সর্বশেষ সংবাদ-
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণবৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসির

শ্যামনগর ব্যুরো : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ৯ নং ওয়ার্ডের (শ্যামনগর) স্থগিতকৃত কেন্দ্রটির উৎসব মুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৩ জুলাই শ্যামনগর উপজেলা হলরুমে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সদস্যাগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ৬ জন প্রার্থীদের মধ্যে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুকুল (তালা প্রতীক) ২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রমজাননগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ফজলুল হক মোড়ল (হাতি প্রতীক) ১৪ ভোট, রেজাউল করিম (অটো রিকশা) ১১ ভোট, মল্লিক ফজলুল হক (টিউবওয়েল) ৫ ভোট এবং আকবর কবীর (ক্রিকেট ব্যাট) ৩ ভোট পেয়েছেন। প্রাপ্ত ভোটে ৯টি ভোট বাতিল হয়। অপর দিকে মহিলা সংরক্ষিত সদস্য পদে রোজিনা কান্টু (দোয়াত কলম) ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া, শ্যামনগর সদর, নুরনগর, রমজাননগর ও কৈখালী ইউনিয়নের ৬৫ জন জন প্রতিনিধির মধ্যে ৬৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটার তালিকার জটিলতার কারণে এ কেন্দ্রটির নির্বাচন দীর্ঘদিন যাবৎ স্থগিত ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সিনিয়র সচিব হলেন ৪ জন

কর্তৃক Daily Satkhira

প্রশাসনের চার সচিবকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত্র প্রজ্ঞাপন জারি করে।
উপসচিব সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতি পাওয়া সিনিয়র সচিবদের মধ্যে রয়েছেন সাভারের বিপিএটিসি’র রেক্টর (সচিব) ড. এম আসলাম আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, ও সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। পদোন্নতি পাওয়া সিনিয়র সচিবদের আগের পদেই পদায়ন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রায় আট মাস পর আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ড. শাম্মী আহমদকে মনোনীত করা হয়েছে।

২০১৬ সালের শেষের দিকে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের পর শাম্মী আহমেদ দলের কার্যনির্বাহী সদস্য মনোনীত হন। এবার তাকে পদোন্নতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পাদক করা হয়। আওয়ামী লীগের তিন জন কেন্দ্রীয় নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখনও সভাপতিমণ্ডলীর  তিন সদস্য  ও  অন্য দুটি  সদস্য পদ ফাঁকা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি তার ফেসবুকে শাম্মীকে অভিনন্দন জানিয়ে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন।
শাম্মী আহমেদ আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের উপদেষ্টা ছিলেন। সম্প্রতি তাকে জেনেভায় বদলি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে। আমার বাবা (মহিউদ্দিন আহমেদ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। তিনি দীর্ঘ দিন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। আমি শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করার জন্য দেশে ফিরে এসেছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে হিন্দু তীর্থক্ষেত্র অমরনাথ থেকে পূজা শেষ করে ফেরার পথে গত সোমবার জঙ্গিদের হামলায় সাত জন তীর্থযাত্রী নিহত হওয়ার পর এর নিন্দায় সরব হয়েছেন ভারতশাসিত কাশ্মীরের হিন্দু-মুসলমান সহ সব ধর্মের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা সবাই।

এমনকি যাঁরা কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতার জন্য আন্দোলন করছেন, সেই সব নেতারাও ওই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন।

তবে শ্রীনগরে বিবিসির সংবাদদাতা মাজিদ জাহাঙ্গীর লিখছেন, হিন্দুদের কাছে এই পবিত্র তীর্থস্থানের সঙ্গে মুসলমানদের নিবিড় সম্পর্ক বহু শতকের।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অতি পবিত্র তীর্থস্থান ভারতশাসিত কাশ্মীরের এই অমরনাথ গুহা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ দীর্ঘ পাহাড়ী পথ পেরিয়ে খুব কষ্ট করে পৌঁছান ওই গুহায়।

কিন্তু হিন্দু পুরাণে বর্ণিত অমরনাথ গুহা প্রায় ৫০০ বছর আগে খুঁজে বের করেছিলেন একজন মুসলমান মেষ পালক।

বুটা মালিক নামের ওই মেষ পালকের পরিবার তাই এখনও এই হিন্দু তীর্থযাত্রার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকেন প্রতি বছর।

তাঁর বংশধরেরা এখনও বাস করেন পহেলগাঁওয়ের কাছে বটকোট নামের একটি গ্রামে।

পরিবারের সপ্তম পুরুষ গুলাম হুসেইন মালিক বলছিলেন যে তাঁরা পারিবারিক ইতিহাস থেকেই জেনেছেন, কীভাবে বুটা মালিক খুঁজে পেয়েছিলেন অমরনাথ গুহা।

“ঘটনাটা শুনতে একেবারে পৌরাণিক কাহিনীর মতো। বুটা মালিক মেষ পালন করতেন। দূরের পাহাড়-পর্বতে ভেড়া-ছাগল চড়াতে যেতেন তিনি। সেই পর্যায়েই এক সাধুর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়” – বলছিলেন মালিক।

একবার প্রবল শীতের হাত থেকে বাঁচতে বুটা মালিক একটা গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সঙ্গে ওই সাধুও ছিলেন। ভেতরেও খুব ঠান্ডা লাগছিল বুটা মালিকের। তখন ওই সাধু একটা কাঙ্গরি দিয়েছিলেন বুটা মালিককে।

কাশ্মীরে শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানুষজন একটা ছোট ঝুড়ির মধ্যে কাঠকয়লার আগুন জ্বালিয়ে ঢোলা পোষাকের ভেতরে রেখে দেন। ওই ঝুড়িকেই কাঙ্গরি বলে।

গুলাম হুসেইন মালিক বলছিলেন, “সকালবেলায় বুটা দেখেছিলেন যে ওই কাঙ্গরিটা একটা সোনার কাঙ্গরি হয়ে গেছে।”

মালিকের পারিবারিক ইতিহাস বলছে, গুহা থেকে বের হতেই বুটা মালিক দেখেন সামনে অনেক সাধু-সন্তের একটা মিছিল চলছে। তাঁরা ভগবান শিবের খোঁজ করছিলেন ওখানে।

“বুটা ওই সাধু-সন্তদের জানান যে ভগবান শিবের সঙ্গে তাঁর একটু আগেই দেখা হয়েছে গুহার ভেতরে। সাধুদের তিনি গুহায় নিয়ে যান। দেখা যায় বরফের তৈরি এক বিশাল শিবলিঙ্গ রয়েছে, সঙ্গে পার্বতী আর গণেশও আছেন”- জানাচ্ছিলেন গুলাম হুসেইন মালিক।

ওই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই অমরনাথে তীর্থযাত্রা শুরু হয়।

তবে একটা সময়ে বেশ কয়েকজন সাধুসন্ত গুহার পাশ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। তখন সেখানকার মহারাজ রঞ্জিত সিং অমরনাথ যাত্রা বন্ধ করে দেন।

“আমরা তো মুসলমান। হিন্দুদের পূজা-পাঠের ব্যাপারে আমাদের পূর্বপুরুষরা কিছুই জানতেন না। যাত্রা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে পাশের গণেশ্বর গ্রাম থেকে কয়েকজন কাশ্মীরী পন্ডিতকে নিয়ে এসেছিলেন আমাদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁরাই অমরনাথে পূজা চালিয়ে যেতে থাকেন” – জানালেন মি. মালিক।

এখনও অমরনাথে তিন ধরনের মানুষ বাস করেন – কাশ্মীরি পন্ডিত, মালিক পরিবার আর সাধুসন্তরা।

এঁরাই অমরনাথ যাত্রার সূচনা করেন ‘ছড়ি-মুবারক’ শোভাযাত্রার মাধ্যমে।

যে গ্রামে মালিক পরিবার এখনও থাকেন, পহেলগাঁও এলাকার সেই গ্রামের নামও বুটা মালিকের নাম অনুসারেই – ‘বটকোট’।

“একসময়ে অমরনাথ তীর্থযাত্রীরা পায়ে হেঁটে আমাদের গ্রামে পৌঁছাতেন। গ্রামের মহিলা, পুরুষ, বাচ্চা – সবাই মিলে তাঁদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। ছড়ি-মুবারক শোভাযাত্রা দেখতে গোটা গ্রাম অপেক্ষা করে থাকতো। মেয়েরা কাশ্মীরী গান গাইত। আমরাই হিন্দু তীর্থযাত্রীদের গুহায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতাম। আবার গুহা থেকে নেমে আমাদের গ্রামে এসে অনুমতি নিয়ে ফিরে যেতেন তীর্থযাত্রীরা। হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদ কখনোই ছিল না” – বলছিলেন মি. মালিক।

হিন্দু তীর্থযাত্রীরা যেহেতু অমরনাথ যাত্রার সময়ে আমিষ খান না, তাই মালিক পরিবারের সদস্যরা ওই সময়ে মাংস খান না।

সংস্কৃত ভাষায় কবি কল্হনের লেখা কাশ্মীরের ইতিহাস রাজতরঙ্গিনীতেও মালিক পরিবারের যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনই অমরনাথ যাত্রা নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় যে আইন পাশ হয়েছে, সেখানেও মালিক পরিবারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুও কাশ্মীরে গেলেই মালিক পরিবারের কথা স্মরণ করতেন।

কিন্তু বুটা মালিককে সেই সাধুর দেওয়া কাঙ্গরি – যেটা পরের দিন সোনার কাঙ্গরি হয়ে গিয়েছিল – সেটার খোঁজ আর পাওয়া যায়নি।

গুলাম হুসেইন মালিক জানাচ্ছেন, সেই সময়কার রাজারা কাঙ্গরিটা তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে নিয়ে নেন। তারপর থেকে সেটার আর কোনও খোঁজ নেই। বহু খুঁজেও পাওয়া যায়নি সেই সোনার কাঙ্গরি।

অমরনাথ যাত্রার সময়ে ভক্তদের দান করা অর্থের এক-তৃতীয়াংশ বুটা মালিকের পরিবার পেত।

“কিন্তু ২০০২ সালে অমরনাথ শ্রাইন বোর্ড তৈরি হওয়ার পর থেকে আমাদের পরিবারকে যাত্রার সবরকম কাজ থেকে দূরে রাখা হয়। আমাদের বলা হয়েছিল মুসলমানদের ওয়াকফ বোর্ডে তো কোনও হিন্দু নেই, তাই শ্রাইন বোর্ডে মুসলমান কী করে থাকে!” – বলছিলেন গুলাম হুসেইন।

পরিবারের আরেক সদস্য মালিক আফজাল বলছিলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষরা ভগবান শিবের দর্শন পেয়েছিলেন। অমরনাথ গুহায় পৌঁছানোর যে প্রথম কাঁচা রাস্তাটি ছিল, সেটিও বুটা মালিকই বানিয়েছিলেন। এখনও আমরা প্রতি বছর গুহায় যাই যাত্রীদের বিনামূল্যে ওষুধপত্র বিলি করতে। যাত্রীরাও পরম্পরা মেনে আমাদের বাড়িতে দেখা করতে আসেন।”

হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ঘোড়ায় অথবা ডুলিতে করে কঠিন পাহাড়ী পথ পাড়ি দিয়ে নিয়ে যান যারা, তাঁরাও সবাই স্থানীয় মুসলমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লাভগুরু’র প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন দেশের সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। এত দিন বিষয়টি অপ্রকাশিত থাকলেও প্রেমিকের জন্মদিনে তা প্রকাশ করলেন এই নায়িকা। দুজনে তাঁদের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসও পরিবর্তন করেন।
একটি এফএম রেডিওতে ‘লাভগুরু’ নামের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে নিজেকে লাভগুরু হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সাংবাদিক তামিম হাসান। এক বছর ধরে চুপিচুপি প্রেম করলেও এবার নায়িকার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ্যে চলে আসে। সিনেমায় আসার পর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের স্থিরচিত্র পোস্ট করে পরীমনি বেশ আলোচনায় ছিলেন। আংটিবদলের ছবি এবং প্রেম-বিয়েকেন্দ্রিক অনেক খবরই প্রকাশ পেয়েছে গণমাধ্যমে। কিন্তু কোনোটির ব্যাপারেই পরীমনি মুখ খোলেননি। এবার তিনি ফেসবুকে নিজের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করলেন।
পরীমনির শেষ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর প্রেমের বিষয়টি আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে প্রেমিকের জন্মদিনে নিজেই সম্পর্কের কথা প্রকাশ করলেন তিনি। তবে বিয়ে, সংসারের বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলেননি এই নায়িকা। ফেসবুকের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে লিখলেন, ইন আ রিলেশনশিপ উইথ…। পরীমনি তাঁর রিলেশনশিপ তথ্য বদলে ফেলার পাশাপাশি ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাসও লিখেন। ‘আজ বৃষ্টি রাতের এক বছর…’ এমন স্ট্যাটাসে ধারণা করা হচ্ছে, পরীমনি ও তামিমের প্রেমের বয়স (১২ জুলাই দিবাগত রাত) এক বছর পার করেছে।
এদিকে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলে পরীমনির ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, পরীমনির প্রেমিক তামিমের সঙ্গে একাধিক মডেল ও টিভি অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের বাজারে চাল না ছেড়ে অসাধুভাবে মজুদ করেছেন চাল কল মালিকরা। এতে করে বৃদ্ধি পেয়েছে চালের দাম। এমন অভিযোগে ১৬ হাজার চাল কল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করেছে সরকার। আগামী তিন বছর এসব চাল কল মালিকদের থেকে চাল না কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

বন্যার প্রভাবে চালের উৎপদন কমবে অনেক আগেই এমন আশঙ্কার পরও কেন এত দেরিতে চাল আমদানি করা হলো- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা যথাসময়ে চাল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমরা ট্যারিফ উঠিয়ে দেওয়ার জন্য আগেই চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কথা চিন্তা করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষকদের এক মণ চাল উৎপাদন করতে ৭০০ থেকে সাড়ে ৭০০ টাকা খরচ হয়। প্রধানমন্ত্রী ওই চিন্তাটাই করেছেন, যেন কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পায়। এজন্য তিনি ট্যারিফটা দেরিতে উঠিয়েছেন। ট্যারিফ ওঠানোর প্রভাবে চালের বাজার এখন নিম্নমুখী।

ভিয়েতনাম থেকে আড়াই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি অনুযায়ী ২০ হাজার মেট্রিক টনের প্রথম চালান চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের ২৪ তারিখে আরও এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন চাল আনা হবে। এ ছাড়া আগস্টে আরও সাড়ে চার লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার অপহরণ ইস্যু নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকা ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পুলিশ সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য গত ৩ জুলাই (সোমবার)ভোরে শ্যামলীর রিং রোড ১ নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রীকে মোবাইলে ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার ফোন করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্রাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পরেরিদন মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে আইনজীবীর মাধ্যমে নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে ‘নিজ জিম্মায়’ বাসায় ফেরার অনুমতি দেয়া হয়। আদালত থেকে বাসায় ফেরার পথে অসুস্থতা বোধ করলে তার পরিবার তাকে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করেন। এখন তিনি সেখােনেই রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন। এসময় তার চিকিৎসায় এগিয়ে আসার জন্য মুক্তামনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সে এই ধন্যবাদ জানায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ডা. জুলফিকার লেনিন মুক্তামনিকে দেখতে হাসপাতালে গেলে সে একথা বলে। দুপুর ১২টায় লেনিন মুক্তামনির কেবিনে যান এবং তাকে বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। আমি তার সঙ্গে কাজ করি। তুমি কি প্রধানমন্ত্রীর নাম জানো?’ তখন মুক্তামনি বলে, ‘জানি। ওনার নাম শেখ হাসিনা।’ জুলফিকার লেনিন তাকে বলেন, ‘তিনি তোমার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন। তুমি একদম চিন্তা করবে না। তুমি ভালো হয়ে যাবে। তোমার চিন্তার কোনও কারণ নেই।’ জবাবে মুক্তামনি বলে, ‘ওনাকে আমার ধন্যবাদ দেবেন।’
জুলফিকার লেনিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন। তার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধপত্র হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে। হাসপাতালে মুক্তামনির সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এর বাইরে পরিবারটির একান্ত ব্যক্তিগত খরচের জন্য হাতখরচ হিসেবে মুক্তামনির বাবা মো. ইব্রাহিম হোসেনের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো নগদ টাকাও দেওয়া হয়েছে।’ তিনি জানান, হাতখরচের টাকাগুলো ইব্রাহিম হোসেনের হাতে দেওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সম্প্রতি ডেইলি সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এমন সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই এগিয়ে এসেছেন মুক্তার চিকিৎসায়। সোমবার মুক্তামনির গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাকে সাতক্সীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হকের পক্ষ থেকে যাওয়া সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ড. তহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সোতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরা সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম ও আ ‘লীগ নেতা হাসান হাদীর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল। ওইদিন রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবারই শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল বুধবার তার চিকিৎসার খোঁজ নিতে ঢামেকে যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।পরে সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশন চলার এক ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তামনির চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন তিনি।

সাতক্ষীরার ১১ বছরের মুক্তামনির রোগ এখনও শনাক্ত করতে পারেননি চিকিৎসকরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট থেকে বুধবার (১২ জুলাই) জানানো হয়, মুক্তামনি চর্মরোগে আক্রান্ত। ডারমাল ভাসকুলার ম্যালফরমেশন, লিমফেটিক ম্যালফরমেশন, নিউরোফাইব্রোম্যাটোসিস, কনজেনিটাল হাইপারক্যারাটোসিস-এই চারটি চর্মরোগের মধ্যে যে কোনও একটা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক ডা. নাসিরও মুক্তামনির রোগটি হাইপারক্যারাটোসিস হতে পারে জানিয়ে্ আসছিলেন।
এ ব্যাপারে বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ড. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সময় মতো যদি মেয়েটির সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতো তাহলে আজ এ অবস্থা হতো না। তার হাতের ফাংশন ঠিক আছে। সে হাত মুঠি করতে পারে।কিন্তু তাকে অপারেশনের উপযোগী করে তুলতে ৭-১০ দিন সময় লাগবে। তার রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিজনিত সমস্যা রয়েছে।
মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার (১১ জুলাই) ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বুধবার (১২ জুলাই) তারা শিশুটিকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং তার চিকিৎসার ব্যাপারে সম্ভাব্য মতামত জানান। বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনি এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি আছে। তার এক হাত ফুলে গিয়ে দেহের চেয়েও ভারি হয়ে গেছে। চার বছর ধরে এই হাতের ‘বোঝা’ বয়ে বেড়াচ্ছে শিশুটি। শরীরের অসহ্য যন্ত্রণায় খেলাধুলা তো দূরের কথা, ঠিকমতো বসতেও পারে না মেয়েটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest