখালী গ্রামের গহর আলী গাজীর ছেলে সোহেল উদ্দীন গাজীসহ ৭-৮ জন তালার খানপুরে আমাদের বাড়ীতে যায়। গুন্ডা ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির এসব লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অমিত কুমার বিশ^াস আমার বাবা অসিত কুমার সরকারকে নানা ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বলতে থাকে, ১০ লাখ টাকা দিতে হবে না হলে তোমার জামাই প্রশান্তকে ভারতে মেরে মাটিতে পুতে রেখে দেওয়া হবে। এসপি, ডিসি, পুলিশ প্রশাসন আমার হাতের মুখোয় থাকে। এই ঘটনার পর আমরা নি¤œ সম্প্রদায়ের মানুষ ভীত সন্তস্ত্র হয়ে পড়ি। ঘটনাটি গ্রামের আশপাশের অনেকেই জানেন দেখেন।

এই ঘটনার পর গত ২৩ জুন প্রতারক অমিত কুমার একটি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামায় বোন জামাই ও আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ইচ্ছেমত লিখে নিয়ে আদালতে কাল্পনিক ও মিথ্যা মামলা দাখিল করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে, জয় কুমার সরকার বলেন, খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছি অমিত কুমার একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী, সুদে কারবারী, প্রতারক হিসেবে শহরে ও নিজ এলাকায় পরিচিত। বিভিন্ন মানুষকে ভূয়া, জাল জালিয়াতি কাগজ তৈরী করে মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে দীর্ঘদিন। আমি এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি ও প্রতারক অমিত কুমারকে শাস্তির আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। ##

০৬.০৯.২০২৫

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সাংবাদিক বুলুর রহস্যজনক মৃত্যুর অধিকতর তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : খুলনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু’র অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় নিউমার্কেট চত্বরে আয়োজিত এসকল কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম। প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী,প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী,সিনিয়র সাংবাদিক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী,প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান,সাংবাদিক এস এম বিপ্লব হোসেন, আব্দুল মমিন, আমিনুর রহমান,নাজমুল আলম মুন্না প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন,সাংবাদিক বুলু’র মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে বা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর মরদেহ উদ্ধারের পর খুলনার লবণচরা থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে,যা নৌ-পুলিশ তদন্ত করছে।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,তদন্ত ধীরগতিতে চলছে। তিনি যদি আত্মহত্যা করেও থাকেন,তাহলে কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন,কেন তিনি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হলেন, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। অধিকতর তদন্তের জন্য নৌ-পুলিশের সাথে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা বা অন্য কোন গোয়েন্দা সংস্থার অন্তর্ভুক্তির আহবান জানান বক্তারা।পাশাপাশি সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা-আত্মহননের পথ বেছে নেওয়ার মতো পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট সন্ধ্যায় খুলনার খানজাহান আলী সেতুর ২ নম্বর পিলারের বেজমেন্ট থেকে ওহিদুজ্জামান বুলুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি দৈনিক আজকের কাগজ,চ্যানেল ওয়ান, ইউএনবিসহ প্রসিদ্ধ গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। তিনি খুলনা প্রেসক্লাব,কেইউজে ও বিএফইউজে’র সদস্য ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest