xfull_619451060_1496579061.jpg.pagespeed.ic.3pfyFDnW2Eবিনোদন ডেস্ক: মুক্তি পেল শ্রীদেবীর আলোচিত আসন্ন সিনেমা ‘মম’র ট্রেলার। এই সিনেমার মধ্যে দিয়ে ৫ বছর পর রুপালী পর্দায় কামব্যাক করলেন তিনি।

বনি কাপুর প্রযোজিত ‘মম’ নিয়ে প্রত্যাশাও তুঙ্গে দর্শকদের মধ্যে। সিনেমাটিতে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী ও অক্ষয় খান্নাকে দেখা যাবে সম্পূর্ন ভিন্ন চরিত্রে। বিশেষ করে নওয়াজউদ্দিন রয়েছেন নতুন এক অচেনা রুপে।

এই সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন পাকিস্তানি অভিনেতা সাজাদ আলি ও আদনান সিদ্দিকি। সিনেমাটি মুক্তি পাবে চলতি বছরের ৭ জুলাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b66d2e80aa13f79404e07dec4f2dec9d-5933cd610bd6eআপাতত জিতের ‘না’। সোমবার (৫ জুন) ঢাকায় আসার কথা ছিল তার। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার অভিজাত এক ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বসার কথা ছিল সাংবাদিকদের মুখোমুখি।

সম্মেলনের সূচিতে ছিল দুটি বিষয়। প্রথমটি তার প্রযোজনা ও অভিনয়ে ‘বস-টু’ এর ঈদ মুক্তি এবং অন্যটি এই ছবির বিতর্কিত গান ‘আল্লাহ মেহেরবান’ প্রসঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থন।

কিন্তু বিশেষ কারণে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন না। ছবিটির অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। তারা জানায়, ‘বিশেষ কারণে জিৎ ঢাকায় আসতে পারছেন না। তবে পরে একদিন ছবি প্রচারণার জন্য আসবেন বলে জানিয়েছেন।’

এবার ঈদে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে জিৎ, নুসরাত ফারিয়া ও শুভশ্রী অভিনীত ছবি ‘বস-টু’। ছবিটি প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ থেকে জাজ মাল্টিমিডিয়া আর ভারত থেকে জিৎ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড।

সম্প্রতি এই ছবির ট্রেলার এবং ‘আল্লাহ মেহেরবান’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ পায় ইউটিউবে। গানটি প্রকাশের পর তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয় দেশে। অভিযোগ ওঠে এতে নুসরাত ফারিয়ার খোলামেলা উপস্থিতি নিয়ে। পরে জাজ মাল্টিমিডিয়া গানটি ইউটিউব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। যদিও একই গান পাওয়া যাচ্ছে জিতের গ্রাসরুট এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে।

https://www.youtube.com/watch?v=Rc3nU7_G2qw

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় জিৎ ও শুভশ্রী অভিনীত ছবি ‘বস: বর্ন টু রুল’। এটি ছিল তেলেগু ছবির রিমেক। আগের ছবিটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘বস-টু’। এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অমিত হাসান, সীমান্ত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02কেএম রেজাউল করিম : পারুলিয়ার সাপমারা খননে একশ্রেণির স্বার্থন্বেষী মহল বাধার সম্মূখিন করছে বলে অভিযোগ তুলেছে কর্মসূচির কর্মীরা। ইছামতি নদী থেকে উৎপত্তি হওয়া খালটি পারুলিয়া ও সখিপুর ইউনিয়নের সীমানা বেয়ে আশাশুনি উপজেলায় যেয়ে মিলিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার প্রধান মৃত খালগুলো বাংলাদেশ সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পুনখনেনর মাধ্যমে উৎজিবিত করতে নানমূখি কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তারই লক্ষ্যে পারুলিয়ার সাপমারা খাল খনন করা হচ্ছে। কিন্তু খনন কালে খালের পাড় দখল করে অবৈধ্য স্থাপনা গড়ে তোলায় কাজ করতে বাধার সম্মূখিন হতে হচ্ছে। এমনকি অনেক স্বার্থন্বেষী মহল বলপ্রয়োগ করে সরকারি কাজের বিঘন্ন ঘটাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়াগেছে। রবিবার সকালে সাপমারা খাল খনন পরিদর্শনে আসেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা ৬০ ফুট খাল খনন এবং উভয় পাশে দশ ফুট করে ২০ ফুট রাস্তা নির্মান করতে হবে। সেই অনুযায়ী ৩৪৬ জন কর্মী কাজ করছে। কিন্তু খালটি পারুলিয়া ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে চলায় অপর পাশে সখিপুর ইউনিয়ন ও পারুলিয়ার কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অবৈধ্য ভাবে খালের জমি দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলেছে। আমি কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিদর্শন করে স্থাপনা গ্রামপুলিশের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলে দিয়েছি। তবে যদি সরকারি ভাবে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন তাহলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মসূচির কাজ সম্পন্ন হবে। এদিকে খালটি খনন হলে সখিপুরের আংশিক, পারুলিয়া, খেজুরবাড়িয়া, ঘড়িয়াডাঙ্গা, গড়িয়াডাঙ্গাসহ অসংখ্য গ্রামের মানুষের কল্যাণ বয়ে আনবে। সেই সাথে এসব এলাকার মৎস্য ও কৃষিতে ব্যপক ভূমিকা রাখবে মনে করেন স্থানীয়রা। তাই সাপমারা খালটি যাতে সঠিক ভাবে সময়ের মধ্যে খনন সম্পন্ন করা যায় সে ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কামনা করেছেন সকলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01দেবহাটা ব্যুরো :  উপজেলা পর্যয়ে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম জোরদারকরণে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে উক্ত প্রশিক্ষণের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, এলজিইডি কর্মকর্তা আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ মাহমুদ। স্বগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেব কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ। অন্যান্যদের মধ্যে সমাজসেবা অফিসের তারিকুর রহমান, শাহিনুর রহমান, মঈনুল ইসলাম, শেখ রবিউল ইসলাম, বিভিন্ন গ্রাম কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত প্রশিক্ষণটি আগামী ৬ জুন সমাপ্ত হবে আর এর মাধ্যমে সুদমুক্ত সরকারি ঋন গ্রহীতারা নিজেদের আরো উন্নয়ন ঘটাতে পারবে বলে জানান বক্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0003মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ক্যান্সার আক্রান্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবম ব্যাচের ছাত্র এ এইচ মোকলেসুর রহমান হাসানের চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ১লক্ষ টাকা প্রদান করেছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। রোববার দুপুরে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসারত হাসানের মায়ের হাতে এ চিকিৎসা সহায়তার অর্থ  প্রদান করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবীব অয়ন। হাসান কাটিয়া সরকার পাড়া গ্রামের কাজী এনামুল হকের ছোট ছেলে। বর্তমানে হাসান সাতক্ষীরা শহরের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হবে বলেন জানান হাসান।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবীব অয়ন বলেন, ‘হাসানের চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে আমরা আপাতত ১লক্ষ টাকা যোগাড় করে দিয়েছি। হাসান এই সুন্দর পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখতে চায়। সে বাঁচতে চায়। আমরা আবারও তার সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহ করবো এবং তার উন্নত চিকিৎসার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সহায়তা দেব। ক্যান্সার আক্রান্ত হাসানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।  মানুষ মানুষের জন্যই। আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করলে ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যধি থেকে মেধাবী ছাত্র হাসানকে বাঁচাতে পারবো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

11112-thumbnailতালা প্রতিনিধি : “বাবুই পাঁখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই! আমি থাকি মহা সুখে অট্টালিকার পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ বৃষ্টি ঝড়ে। পাকা হোক তবু ভাই পরের বাসা, নিচ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর খাসা”। কবি রজনীকান্ত সেন এই কালজয়ী কবিতাটি এখনও অধিকাংশ মানুষের মূখে মুখে।দেশের এক সময়ের নজরকাড়া বাবুই পাঁখিকে নিয়ে কবির ‘স্বাধীনতার সুখ’ কবিতাটি আজো মানুষ উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলেও হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাঁখি ও তার বাসা। বাবুই পাঁখির বাসা আজ অনেকটা স্মৃতির অন্তরালে বিলীন হতে চলেছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১৫/১৬ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের মাঠে ঘাটের তাল গাছে দেখা যেত বাবুই পাঁখির নিপুণ কারুচিত তৈরি বাসা সেটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।তালা উপজেলাসহ আশপাশ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে এখন আর আগের মত বাবুই পাঁখির নিপুন কারুচিত তৈরি করা নজরকাড়া বাসা চোখে পড়ে না। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জাগ্রত এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করত। সময়ের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ এ পাঁখিটি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে চলেছে।দৃষ্টিকাড়া গাছের ঝুড়ির মতো চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাঁখির পরিচিতি বিশ্ব জোড়া। নারিকেল গাছের কচি পাতা, খড়, তালপাতা, খেজুর গাছের পাতা দিয়ে উঁচু তালগাছে বাসা তৈরি করত এই বাবুই পাঁখি। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙ্গে পড়ে না। বাবুই পাঁখির নিখুত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া ছিল কষ্টকর। এ জন্য অনেকেই একে তাঁতি পাঁখি বলে ডেকে থাকে।বাবুই পাঁখির অন্যতম বৈশিষ্ট হলো রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। একটি বাসা তৈরি করার পর পুরুষ বাবুই সঙ্গীর খোঁজে নামে। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুই পাঁখিকে সাঙ্গী বানানোর জন্য পরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষনীয় করতে খাল, বিল ও ডোবায় পানিতে গোসল এবং গাছের ডালে ডালে নেচে নেচে বেড়ায়।প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে পিঠে তামাটে কালো কালো বর্ণের দাগ হয়। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাঁখির রং হয় গাড় বাদামি। বুকের ওপরের দিকটা হয় ফ্যাকাশে অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাঁখির পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়।তালা উপজেলার  তালা সদর ইউনিয়নের মো: শহিদুল ইসলাম ও সৈয়দ তরিকুল ইসলাম  এবং সৌমিত্র চক্রবর্ত্তী জানান আমাদের মাঠের জমিতে উচু তালাগাছ সেখানে ১৫/১৬ বছর আগে বাবুই পাঁখি বাসা বেঁধে থাকত আমি লাঙ্গল চষতে যেতাম আর দেখতাম ছোট ছোট পাঁখি তাল গাছের ঝুলন্ত পাতার সাথে নিখুত ভাবে বাসা বুনে থাকত কত ভাল লাগতো। কিন্তু এখনও তালগাছ আছে কিন্তু নেই বাবুই পাঁখির সেই বাসা।বাবুই পাঁখি সাধারণত তাল, খেজুর, নারকেল ও আখেে ত বাসা বাঁধে। ধান, চাল, গম ও পোকা-মাকড় ইত্যাদী তাদের প্রধান খাবার।একসময় তালা উপজেলার,নওয়াপাড়া, তেঁতুলিয়া, জাতপুর, নলতা,  হাজরাকাটি, মহান্দী, বারুইহাটী, জিয়ালা সহ বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঠে দেখা যেত শত শত বাবুই পাঁখির বাসা। বর্তমানে যেমন তালগাছ সহ বিভিন্ন গাছ নির্বিচারে কেঁটে ফেলা হচ্ছে, তেমনি হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাঁখি ও তার বাসা। বাবুই পাঁখির এ দৃষ্টিনন্দিত শৈল্পিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করা দরকার বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Satkhira Presscon photo--- 04.06.17--1.docআসাদুজ্জামান : যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে পড়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মাদ্রাসা ছাত্রী  আজমিরা সুলতানা। তাদের ভয়ে আজমিরা এখন মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। স্যারেদের কাছে পড়তে যাবার সাহসও পাচ্ছে না সে।
রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছে আজমিরা। সংবাদ সম্মেলনে তার বাবা আজিবর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
আজমিরা শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। সংবাদ সম্মেলনে সে জানায় বাড়ি থেকে আড়াই কিলোমিটার দুরে মাদ্রাসায় প্রতিদিন পায়ে হেঁটে যেতে হয় তাকে। চলার পথে রমজাননগরের মোক্তার গাজির ছেলে মতিউর রহমান, গফফার শেখের ছেলে আলমগীর শেখ ও ইউনুস গাজির ছেলে নাজমুল গাজি তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে। আজমিরা জানায়, গত ২৪ মে দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই সব বখাটেরা তাকে লক্ষ্য করে অবান্তর ভাষায় কথা বলতে থাকে। তারা তার পথ রোধ করে কু প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করায় তারা তাকে জোর করে নিকটস্থ ঘেরের বাসায় নিয়ে যাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ সময় একজন মোটর সাইকেল চালক এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।
আজমিরা জানায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এ ব্যাপারে বিচার দিলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। বাধ্য হয়ে ওই বখাটেদের বিরুদ্ধে গত ৩১ মে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দেয় আজমিরা। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বখাটের দল। তারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বারবার চাপ দেয়। মামলা না তুললে তোর মুখ এসিডে পুড়িয়ে দেব। তোর ভবিষ্যত নষ্ট করে দেব। রাস্তায় একা পেলে তোকে বাড়ি ফিরতে দেব না। মামলা করে কি করবি। টাকা দিলেই তো ফাইনাল হয়ে যাবে। আজমিরার অভিযোগ মামলার পরও পুলিশ তেমন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। অথচ সেই বখাটে আসামিরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপ করে আজমিরা জানায় দেশে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা নিয়ে অনেক ঘটনা ঘটেছে। অনেক মেয়ের জীবন গেছে। তাকেও যেনো এমন কোনো বিপদের সম্মুখীন হতে না হয়। আজমিরা ও তার বাবা এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

gaJfOI_60ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার পারদে বিভক্ত হয়ে পড়ে গোটা ক্রিকেট দুনিয়াই। চিরবৈরী দুই পড়শি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বার্মিংহামের এজবাস্টনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আজ। অগ্নিগর্ভ ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩.৩০ মিনিটে। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে মাছরাঙা টিভি।

দু’দেশের রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে ২০১৩ সালের পর আর দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দেখা হয়নি তাদের। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের জন্য আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোই এখন শেষ ভরসা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রুফির সৌজন্যে বহুদিন পর সেই আগুনে লড়াইয়ের আঁচ গায়ে মাখার সুযোগ মিলেছে। এবার ভারতকে অন্যতম ফেভারিট মনে করা হচ্ছে। সেখানে পাকিস্তানকে ধরা হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে দুর্বল দল।

এখন পর্যন্ত দু’দল ১২৭ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ৫১ এবং পাকিস্তান জিতেছে ৭১ বার। ওয়ানডে ও টি ২০ বিশ্বকাপে ১১ বারের মুখোমুখিতে সব ম্যাচেই জিতেছে ভারত। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনবার মুখোমুখি হয়ে দু’বার জিতেছে পাকিস্তান।

সম্ভাব্য পাকিস্তান একাদশ:
আজহার আলী, আহমেদ শেহজাদ, বাবর আজম, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), ইমাদ ওয়াসিম, ফাহিম আশরাফ, মোহাম্মদ আমির, জুনায়েদ খান ও হাসান আলী।

সম্ভাব্য ভারত একাদশ:
রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, এমএস ধোনি, কেদার যাদব, হার্ডিক পান্ডে, রবীন্দ্র জাদেজা, জাসপ্রিত বুমরাহ/মোহাম্মদ সামি, ভুবনেশ্ব^র কুমার ও উমেশ যাদব/রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest