বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপুরুষ সত্যজিৎ রায় তাঁর রচিত চলচ্চিত্র-রচনা, আঙ্গিক, ভাষা ও ভঙ্গি প্রবন্ধে বলেছেন, নাটকের দ্বন্দ্ব, উপন্যাসের কাহিনী ও পরিবেশ বর্ণনা, সংগীতের গতি ও ছন্দ, পেইন্টিং সুলভ আলোছায়ার ব্যঞ্জনা এসবই চলচ্চিত্রে স্থান পেয়েছে। কিন্তু ইমেজ ও ধ্বনির যে ভাষা, দেখানো-শোনানোর বাইরে যার প্রকাশ নেই, সে একেবারে স্বতন্ত্র ভাষা। ফলে বক্তব্য এক হলেও ভঙ্গির তফাৎ হতে বাধ্য। এ ভঙ্গি চলচ্চিত্রের বিশেষ ভঙ্গি। তাই অন্য শিল্প-সাহিত্যের লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও চলচ্চিত্র অনন্য।
এমন অনন্য শিল্পের ধারক ও বাহক অথবা সব পর্যায়ের কুশীলব যাঁরা হন, তাঁদের জ্ঞানবুদ্ধি আর চিন্তা-চেতনাটা নিশ্চিতই হওয়া উচিত সমাজের আর পাঁচটা মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, বুদ্ধিদীপ্ত ও উচ্চমার্গীয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই চলচ্চিত্র পরিবারের সঙ্গে যুক্তরা সাধারণের কাছে তারকা খ্যাতিসম্পন্ন হন। তাঁদের একনজর দেখবার জন্য এবং তাঁদের কথা শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন সবাই। চলচ্চিত্র তারকাদের অঙ্গভঙ্গি, কথাবার্তা, স্টাইল, ফ্যাশন এবং চালচলন অনুসরণ করাটাও সাধারণের রোজকার অভ্যাস। কিন্তু চলচ্চিত্রের সেই মানুষরা যদি হোন বিপথগামী? তাঁদের আচরণ যদি হয় পাড়াগাঁওয়ের স্বার্থপর যাচ্ছেতাই মোড়লদের মতো? তবে বাংলা সিনেমার চিরায়ত সংলাপটা মনে করা ছাড়া আর গতি থাকে না, ‘ছেড়ে দে শয়তান!’
গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের ওপর হামলায় অভিযোগে চিত্রনায়ক রিয়াজ, খল অভিনেতা মিশা সওদাগর ও খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত সিনেমা হলে প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দিয়েছেন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা। কেউ কি কখনো ভাবতে পেরেছিলেন, একজন শিল্পী তাঁরই সহশিল্পী বা চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টের গায়ে হাত তুলতে পারেন? এই একটা উদাহরণই বাংলা চলচ্চিত্র পরিবারের এ সময়ের অধঃপতন ও নিমজ্জন প্রমাণে যথেষ্ট। কিন্তু ঘটনা কেবল এটা নয়। গেল কয়েক মাস ধরেই যৌথ প্রযোজনার ছবি ও দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) আলোকে কলকাতার সঙ্গে চলচ্চিত্র বিনিময় নিয়ে সিনেমাপাড়া বেশ সরগরম। একপক্ষ এসব চুক্তি মেনে কলকাতা থেকে আধুনিক নির্মাণশৈলীর সিনেমা এনে হলে প্রদর্শন করে দেশীয় সিনেমার বাজারকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন। আবার আমাদের এখান থেকে বিনিময়ে যেসব চলচ্চিত্র কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে, সেসব দেখবার রুচি সে দেশ বা এ দেশের দর্শকদের কারোরই নেই। এমন এক পরিস্থিতিতে যে যেভাবে পারছেন, একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। ফেসবুকে বা টেলিভিশনের লাইভ অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কুৎসা রটনা পর্যন্ত করছেন।
সিনিয়র অভিনেতাদের অসম্মান করে বক্তব্য দিচ্ছেন অনেকে। আবার সিনিয়ররা অনেককে আগুনে ঝাঁপ না দিতে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। সিনিয়র আর্টিস্ট মৌসুমীকে বয়স্ক বলেছেন মিশা সওদাগর। আর কী চাই? ওমর সানী নিজের রেস্টুরেন্টে বসে ফেসবুক লাইভে মিশাকে একহাত নিয়েছেন। অবস্থাটা এমন যে কেউ কারো কথাই সইতে পারছেন না।
চলচ্চিত্র শিল্পী বা পরিচালক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একে অপরকে ঘায়েল করার বিষয়টি এতটা খেলো দেখঅ গেছে যে তাতে অনুমান করা যায়, জাতীয় রাজনীতির নোংরা ধারাটা চলচ্চিত্র পাড়াতেও ভালোই সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু চলচ্চিত্রের মতো একটা শক্তিশালী শিল্পমাধ্যমের পরিবেশটা এভাবে এতটা কলুষিত হতে আছে? শিল্পীদের কি এমনতর ঝগড়া-কলহ-নোংরামি সাজে?
যে যেভাবে পারছে, যখন তখন যাকে তাকে বহিষ্কার করছে, এফডিসিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে। কারো মধ্যে এখন আর স্থৈর্য নেই, একে অপরের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধটুকু অবশিষ্ট নেই।
শিল্পীরা এতটা অহংকারী হয়ে উঠেছে যে নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে মানুষ বলেই গণ্য করছেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনেও অন্ধকারচর্চাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, তাঁদের সন্তান আব্রাম ও অপর নায়িকা বুবলীকে নিয়ে যে বাস্তবধর্মী সিরিওকমেডি গত কিছুদিন দেখল সবাই, তা যেকোনো ফিকশনধর্মী জটিল গ্রাম্য চলচ্চিত্র গল্পকেও হার মানিয়েছে। কিন্তু একজন নাগরিক শিল্পীর কি বাস্তবজীবনেও গ্রামীণ লোভী মাতবর সাজলে চলে?
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নিয়ন্ত্রণ যাদের হাতে তথ্য মন্ত্রণালয়, এফডিসি, সেন্সর বোর্ড, বাংলাদেশ টেলিভিশন, শিল্পী-পরিচালক-প্রযোজক সমিতি, তারা কি চলচ্চিত্র পরিবারের মূল্যবোধের এমন অবক্ষয়ের বিষয়টি টের পাচ্ছেন না?
শিল্পীদের তো মহত্ত্ব চর্চা করবার কথা, মহানুভব হয়ে উঠবার কথা। তিনি হবেন অনুসরণীয়, অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। কোথায় হারিয়ে গেল রাজ্জাক-কবরী, শাবানা-আলমগীর বা ববিতা-জাফর ইকবালদের আমল? পুঁজিবাদ আর সস্তা জনপ্রিয়তাই কি তবে সব গিলে খাচ্ছে। চলচ্চিত্র পরিবারের এই অবক্ষয়টাতে মিডিয়াও তাঁদের স্বার্থ বুঝে হাওয়া দিচ্ছে। শিল্পীরা যে নিজেরাই মারামারি-গালাগালি করে নিজেদের অধঃপাতে নিয়ে যাচ্ছে, এ নিয়ে কারো মুখে কোনো রা নেই। কোনো সুশিক্ষিত বা স্বশিক্ষিত মানুষ কি আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারে নেই?
এমন এক হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে ভালো চলচ্চিত্র আশা করা যায় কি? এখনো চলচ্চিত্রের আবেদন সব শিল্পের ওপরে। বৈশ্বিকভাবে চলচ্চিত্রের যে আধুনিকায়ন হয়েছে তার ছিটেফোঁটাও কি বাংলাদেশে আছে? উৎকর্ষতায় নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সদিচ্ছা কারোর মধ্যে না থাকুক একে অপরকে নিচু করবার ক্ষেত্রে কারো আগ্রহের সীমা-পরিসীমা নেই। বছরে দু-চারজন পরিচালকের হাতে খুব স্বল্প সংখ্যক ভালো চলচ্চিত্র নির্মিত হলেও নানা চাপে পড়ে সেসব আর পাদপ্রদীপের আলোয় আসে না। সার্বিকভাবে বাংলা চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ। নিতান্ত বাধ্য হয়ে তারা ঝুঁকছে কলকাতা, মুম্বাই আর হলিউডে।
নন্দনতাত্ত্বিকদের মতে, শিল্প শিল্পীর অনুভবকে, অনুভূতিকে প্রকাশ করে। একজন শিল্পীর শিল্পসত্তা অনির্ভর, অসীম ও ক্ষয়হীন। শিল্প ও শিল্পীর মাধ্যমেই মহাসত্তার প্রকাশ। শিল্পের গোড়ার কথাই হলো ‘রিয়েলিটি’ বা পরম সত্যকে প্রকাশ করা। আর মহত্তম শিল্প থেকেই তার কাঙ্ক্ষিত সত্য ও সুন্দরকে খোঁজে পায় শিল্পরসিক। কিন্তু আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারে মহত্তম শিল্প বিনির্মাণ করতে পারেন এমন শিল্পী কোথায় পাব? আলো নয়, মননশীলতা নয়, অতল অন্ধকারকেই যে আমরা গন্তব্য করে চলেছি!
ফারদিন ফেরদৌস : সংবাদকর্মী, মাছরাঙা টেলিভিশন।

কাতারের উপর সৌদি আরবের অবরোধের কারণে মারা পড়ছে শত শত উট। সৌদি ভূখণ্ড থেকে কাতারের কৃষকদের বহিষ্কারের কারণে পানির অভাবে মারা যাচ্ছে এসব প্রাণী। দুটি দেশের মধ্যে কূটনীতিক টানাপোড়েন শুরু হলে তার প্রভাব গিয়ে পড়ে উটগুলোর উপরও। আগে মুক্তভাবে পানি ও খাবার গ্রহণ করতে পারলেও এখন সৌদি সীমান্তে চলাচল করতে পারছে না কাতারের কৃষকদের উঠগুলো।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনার প্রথম কাজটি কি? চা বা কফি পান করা? বেড টি ছাড়া অনেকেই দিন শুরু করতে পারেন না। খালি পেটে অ্যাসিডিক কিছু না পান করে, আপনি বরঞ্চ নাস্তা খাওয়ার পরেই চা বা কফি পান করুন। এতে আপনার হজম-শক্তি ঠিক থাকার পাশাপাশি পেটের কোনো রকম সমস্যাও হবে না।
মিমি প্রায় সবসময় খুবই খোলামেলা স্বভাবের। প্রেম,কাজ থেকে শুরু করে তাঁর ঘরের খবর সবই প্রায় সকলে জানেন। কিন্তু হঠাৎ ছেলে এল কোথা থেকে? মিমির এই ছেলের কথা শুনে তো মিমির ফ্যানদের প্রায় কপালে হাত দেওয়ার জোগাড়। মিমি তাহলে কি বিবাহিত? আর বিয়েই বা হল কবে?
যুব বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জহির রায়হান। গতকাল নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ৪০০ মিটার দৌড়ের হিটে রায়হান ৪৮.০০ সেকেন্ড সময় নিয়ে উঠে গেছেন সেমিফাইনালে। অ্যাথলেটিকের যে কোনো পর্যায়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এটাই বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের প্রথম সেমিফাইনালে ওঠা। বলতে গেলে সেরা সাফল্য। বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এই যুবক।
ডেস্ক রির্পোট : ‘ছোট ভাই আল-আমিনের বয়স দেড় বছর। কেবল কথা বলতে শিখেছে। আমাকে আপা বলে ডাকে। কিন্তু কপাল খারাপ হাতের কারণে তাকে একবারের জন্যও কোলে নিতে পারিনি। হাতটা ঠিক হলে প্রথমে তাকে কোলে নেব।’ আবেগাপ্লুত হয়ে এভাবেই নিজের ইচ্ছার কথা জানায় সাতক্ষীরার ‘বিরল রোগে’ আক্রান্ত এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুক্তামণি।
এস এম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ন ছোট-বড় কার্পেটিং সড়কগুলো জরাজীর্ণ হয়ে চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় সংবাদ কর্মীদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) সচিত্র ছবি ও সংবাদ প্রকাশ করে ঝড় তুললেও টকন নড়েনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের। তাই দক্ষিণ জনপদের অবহেলিত সাধারণ মানুষের চলাচলের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ করেছে এলাকাবাসী। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা এলাকার মহাসড়কসহ ছোট-বড় কার্পেটিং রাস্তা গুলোর অধিকাংশ জায়গায় পিচ দেওয়া কার্পেটিং উঠে গেছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ নামকাওয়াস্তে লোক দেখানো পুটিং করে কিছুদিন যেতে না যেতেই পূর্বের ন্যায় আবারও সড়কগুলি খানা খন্দে পরিণত হচ্ছে। বর্ষ মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অতি ব্যস্ততম রাস্তা ‘বাস টার্মিনাল থেকে কলেজ মোড়’ পর্যন্ত সড়ক দিয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কালিগঞ্জ টু বাঁশতলা কার্পেটিং রাস্তা দিয়ে যাত্রী সাধারণ অতি ঝুকি নিয়ে চলাচলের বিষয়টি পত্রিকায় ব্যাপক ঝড় তুললেও টনক নড়েনি কতৃপক্ষের। এমনি ভাবে উপজেলা সদরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কার্পেটিং সড়কটি দীর্ঘ কয়েক বছর বেহালদশার মধ্যে থাকলেও সংস্কারের কোন ধরণের উদ্যোগ নেয়নি কোন দপ্তর। ফলে প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী আনা নেওয়া ও চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী ও যাত্রী সাধারণের। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাসপাতালের সামনে জমে থাকে হাঁটু পানি। রাস্তার দুই ধারে অপরিকল্পিত দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেই এখানে। অপর দিকে কালিগঞ্জ টু আশাশুনি সড়কের অধিকাংশ জায়গায় কার্পেটিং ও খোয়া উঠে যেয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্ঠি হয়েছে। একটু বৃষ্ঠি হলেই স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যাত্রী সাধারণের চলাচলে ভোগান্তির শেষ থাকেনা। বালিয়াডাঙ্গা বাজার হয়ে খানপুর পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, বালিয়াডাঙ্গা বাজার থেকে রামনগর হয়ে কুশুলিয়া পুলিন বাবুর হাট, পারুলগাছা মোড় হয়ে দুম্বোপোতা মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, পিরোজপুর মোড় হয়ে সেকেন্দারনগর চৌমহনী কাপেটিং সড়ক, উপজেলা পরিষদ মোড় হয়ে ছনকা কার্পেটিং সড়ক, বালিয়াডাঙ্গা বাজার হয়ে তালতলা খেয়াঘাট কার্পেটিং সড়ক, নলতা চৌমহুনী হয়ে বাগবাটি পর্যন্ত কার্পেটিং সড়ক, নলতা কালিবাড়ী হয়ে তারালী বাজার কার্পেটিং সড়ক, কাজলা মোড় হয়ে বাবুরাবাদ জায়েদানগর কার্পেটি সড়ক, উত্তর কালিগঞ্জ সার্জিক্যাল মোড় হয়ে খানজিয়া কার্পেটিং সড়ক, ভাড়াশিমলা মোড় হয়ে খাদ্যগুদাম কার্পেটিং সড়ক, রতনপুর বাজার হয়ে বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটিং সড়ক, ধলবাড়িয়া চৌমহুনী হয়ে উকসা বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটি সড়ক, শীতলপুর মোড় হয়ে বসন্তপুর বিজিবি ক্যাম্প কার্পেটিং সড়ক। মান্দারতলা সরকারি প্রাইমারী স্কুল মোড় থেকে মোহাম্মাদ নগর মাদ্রাসা কার্পেটি সড়ক, কালিগঞ্জ সাব-রেজিষ্ঠ্রি অফিসের সামনে থেকে গোলখালী হয়ে হেন্নাপোতা কার্পেটিং সড়ক, দক্ষিণশ্রীপুর বাজার হয়ে উত্তরশ্রীপুর কার্পেটিং সড়ক, বন্দকাটি গোরস্থান মোড় হয়ে সরদার পাড়া মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং সড়কসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক গুলো সংস্কারের অভাবে যাত্রী সাধারণের চলাচলে একবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত ২২ মার্চ’১৬ সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছালেও ঘটে যাওয়া দেশের বিভিন্ন জেলায় অনিয়ম ও আর দুর্নীতির অভিযোগে কয়েক জেলায় এখনো পর্যন্ত ইউপি নির্বাচন স্থাগিতাদেশ জারি ছিলো। দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ২৬ জেলায় ৫৬টি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপিতে আজ ১৩ জুলাই ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে নির্বাচনে ২দিন আগে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে “বিশেষ নির্দেশনা” দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। সাতক্ষীরা জেলায় স্থগিত হয়ে যাওয়া সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের আলোচিত ৪ কেন্দ্রের ৪৭৭ দিনপর পুনরায় আজ ভোট হবে। বিগত ২২ মার্চ সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হলেও বিভিন্ন অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া আলোচিত ৪ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: আলীরপুর মাঝেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রার্থীরা হলেন মোঃ রমজান আলী (মোরগ), সিদ্দিকুর রহমান(তালা) ও শাহাদাত হোসেন (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ভোটগ্রহণ হবে। ৭নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রার্থীরা হলেন আনিসুর রহমান(তালা), জাহিদুর রহমান মধু (মোরগ), মোস্তাফিজুর রহমান(ফুটবল), মাসুদ আলম (টিউবওয়েল) প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৮নং ওয়ার্ড কেন্দ্র: ভাড়–খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রার্থীরা হলেন, মফিজুল ইসলাম (টিউওবয়েল) আসিব হোসেন মোরগ প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৯নং ওয়ার্ড কেন্দ্র : মাহমুদপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রার্থীরা হলেন, আব্দুস সালাম ঢালী (ফুটবল) মোশারফ হোসেন (তালা), শফিকুল ইসলাম (মোরগ) প্রতীক নিয়ে ভোগ গ্রহণ হবে। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থীরা হলেন মনোয়ারা খাতুন (তালগাছ) মমতাজ বেগম (বই) হাসনা হেনা (বক), ফরিদা খাতুন (সুর্য মুখীফুল) সুমনা পারভীন (কলম), সলুদা বেগম (বক) প্রতীক নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে। ৪টি স্থগিত কেন্দ্রের ১১জন সাধারণ সদস্য মেম্বর পদে এবং ৬ জন মহিলা প্রার্থীদের নিয়ে মোট ১২ হাজার ৬৫৬জন ভোটারদের নিয়ে ভোট গ্রহণ হবে সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। উলে¬খ্য ২২ মার্চ ১, ২, ৩, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড মিলে ৫টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা: মহিয়ুর রহমান ময়ুর নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৫৭৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার একমাত্র নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রউফ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৬৮১ ভোট পেয়ে পিছিয়ে আছেন।