সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

NKXRXg_greenস্বাস্থ্য ও জীবন : পরছে গরম। লাগছে চরম। গরম ভাল লাগে এমন মানুষ আমাদের দেশে আছে সেটা বোধহয় ভাবা ঠিক হবেনা। এই গরমে একটু অসচেতন হলেই হতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক-এগুলো গরমের খুব প্রচলিত সমস্যা। ছাতিফাটা গরমে ডিহাইড্রেশন? শরীরের নুন-জল ঘাম হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে? গ্যাস, অম্বল, পেট খারাপে নাজেহাল দশা? প্রতিদিন ডাবের জল মাস্ট। সুস্থ থাকবে হার্ট, কিডনি। কমবে ওজন। কমাবে বয়স। স্কিন থাকবে টানটান।
কচি ডাবের কেরামতিতে মাত্র সাত থেকে সত্তর। ব্লাড প্রেশার কমায়। হার্ট টনিকের কাজ করে। হ্যাংওভার কাটায়। মাথাব্যথার মহৌষধ। ওজন কমায়। বয়স কমায়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কচি ডাবের জল। চাঁদিফাটা এই গরমে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে একগ্লাস কচি ডাবের জল। যাতে রয়েছে ভিটামিন।
কচি ডাবের জলে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম, ই-কমপ্লেক্স ভিটামিন, ভিটামিন ঈ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্ক। ডাবের জলের প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়। প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে কিডনির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ডাবের জল। বিভিন্ন খাবার এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস পেটে ঢোকে, সেগুলো মারতে একগ্লাস ডাবের জলই যথেষ্ট।
বমি হলে রক্তে পটাসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়। ডাবের জল সেই ঘাটতি পূরণ করে। তাই অতিরিক্ত গরমে ডিহাইড্রেশন, ডায়েরিয়া, বমির জন্য ডাবের জল খুব উপকারি। এতে জলের পরিমাণ থাকে ৯৪ শতাংশ। তাই ত্বকের সৌন্দর্যরক্ষায়, পুরো দেহের শিরা-উপশিরায় সঠিকভাবে রক্ত চলতে সাহায্য করে। দেহে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়ে। প্রতিটি অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত পৌছয়। ফলে পুরো দেহ হয়ে ওঠে সতেজ ও শক্তিশালী। ডাবের জল চুলের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এতে কোনও চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। প্রচুর খনিজ উপাদান থাকায় বাড়ন্ত শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবার জন্য ডাবের জল উপকারি।
তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ডাবের জল খাওয়ার কিছু বিধিনিষেধ আছে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেই ডাবের জল খাওয়া উচিত। কিডনিতে পাথর রয়েছে বা ডায়ালিসিস চলছে, এমন রোগীদের ডাবের জল খাওয়া নিষেধ। কারণ, উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

education_24420কলারোয়া ডেস্ক : ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। কিন্তু সেই খুশির ঈদ আনন্দ অনেকটা ম্লান হয়ে পড়েছে কলারোয়া উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের। এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা নামমাত্র বোনাস পেলেও মূল বেতন-বোনাস না পাওয়ায় ঈদেরর খুশি-আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা। দিনের পর দিন বেতনভাতা না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এসকল শিক্ষক সমাজ। সেই আর্তনাদে যোগ হয় ঈদ-পার্বনের সময়।
উপজেলার শিক্ষকদের প্রতিবাদ, ফরিয়াদ কিংবা আর্তনাদ-কোনটাই শুনবার যেন কেউ নেই। এত স্মারকলিপি, মানববন্ধন, সভা, সমাবেশ, কিছুতেই আজও কারো কর্ণপাত নেই, নেই কোন কার্যকর প্রদক্ষেপ নেয়ারও।
একজন শিক্ষকের কথা লক্ষ মানুষে শুনে থাকে। লক্ষ শিক্ষকের কথা এক-দু’জন মানুষে শোনে না! শোনে না তাদের বেতন-বোনাস না পাওয়ার আর্তনাদ।
পৃথিবীর আর কোনো দেশে শিক্ষকরা এত নিগৃহীত কীনা সন্দেহ। আশ্চর্য একমাত্র আমাদের শিক্ষকদের যত দুর্দশা ও দুর্ভোগ।
নন-এমপিও অনেক শিক্ষক বিনা বেতনে শিক্ষকতা করেন। দিনের পর দিন পাঠদান করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিচ্ছেন, সেই শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি চাকরি কিংবা ব্যবসা করে আয় রোজগার করছেন কিন্তু শিক্ষকরা বিনা বেতনে রয়েছেন এখনো। সেই কষ্টের সাথে বিষফোড়া হয়ে ওঠে ঈদের সময়।
এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা মাত্র ১হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫’শত টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং বেতনের ২৫% মাত্র ঈদে বোনাস পেয়ে থাকেন। তারা ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখি ভাতার জন্য শত আন্দোলন করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের হৃদয় এতটুকু বিগলিত হয় না।
চলতি রমজানের শেষে ঈদুল ফেতরের শুভাগমন। মুসলমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মীয় উৎসব। সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্তু দিনটি নিরানন্দে কাটে এখানকার বেসরকারি শিক্ষকদের। আনন্দের জায়গায় থাকে দীর্ঘশ্বাস। পরিজনের মুখে হাঁসি ফুটাতে না পারার কষ্ট।
আবার কারো কারো কোন বোনাসই নেই। কারো কারো সিকি বোনাস।
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, আর সেই শিক্ষাদানে যারা অবিরত পেশায় নিয়োজিত তারা বিনা বেতনে কিংবা বেতনভূক্ত হয়েও যতসামান্য বোনাসে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে বাধ্য হচ্ছেন। আনন্দের ঈদে মানসিক নিরানন্দে এমপিওভূক্ত ও নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা। এ দুঃখ কষ্টের শেষ কবে হবে বাংলাদেশে তা যেন কেউ জানেন না। তবু আশার দোলাচলে এ সকল শিক্ষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Mpকলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০১ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফল্লাহ।
রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, কলারোয়া পৌরসভার মেয়র গাজী আক্তারুল ইসলাম, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আলহাজ্ব আবু নসর, কলারোয়া ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার আবুল হোসেন, কলারোয়া হাসপাতালের আরএমও ডা.শফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতির সভাপতি সাইফল্লাহ আজাদ, কলারোয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান, সেকেন্ড অফিসার ইয়াচিন আলম চৌধুরী, এসআই হাসানুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রকিব, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহকারী প্রধান শিক্ষক বদরুজ্জামান, পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা, শিক্ষক নেতা মোস্তফা বাকী বিল্লাহ শাহী, কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মন্জুরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ ক্লাবের সকল সদস্য।
দোয়া পরিচালনা করেন কলারোয়া থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা আসাদুজ্জামান ফারুকী। আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন আইনজীবী এড. কাজী আব্দুল্লাহ আল হাবিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Dhulihar News picture Disappeared-----17.06.17ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা পূর্বপাড়া গ্রামের মানসিক প্রতিবন্ধী মোমিনুর রহমান নিখোঁজ হয়েছে। সে মোঃ গাউস মোড়লের পুত্র। তার বয়স ১০ বছর। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। মোমিনুর রহমানের গায়ের রং-শ্যামলা, মুখমন্ডল-গোলাকার, উচ্চতা-অনুমান ৪ ফুট, শরীর স্বাস্থ্য-মাঝারি, পরনে ছিল খয়েরি রংয়ের হাফ প্যান্ট ও খয়েরি রংয়ের গেঞ্জি। তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা থানার জি,ডি,নং-৯১৫, তাং-১৭/০৬/১৭ ইং। মোমিনুর রহমানের কোন খোঁজ পেলে এই মোবাইল ০১৭৭৮-৯৫৬৭৩৩ নম্বরে জানানোর জন্য তার পিতা সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

NAZRULনিজস্ব প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের আলোচিত সেই জায়গা অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তিন ব্যবসায়ী ফিরে পেয়েছে। গত বুধবার দুপুরে জায়গা ফিরে পেয়ে ঐ তিন ব্যবসায়ী নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক তহশীলদার রফিকুল ইসলামের যোগসাজসে সাবেক সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা পারভীনকে ভুল বুঝিয়ে গত ইং ৫/০৯/২০১৬ তারিখে তরকারী বাজার থেকে ৫ ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেতকৃত ব্যবসায়ীরা হলো ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের মৃত শুকুর আলী গাজীর পুত্র মো: কেরামত আলী, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী গাজীর পুত্র মো: সাজ্জাত হোসেন, ধুলিহর বালুইগাছা গ্রামের মৃত অধর চন্দ্র পালের পুত্র বীরেন্দ্র নাথ পাল, কাজীরবাসা গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র আনারুল ইসলাম ও একই গ্রামের মৃত বাকের আলী সরদারের পুত্র মো: ময়নুদ্দীন।
অভিযোগ আছে, নায়েব রফিকুল ইসলাম ওই সমস্ত অস্থায়ী দোকান ঘর বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে কয়েকজন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে গ্যাড়াকলে পড়ে সবার টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করে নায়েব রফিকুল। এ সব কিছুর যথেষ্ট প্রমাণ ও রয়েছে। এসব ঘটনার জের ধরে ওইসব ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে ধুলিহর তহশীলদার। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই জায়গা দখলে নিতে নায়েবের সাথে যোগসাজস করে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির কতিপয় ৩ কর্মকর্তা। এতেও নায়েব রফিকুল মোটা অংকের টাকার ফায়দা লোটে। এরই ফলশ্রুতিতে ওই জায়গা থেকে ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। এসব বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে নায়েব রফিকুলকে গত ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী করা হয়। এদিকে ওই ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের পর তারা পুনরায় জায়গা ফিরে পেতে বিভিন্ন মহলে ধর্না দিতে থাকে। এরই মধ্যে উচ্ছেদকৃত জায়গায় সরকারি আইন অমান্য করে লাল ফিতা ছিড়ে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম ও কোষাধ্যক্ষ শেখ ফারুক হোসেন মিলে ৪ ব্যবসায়ীকে বসিয়ে দেয়। এদের মধ্যে ২ জন পূর্বে উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে। তবে সরকারি উচ্ছেদকৃত জায়গায় বসিয়ে দেওয়ার শর্তে ৩ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাজার কমিটির ওই ৩ কর্মকর্তা ৬০ হাজার হাজার টাকা গ্রহন করেছে বলে লিখিত স্বীকারোক্তি রয়েছে। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জায়গা না দিয়ে অন্যের কাছে এসব জায়গা বরাদ্দ দেওয়ায় বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিজেদের দখলীয় জায়গা বঞ্চিত হওয়ায় জায়গা ফিরে পেতে প্রকৃত ব্যবসায়ী সাজ্জাত, কেরামত ও বীরেন্দ্র নাথ পাল প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেয়। এতে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে শেষমেষ তারা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের দ্বারস্থ হয়। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ী ও উচ্ছেদকৃত জায়গার মালিকদের বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে একাধিকবার সুপারিশও করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। সর্বশেষ গত ৯ জুন জায়গা বঞ্চিত ওই ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা জানালে তাৎক্ষনিক বিষয়টি অতি দ্রুত নিষ্পত্তি ও সমাধানের জন্য ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলামের উপর দায়িত্ব দেন। গত বুধবার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান জায়গা সংক্রান্ত জড়িত উভয়পক্ষকে ডেকে শুনা-বুঝা করলে জায়গাটি উচ্ছেদকৃত ওই ৩ ব্যবসায়ীর বলে নিশ্চিত হয়। এ সময় চেয়ারম্যান জায়গার প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীদের উক্ত জায়গায় ব্যবসা করার নির্দেশ দেন। বাজারের অধিকাংশ দোকানদার উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ীরা জায়গা ফিরে পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ ও সাধুবাদ জানিয়েছে। এদিকে চেয়ারম্যানের নিকট উপস্থিত লোকজনের সামনে ব্যবসায়ী অরবিন্দু মন্ডল, আনারুল ইসলাম ও ময়নুদ্দীন জানায়, তারা এই ৩ জনে মিলে বাজার কমিটির নেতা রশিদ, ছালাম ও ফারুকের কাছে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা দিয়েছে। অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে বসানো হয়েছিল। এ ব্যাপারে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম জানান, টাকা লেন-দেন হয়েছে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে এটা ঠিক, কিন্তু সেটি তৎকালীন নায়েব নিয়েছে, আমরা শুধু মাধ্যম ছিলাম। ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস এম শহিদুল ইসলাম জানান, টাকা লেন-দেনের ব্যাপারে তারা নিজেরা পরিষদে এসে স্বীকারোক্তিসহ লিখিত দিয়েছে। জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মীমাংসা হয়ে গেছে। টাকা লেন-দেন নিয়ে পরে নিষ্পত্তি করা হবে। এদিকে উচ্ছেদকৃত ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে জায়গা ফিরে পেয়ে আনন্দ ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

umij653w20160103170814নিজস্ব প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর নিমতলার চোরাঘাটটি জেলার শীর্ষ চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কোমরপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে ৪০০গজ দক্ষিণের এই চোরা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য নির্বিঘেœ পারাপার করছে চোরাকারবারিরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রশাসন নীরব থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালানীরা।
দেবহাটার কোমরপুর নিমতলা চোরাঘাট দিয়ে প্রতিরাতে হাজার হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ভারতীয় মদ, গার্মেন্টস সামগ্রী, থ্রি-পিচ, শাড়ি, প্যান্ট শার্টের পিচ ও নিম্মমানের গলদার রেনু ভারত থেকে পাচার হয়ে আসছে। বাংলাদেশ থেকে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, গার্মেন্টস সামগ্রী, পিতল কাসা, পাবদা, কৈ, জেল মাছের পোনা ভারতে পাচার হচ্ছে। প্রতি রাতে ট্রাক, পিকআপে করে এইসব পণ্য নিমতলা ঘাট দিয়ে সতের থেকে বিশটি নৌকায় করে পারাপার করছে সত্তর জনের একটি চোরাচালান সিন্ডিকেট। এলাকাবাসী বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বৃহৎ চোরাচালানী হচ্ছে।
আলিপুর নাথপাড়া এলাকায় বিজিবি হত্যার অন্যতম চার্জশিটভুক্ত আসামি এক ইউপি মেম্বর ও তার ভাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভূক্ত শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারী, এদের নেতৃত্বে সত্তর জনের এই সিন্ডিকেট নির্বিঘেœ চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেট এর অন্যতম সদস্য ইউপি মেম্বরের মামাত ভাই গয়েষপুর গ্রামের আনারুলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিজিবিকে ম্যানেজ করার এবং ভারত থেকে যে নিম্মমানের চিংড়ি পোনা (ছাটি) পাচার হয়ে আসছে সেগুলো কুলিয়া ও পারুলিয়ার মৎস্যশেডে নির্বিঘেœ পৌছে দেয়া। বাংলাদেশ থেকে যে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও গার্মেন্টস সামগ্রী ভারতে পাচার হয় এবং ভারত থেকে যে থ্রিপিচ, শাড়ি, প্যান্ট ও শার্টের পিচ, মাদকদ্রব্য পাচার হয়ে আসে এর দায়িত্বে আছে ঐ ইউপি মেম্বরের ভাই শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারি। শহরের আলিশান বাড়িতে বসবাস করে জেলার রাজনৈতিক নেতাদের ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সবার মাথার উপর ছড়ি ঘুরিয়ে নির্বিঘেœ প্রতিরাতে লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য পারাপার করছে।
গয়েষপুর গ্রমের আনারুলের সাথে মোবাইলে কথা বললে সে জানায়, আমি অন্য কোন পণ্য পারাপারের সাথে জড়িত নয় শুধু চিংড়ি পোনা পারাপারের সাখে জড়িত। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই পোনা পাচারের ব্যবসা করে আসছি। সিন্ডিকেট প্রধান বিজিবি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ঐ ইউপি মেম্বর আমার ফুফাত ভাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পূর্নবাসিত ভিক্ষুকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ইফতারপূর্ব নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ম্যানেজারসহ প্রায় শতাধিক পূর্নবাসিত ভিক্ষুকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের মুয়ার্জ্জিন হাফেজ মহিবুল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC044নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ২১তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজনদের  সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ২১ রমজান শহরের অভিজাত চায়না বাংলা রেস্টুরেন্টে-এ সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ইফতারের আগে তিনি প্রতিটি  টেবিল ঘুরে ঘুরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে কুশল বনিময় করেন এবং উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ইফতার মাহফিলে অংশ নেন- সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, এনএসআই’র উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকি, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, একি মিত্র চাকমা, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, জেলা সুপার আবু জাহেদ, জেলা মহিলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোন্সা আরা, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম খান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মীর তানজীর আহমেদ, পৌর কাউন্সিলর অনিমা রাণী ম-ল, কাজী ফিরোজ হাসান, শাহীনুর রহমান শাহিন, এপিপি তামিম আহমেদ সোহাগ, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদুসহ সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদ, শহিদ জাতীয় চার নেতা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest