স্বাস্থ্য ও জীবন : পরছে গরম। লাগছে চরম। গরম ভাল লাগে এমন মানুষ আমাদের দেশে আছে সেটা বোধহয় ভাবা ঠিক হবেনা। এই গরমে একটু অসচেতন হলেই হতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ। পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক-এগুলো গরমের খুব প্রচলিত সমস্যা। ছাতিফাটা গরমে ডিহাইড্রেশন? শরীরের নুন-জল ঘাম হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে? গ্যাস, অম্বল, পেট খারাপে নাজেহাল দশা? প্রতিদিন ডাবের জল মাস্ট। সুস্থ থাকবে হার্ট, কিডনি। কমবে ওজন। কমাবে বয়স। স্কিন থাকবে টানটান।
কচি ডাবের কেরামতিতে মাত্র সাত থেকে সত্তর। ব্লাড প্রেশার কমায়। হার্ট টনিকের কাজ করে। হ্যাংওভার কাটায়। মাথাব্যথার মহৌষধ। ওজন কমায়। বয়স কমায়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কচি ডাবের জল। চাঁদিফাটা এই গরমে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে একগ্লাস কচি ডাবের জল। যাতে রয়েছে ভিটামিন।
কচি ডাবের জলে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম, ই-কমপ্লেক্স ভিটামিন, ভিটামিন ঈ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্ক। ডাবের জলের প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়। প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে কিডনির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ডাবের জল। বিভিন্ন খাবার এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস পেটে ঢোকে, সেগুলো মারতে একগ্লাস ডাবের জলই যথেষ্ট।
বমি হলে রক্তে পটাসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়। ডাবের জল সেই ঘাটতি পূরণ করে। তাই অতিরিক্ত গরমে ডিহাইড্রেশন, ডায়েরিয়া, বমির জন্য ডাবের জল খুব উপকারি। এতে জলের পরিমাণ থাকে ৯৪ শতাংশ। তাই ত্বকের সৌন্দর্যরক্ষায়, পুরো দেহের শিরা-উপশিরায় সঠিকভাবে রক্ত চলতে সাহায্য করে। দেহে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়ে। প্রতিটি অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত পৌছয়। ফলে পুরো দেহ হয়ে ওঠে সতেজ ও শক্তিশালী। ডাবের জল চুলের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এতে কোনও চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। প্রচুর খনিজ উপাদান থাকায় বাড়ন্ত শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবার জন্য ডাবের জল উপকারি।
তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ডাবের জল খাওয়ার কিছু বিধিনিষেধ আছে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেই ডাবের জল খাওয়া উচিত। কিডনিতে পাথর রয়েছে বা ডায়ালিসিস চলছে, এমন রোগীদের ডাবের জল খাওয়া নিষেধ। কারণ, উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

কলারোয়া ডেস্ক : ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। কিন্তু সেই খুশির ঈদ আনন্দ অনেকটা ম্লান হয়ে পড়েছে কলারোয়া উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের। এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা নামমাত্র বোনাস পেলেও মূল বেতন-বোনাস না পাওয়ায় ঈদেরর খুশি-আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা। দিনের পর দিন বেতনভাতা না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন এসকল শিক্ষক সমাজ। সেই আর্তনাদে যোগ হয় ঈদ-পার্বনের সময়।
কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা পূর্বপাড়া গ্রামের মানসিক প্রতিবন্ধী মোমিনুর রহমান নিখোঁজ হয়েছে। সে মোঃ গাউস মোড়লের পুত্র। তার বয়স ১০ বছর। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। মোমিনুর রহমানের গায়ের রং-শ্যামলা, মুখমন্ডল-গোলাকার, উচ্চতা-অনুমান ৪ ফুট, শরীর স্বাস্থ্য-মাঝারি, পরনে ছিল খয়েরি রংয়ের হাফ প্যান্ট ও খয়েরি রংয়ের গেঞ্জি। তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা থানার জি,ডি,নং-৯১৫, তাং-১৭/০৬/১৭ ইং। মোমিনুর রহমানের কোন খোঁজ পেলে এই মোবাইল ০১৭৭৮-৯৫৬৭৩৩ নম্বরে জানানোর জন্য তার পিতা সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের আলোচিত সেই জায়গা অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তিন ব্যবসায়ী ফিরে পেয়েছে। গত বুধবার দুপুরে জায়গা ফিরে পেয়ে ঐ তিন ব্যবসায়ী নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক তহশীলদার রফিকুল ইসলামের যোগসাজসে সাবেক সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা পারভীনকে ভুল বুঝিয়ে গত ইং ৫/০৯/২০১৬ তারিখে তরকারী বাজার থেকে ৫ ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেতকৃত ব্যবসায়ীরা হলো ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের মৃত শুকুর আলী গাজীর পুত্র মো: কেরামত আলী, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী গাজীর পুত্র মো: সাজ্জাত হোসেন, ধুলিহর বালুইগাছা গ্রামের মৃত অধর চন্দ্র পালের পুত্র বীরেন্দ্র নাথ পাল, কাজীরবাসা গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র আনারুল ইসলাম ও একই গ্রামের মৃত বাকের আলী সরদারের পুত্র মো: ময়নুদ্দীন।
নিজস্ব প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর নিমতলার চোরাঘাটটি জেলার শীর্ষ চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কোমরপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে ৪০০গজ দক্ষিণের এই চোরা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য নির্বিঘেœ পারাপার করছে চোরাকারবারিরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রশাসন নীরব থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালানীরা।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পূর্নবাসিত ভিক্ষুকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ইফতারপূর্ব নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ম্যানেজারসহ প্রায় শতাধিক পূর্নবাসিত ভিক্ষুকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের মুয়ার্জ্জিন হাফেজ মহিবুল্লাহ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ২১তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজনদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।