সর্বশেষ সংবাদ-
হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যুপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টহত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদনদুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালাশহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ত্রাস কালু হাজী গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেবহাটা থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে খানজিয়া নওয়াড়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। আটকের পর কালুর নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করে। গত ৭ আগস্ট ২০১৬ তারিখে দেবহাটা থানায় দায়েরকৃত ৪নং মামলার এজহারভুক্ত আসামী হিসাবে নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আবু সিদ্দিকের পুত্র হাফিজুর রহমান ওরফে কালু হাজীকে আটকের বিষয় নিশ্চিত করেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী কামাল হোসেন।
উল্লেখ্য, কালুর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের জামাত-শিবিরের সহিংসা ও নাশকতার মদদ ও জামাতের অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সাথে এলাকার নিরীহ মানুষের ঘর বাড়ী ভাংচুর, গাছকাটা, দা বাহীনি গঠন করে সাধারণ মানুষের জিম্মি করে চাঁদাবাজী, মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসানোরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী কালু হাজীর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঝাউডাঙ্গা ব্যুরো : সদর উপজেলার ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ছয়ঘরিয়ায় টিআর কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন মাটির রাস্তার উদ্বোধন করা হয়েছে। ইউপি সদস্য মো. শরিফুজ্জামান ময়নার তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির মাধ্যমে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ছয়ঘরিয়ার ঐতিহ্যবাহী জোড়া শিব মন্দির সংলগ্ন আব্দুল খালেক সরদারের বাড়ি হতে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের বাড়ি পর্যন্ত ১লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৫শত ফুট মাটির রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৮নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মির্জা আব্দুল গফ্ফার, সহ-সভাপতি এস.এম ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী হায়দার, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র নিজস্ব প্রতিবেদক জি. এম আবুল হোসাইন সহ স্থানীয় আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ডেস্ক : সোমবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদচন্ডিপুর গ্রামে বাল্য বিয়ে দেওয়া হচ্ছে খবর শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান।
কনে সীতা মন্ডল(১৫) ধানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। কনের বাবা, মা ও আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা গ্রহণ করেন এবং স্থানীয়দেরকে বাল্য বিয়ে নিরোধে নিরুৎসাহীমুলক পরামর্শ প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদক্ষেপ কে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে শেষ হলো শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। সোমবার বিকালে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা জেলা মন্দির প্রাঙ্গণে জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ জেলা শাখার আয়োজনে ও জেলা মন্দির সমিতির সার্বিক সহযোগিতায় আলোচনা সভায় জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, শ্যাম সুন্দর মন্দির ইসকন সাতক্ষীরার অধ্যক্ষ পরম পুরুষ কৃষ্ণদাস ব্রক্ষ্মচারী, জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, জয় মহাপ্রভূ সেবক সংঘ জেলা শাখার সহ-সভাপতি এড. সোমনাথ ব্যানার্জী, গৌষ্ঠ বিহারী মন্ডল, হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, স্বামী বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংস্কৃকি পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার শীল প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডা. প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুর-ই আলম মুকুল, নিত্যানন্দ আমিন, প্রকাশ চন্দ্র দাস, প্রকাশ কুমার নাথ, বাসু দেব, মিলন, সুমন অধিকারী প্রমুখ। পরে জেলা মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে রথ নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে আবার মন্দির প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রঘুজিৎ গুহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রয়াত আলহাজ্ব এম মহিদুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা আ. লীগের আহবানে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা আ. লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ এর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। আলোচক হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন স্মরণ সভা উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, জেলা আ. লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রয়াত জননেতা এম মহিদুল হক জেলাব্যাপী বিশাল ভূমিকা রেখেছেন। একজন পরিচ্ছন্ন নেতা ছিলেন তিনি। তাঁর জ্ঞান ছিল অসাধারণ। তিনি শুধু রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি সাহিত্য, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়াসহ বহু ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে মহিদুল হক সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। প্রয়াত জননেতা এম মহিদুল হক ছিলেন একজন ত্যাগী, সাহসী, পরিশ্রমী নেতা। যার অবদান কখনো ভুলে যাবার মত নয়। দলের যে কোন দুঃসময়ে সাহসীকতার সাথে মোকাবেলা করে এই দলকে সুসংগঠিত করেছিলো। আজ আমাদের মাঝে জননেতা এম মহিদুল হক না থাকলেও, উনার নীতি, নৈতিকতা, আদর্শ আমাদের স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন।”
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পিপি এড. ওসমান গণি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এড. স.ম গেলাম মোস্তফা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, এড. আজহারুল ইসলাম, ডা. মুনসুর আহমেদ, আব্দুল হামিদ, জেলা বঙ্গবন্ধূ পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, প্রয়াত মহিদুল হকের ভাই মো. এমদাদুল হক, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎন্সা আরা, যুবলীগ নেতা খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, শেখ শফি উদ্দিন সফি, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী এড. ফরিদা আক্তার বানু, এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত এম মহিদুল হকের পত্মী সাহানা মুহিদ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকি, বাংলাদেশ স্থল বন্দর শ্রমিক ফেডারেশন ভোমরা শাখার সভাপতি মীর মহি আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. আজিবুর রহমান আলিম, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস.এম রেজাউল ইসলাম, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজহার আলী শাহিন, সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান, জেলা তরুণলীগের সভাপতি শেখ তৌহিদুজ্জামান চপল, পৌর ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপকি কাজী আক্তার হোসেন, ওজোপাডিকো’র সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র দাস, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুর-ই আলম মুকুল প্রমুখ। স্মরণ সভায় দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয় এবং আওয়ামীলীগের প্রয়াত নেতাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।
এসময় জেলা আওয়ামীলীগ, উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ এবং আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আগামী ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কলারোয়া উপজেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান (মন্ময় মনির) সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে (তালা- কলারোয়া) সংসদ সদস্য পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। এলক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনসংযোগ করে আসছেন। তিনি তালা কলারোয়ার জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণসহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সমর্থন কামনা করেন। তিনি চান সৎ যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক। অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মান হোক। তালা কলারোয়াবাসীর সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হোক। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কলারোয়া সরকারি কলেজ শাখা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি। ১৯৯৮ সালে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকার ন্যাশনাল প্যারেড স্কোয়ারে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর প্যারেড ক্যাডেট এ্যাডজুটেন্ট হিশেবে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। তিনি একজন সংস্কৃতিকর্মী ও আবৃত্তিকার। দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা এবং সাতক্ষীরার সাহিত্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তি হিশেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

থানকুনি পাতা দেশের সব জায়গায়ই পাওয়া যায়। এটি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। অনেক রোগের উপশম মেলে এর ভেষজ গুণ থেকে। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়। এই হলো থানকুনি পাতার প্রাথমিক পরিচিতি। থানকুনির ভেষজ গুণাবলি ছাড়াও অনেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি রোপণ করে, তাছাড়া থানকুনি দিয়ে অনেক সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার তৈরি করা যায়। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে।

থানকুনি পাতা কুচি কুচি করে কেতে মরিচ, রসুন, লবণ মিশিয়ে বাটায় বেটে নিলেই ভর্তা প্রস্তুত হয়। থানকুনি পাতা শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। ভর্তা করে বা কাঁচা পাতা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। থানকুনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ।

থানকুনি পাতা সকল ধরনের পেটের রোগের মহৌষধ। পাতা বেটে ভর্তা করে বা ঝোল করে খেলে বদহজম, ডায়রিয়া, আমাশয় ও পেটব্যথা সেরে যায়।

আলসার এগজিমা, হাঁপানি, চুলকানি ও অন্যান্য চর্মরোগ সারাতে থানকুনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

থানকুনি পাতার নানা ভেষজ গুণ আছে। নিয়মিত থানকুনির রস খেলে ত্বক ও চুল সুন্দর থাকে। জ্বর পেটের পিড়া, আমাশয়য়, আলসার, বাতের বাথা বিভিন্ন অসুখের ওষুধ হিসেবে এটির ব্যাবহার রয়েছে।

থানকুনি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। সংবহনতন্ত্রের স্থায়ীভাবে স্ফীত ও বর্ধিত শিরা কমাতে সহায়তা করে।

থানকুনি পাতা চামড়া মসৃণ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে পুণর্গঠনে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিংক বা দস্তা আমাদের শরীরের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। সুস্থ শরীরে অতি সূক্ষ্ম পরিমাণে জিংক বিদ্যমান থাকে। এর উপস্থিতি ও গ্রহণের ক্ষমতা প্রাকৃতিকভাবেই নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের এক লাখ বা সমপরিমাণ আমিষের মধ্যে তিন হাজার আমিষই জিংক ধারণ করে এবং তিনশোর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনার জন্য জিংকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। রক্তের লোহিত কণিকা, শ্বেতকণিকা, চোখের রেটিনা, হাড়, ত্বক, কিডনি, যকৃৎ, অগ্ন্যাশয়, লালা গ্রন্থি ও প্রোস্টেট গ্রন্থিতে জিংক সঞ্চিত থাকে।

জিংকের অভাবে ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও কনজাংকটিভার প্রদাহ, পায়ে বা জিহ্বায় ক্ষত, একজিমা, ব্রণ বা সোরিয়াসিস-জাতীয় ত্বকের প্রদাহ, ছত্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণজনিত অসুস্থতা এবং শরীরের ক্ষত শুকাতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়। রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রকে উজ্জীবিত করে তুলে জিংক এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে, জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থেকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীরের কোষকলাকে ফ্রি-রেডিকেলের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এবং ক্ষতের সুস্থতা ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন ২০ মিলিগ্রাম করে ১০ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত (ছয় মাসের চেয়ে কমবয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন ১০ মিলিগ্রাম) সম্পূরক জিংক গ্রহণের সুপারিশ করে। গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে। দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুরের ডাল, চিনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন, ঝিনুক এবং এ থেকে তৈরি মাখনেও জিংক রয়েছে। এখন অবশ্য জিংকের সম্পূরক হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও রয়েছে। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য রক্ষায় জিংকের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে এখনো তেমন সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তাই এ ব্যাপারে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এবার আসুন জেনে নেয়া যাক আমাদের শরীরে জিংকের উপকারিতা সম্পর্কে-

১. লালা গ্রন্থির জিংক নির্ভর পলিপেটাইড, গাসটিন এর মাধ্যমেই স্বাদের অনুভূতি পাওয়া যায়। কাজেই যদি জিংক এর অভাব থাকে তবে স্বাদ বোঝার ক্ষমতা কমে যায় অর্থাৎ রুচি কমে যায়। তাই জিংক রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।

২. কিছু হরমোন যেমন: গ্লুকাগন, ইনসুলিন, গ্রোথ হরমোন এবং সেক্স হরমোন এর কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩. জিংক এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা পোল্ট্রীর দৈহিক বৃদ্ধি, হাঁড়ের বৃদ্ধি, পালক বিন্যাস, এনজাইমের গঠন ও তার কাজ এবং রুচি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪. কেরাটিন তৈরি ও তার পরিপক্কতা, ক্ষত সারানো, আবরনি কোষের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজের দ্বারা জিংক ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest