photo-1495733170খুলনার ফুলতলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার আলাউদ্দিন মিঠুকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মিঠুর আরো দুই দেহরক্ষী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

২৫ই মে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা-যশোর মহাসড়কের পাশে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে আলাউদ্দিন মিঠুর নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

খুলনার পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা এবং জেলা বিএনপির সভাপতি সফিকুল আলম মনা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এর আগে আলাউদ্দিন মিঠুর বাবা সরদার আবুল কাশেম ও বড় ভাই সরদার আবু সাঈদ বাদলকেও গুলি করে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00000প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বেক্সিমকো প্রেট্রোলিয়াম লিমিটেডের গ্যাস সিলিন্ডারের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সুলতানপুরস্থ পিটিআই রোড়ে এ দোকানের উদ্বাধনী করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক মোঃ সামছুজ্জামান জুয়েল, বেক্সিমকো প্রেট্রোলিয়াম লিমিটেডের সাতক্ষীরা জেলা পরিবেশক ও পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি, হক ট্রান্সপোর্টের মালিক শেখ হাসান মোস্তফা টফি, তারিফ এন্টার প্রাইজের পরিচালক সবুর আলম, সবুর খান, আব্দুল গফ্ফার। উল্লেখ্য, বাজারের অন্য সিলিন্ডারের তুলনায় একই মুল্যে আগামী শনিবার থেকে পাওয়া যাবে। সিলিন্ডারের বৈশিষ্ট্য হলো- স্বচ্ছ, গ্যাস দেখা যায়, কখনই বিস্ফোরিত হবে না, বহন যোগ্য। অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন তুফান কোম্পানি মসজিদের ঈমাম হাফেজ ওমর ফারুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

BuLozS_Inবিরাট কোহলির নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। এমন মুহূর্তে সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে বোমা ফাটালেন স্পিনার হরভজন সিং। হরভজন সিংহর অভিযোগ থামছেই না। এর আগে অভিযোগ করেছিলেন আইপিএল-এর ফাইনালে তাঁকে দলে না রাখার জন্য। এ বার আঙুল তুললেন ভারতীয় দলের নির্বাচকদের দিকে। তাও আবার তুলনা করে বসলেন স্বয়ং মহেন্দ্র সিংহ ধোনির সঙ্গে। ভাজ্জির মতে, ধোনিকে যে ভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেটা তাঁকে দেওয়া হয়নি।

ধোনির নির্বাচন প্রসঙ্গে এমএসকে প্রসাদ বলেছিলেন, অভিজ্ঞতার জন্যই ধোনিকে দলে রাখা হয়েছে। ভাজ্জি অবশ্য প্রসাদের এই যুক্তিকে উড়িয়ে দিয়েছেন। এই অফ স্পিনার বলেছেন, “আমি মনে করিনা ধোনিকে অভিজ্ঞতার জন্য দলে রাখা হয়েছে। আর যদি তাই হয় তাহলে আমিও ভারতীয় দলে ১৯ বছরে ভারতীয় দলকে সার্ভিস দিয়েছি। আমাদের কেন বাইরে রাখা হচ্ছে। আর আইপিএলে ওর ব্যাটেও তো রান নেই। আমার মনে নির্বাচকদের পক্ষপাতিত্বের জন্যই ও দলে জায়গা পেয়েছেন। ”

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে বাজে ফর্মের কারণে বেশ সমালোচিত হয়েছেন ধোনি। আসর শুরুর আগে তাকে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের অধিনায়কত্বের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পুনে মালিক হর্ষ গোয়েঙ্কা টুইটারে ধোনিকে নিয়ে বিদ্রুপ করেছেন। এমনকী ভারতের জাতীয় দলের সাবেক সফলতম অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীও ধোনিকে টি-টোয়েন্টির ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করেন! কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফি তো আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের নয়। যে কারণে অনেকেই বলছেন, ভাজ্জির এই ‘ক্ষোভ’ ব্যক্তিগত কারণেই!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

hS4QHz_photoবিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম কাহিনীচিত্র ‘ওরা ১১ জন’। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের দুই জীবন্ত কিংবদন্তি রাজ্জাক ও শাবানা। ১৯৭২ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রটির শিল্পী ও কলাকুশলীদের সম্মাননা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার এফডিসিতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে রাজ্জাক ও শাবানার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমকর্মীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপস্থিত হতে পারেননি দুজনের কেউ-ই।

গত মঙ্গলবার পরিচালক সমিতির এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের এই সম্মাননায় উপস্থিত থাকবেন রাজ্জাক ও শাবানা। কিন্তু আজ দুজনের কেউই উপস্থিত ছিলেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘আমরা আজ সকালে রাজ্জাক সাহেবের বাসায় গিয়েছিলাম। কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখি, তিনি অসুস্থ। আমরা এর আগে থেকেই জানতাম, তিনি অসুস্থ। তাই দেখতেও গিয়েছিলাম।’

‘এর আগে উনার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, সুস্থ থাকলে অনুষ্ঠানে আসবেন। উনার অবস্থা দেখে আমরা আর অনুষ্ঠানে আসতে বলিনি। সুস্থ থাকলে আমরা সঙ্গে করে নিয়ে আসতাম।’

শাবানার না আসার কারণ জানতে চাইলে গুলজার বলেন, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করেছি শাবানা ম্যাডামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। কিন্তু কোনোভাবেই উনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি নাই।’ ‘উনি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে অনুপস্থিত। উনার পরিচিত অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তাঁদের সঙ্গেও উনার যোগাযোগ নেই।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এফডিসির জহির রায়হান মিলনায়তনে এই সম্মাননার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, অভিনেতা সোহেল রানা, প্রয়াত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের স্ত্রী জ্যোৎস্না কাজী, অভিনেত্রী নূতন, পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার, এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

wHNL6f_4নিজের পাপের খতিয়ানের বয়ান নিজেই দিচ্ছে নাঈম আশরাফ। বনানীর হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণ মামলায় আলোচিত চরিত্র নাঈম আশরাফ ওরফে হালিম। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে নানা চমক লাগানো তথ্য দিচ্ছে। শুরু থেকে এ পর্যন্ত আসার পেছনে নানা প্রতারণার গল্পও খুলে বলেছে নাঈম। এদিকে নাঈম আশরাফের নারীঘটিত নানা অপকর্মের কাহিনী ক্রমেই বেরিয়ে আসছে। মূলত নারী সাপ্লাইয়ের মাধ্যমে প্রভাবশালী-বিত্তশালীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। নায়িকা, মডেলদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই তার ডাক পড়তো বিভিন্নস্থানে। প্রতি রাতেই বাসা কিংবা হোটেলে নারী সাপ্লাইয়ের কাজ করতো নাঈম আশরাফ। নাঈমের নারী কানেকশন ছিল বিপুল। কম বয়সী, চলচ্চিত্রে-মডেলিংয়ে নতুন- এরকম শতাধিক নারী কানেকশন ছিল নাঈমের। ডাকলেই তারা সাড়া দিতো। এ ছাড়াও ইয়াবা আসক্তি রয়েছে তার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরকম অনেক মডেল, নায়িকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি পাওয়া গেছে নাঈমের। নাঈম রিমান্ডে যাওয়ার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন তারা। এমনকি ওই নারীদের সান্নিধ্য যারা পেয়েছেন তাদেরও আতঙ্কের শেষ নেই। নাঈমের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল প্রতিষ্ঠিত অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছেন যে, তার বিষয়ে কোনো তথ্য দিয়েছে কি-না। জানা গেছে, অনেক নায়িকা, মডেলরা সহজেই তার প্রস্তাব লুফে নিতো। শুরুটা নিজইে করতো নাঈম। বন্ধুতার সুযোগ নিয়ে মিশতো। পরে কৌশলে নিয়ে যেত রাতের আড্ডায়। তারপর শুধু নিজে একা না। অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য ব্যবহার করা হতো এ নারীদের। এজন্য নগদ টাকা থেকে দামি গিফটের ব্যবস্থাও থাকতো।

সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন জনের কাছে রিয়েলিটি শো থেকে চলচ্চিত্রে আসা এক নায়িকার কদর ছিল বেশ। নাঈম ডাকলেই তিনি আসতেন। তার হাতে কাজ না থাকায় প্রায় সন্ধ্যায় নাঈমের কথামতো বিভিন্ন হোটেলে ও বাসার পার্টিতে অংশ নিতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তার তিনটি বিয়ে হয়েছিল। তার বাসা উত্তরায়।
ওই নায়িকার আরেক বান্ধবী রয়েছে। দুটি ফিল্মে অভিনয় করেছেন সেই বান্ধবী। তার সঙ্গে নাঈমের অন্তরঙ্গ ছবি পাওয়া গেছে বলে সূত্রে জানা গেছে। আরেক মডেল সম্পর্কে জানা গেছে, ওই মডেল একটি টেলিভিশনে আলো নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেন। বিভিন্ন গান ও পণ্যের মডেল হয়েছেন তিনি। অনেক বিত্তশালীদের মনোরঞ্জনের জন্য নাঈম তাকে ব্যবহার করতো।

নাঈমের কানেকশনের মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় আরেক মডেল। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তার বাসা। সাত বছর বয়সী তার একটি বাচ্চা রয়েছে। ওই মডেলের বাসাতেও আসা-যাওয়া ছিল নাঈম আশরাফের। নাঈমের দেয়া তথ্যমতে, অনেক নায়িকা, মডেলরা পেশাগত কাজ করে যে টাকা আয় করেন তার চেয়ে বেশি টাকা আয় হতো তার অ্যাসাইনমেন্টে। টাকার জন্য তারা নিজেরা স্বেচ্ছায় নাঈমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

তবে ব্যতিক্রমও ঘটেছে কয়েক নারীর ক্ষেত্রে। নাঈমের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে তারা সরে গেছেন। তাদের একজন জনপ্রিয় একটি ফিল্মের নায়িকা। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে অনার্স করেছেন তিনি। গত বছরের মার্চে তার সঙ্গে তুমুল আড্ডা দিয়েছিল নাঈম। একপর্যায়ে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেয় তাকে। কিন্তু ওই নায়িকা চটে যান। রাজি হননি তিনি। শুরুতে নায়িকা-মডেলদের কাছে নিজেকে বিত্তশালী হিসেবে উপস্থাপন করতো নাঈম। এজন্য নিজের হালিম নাম পরিবর্তন করে নাঈম আশরাফ কখনও কখনও রোমান নামে পরিচয় দিতো। জীবনে অনেক কিছু করলেও এই মামলার আগে কোনো নারী তার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করেনি। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মানবজমিনকে জানান, মামলার তদন্তের প্রয়োজনে তাকে নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই ঘটনা ছাড়াও নানা তথ্য দিয়েছে নাঈম আশরাফ। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

উল্লেখ্য, গত ২৮শে মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গত ১৭ই মার্চ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নাঈম আশরাফকে। পরদিন থেকে সাতদিনের রিমান্ডে আনা হয় তাকে। নাঈমের প্রকৃত নাম হালিম। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্দাইল গ্রামের ফেরিওয়ালা আমজাদ হোসেনের পুত্র হালিম ঢাকায় এসে নাম পরিবর্তন করে হয়ে যায় নাঈম আশরাফ। প্রতারণা, নারী ও মাদক ‘সাপ্লায়ার’ হিসেবে অনেকের কাছে পরিচিত সে। সূত্র: মানবজমিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Picture-25-05-2017মোঃ রাজিবুল ইসলাম, সোনাবাড়ীয়া প্রতিনিধি : গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় প্রগতিশীল সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিষদ কলারোয়া শাখার আয়োজনে  কলারোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৮তম জন্ম জয়ন্তী পালিত হয়েছে। মাস্টার প্রদীপ কুমার পালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আমানউল্লাহ, এ্যাড. অধ্যাপক আবুল খায়ের, সহকারী অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, এ্যাড. আলি আহম্মেদ, প্যানেল মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, জাতীয় কৃষক সমিতীর সভাপতি সন্তোষ কুমার পাল ,হিন্দু-খৃস্টান ও বৌদ্ব ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক সন্দীপ রায়, কলারোয়া পাবলিক ইনস্টিটিউট এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্বা আনোয়ার হোসেন, শেখ কামাল রেজা, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, শিলা রানী হালদার, দীপক কুমার শেঠ, সাংবাদিক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, জুলফিকার আলিসহ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesআসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে যৌথ অভিযান শেষে ফিরে আসার সময় রায়নগর পুলিশ ফাঁড়ির এক কনষ্টেবল নিজ শর্ট গানের গুলিতে নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মিয়ারাজ হোসেন (৩২)।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বনদস্যুদের কবল থেকে অপহৃত জেলেদের উদ্ধার করে ফেরার পথে কৈখালী ফরেস্ট ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত কনস্টেবল মিয়ারাজের বাড়ি রাজশাহী জেলায়।
রায়নগর নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মন্টু কুমার দাশ জানান, দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের বসুখালী খালে অভিযানে যায় বিজিবি ও নৌ পুলিশের সদস্যদের নিয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর একটি দল। সেখান থেকে বনদস্যুদের কবল থেকে একটি নৌকা ও চারজন জেলেকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় ফিরে আসে তারা। উদ্ধারকৃতদের কৈখালী ফরেস্ট অফিসে সোপর্দ করে ফেরার পথে ট্রলারে উঠছিলেন কনস্টেবল মিয়ারাজ। এ সময় নিজের  শর্টগানের উপর ভর করে উপরে উঠছিলেন তিনি। হঠাৎ তার শর্টগান থেকে গুলি বের হয়ে বুকের বামপাশে গুলি বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যার।
শ্যামনগর থানার এস আই লিটন ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495685530রেললাইনের পাশে পড়ে আছে মায়ের নিথর দেহ। কান্নাকাটি করেও মায়ের কোনো সাড়া পাচ্ছে না অবুঝ শিশুটি। এরই মধ্যে মৃত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার জন্যও প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে বাচ্চাটি।

হৃদয়স্পর্শী এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে।  বুধবার সকালে রাজ্যের দামোহ জেলায় একটি রেললাইনের পাশে থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল অনলাইন এ খবর জানিয়েছে।

মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে ওই নারীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আর বাচ্চাটিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে স্থানীয় শিশুকল্যাণ কমিটিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মনু বাল্মিকী (২৭) নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমরা এক নারীকে রেললাইনের পাশে পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিই। কিন্তু যখন আমরা কাছাকাছি যাই, তখন দেখতে পাই একটি শিশু তার পাশে কান্নাকাটি করছে এবং তার মায়ের দুধ খাওয়ার চেষ্টা করছে। এই দৃশ্য আমাদের চোখে পানি এনেছিল।’

পুলিশ জানায়, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায় ওই নারীর লাশের চারপাশে মানুষ ভিড় করে আছেন। পাশেই তাঁর ১৭ মাস বয়সী বাচ্চাটি কান্নাকাটি করছে।

রেলওয়ে পুলিশের প্রধান কনস্টেবল নন্দ রাম বলেন, ‘বাচ্চাটি তার মায়ের জন্য কান্না করছিল এবং সে তার মায়ের কাছ থেকে কোনো প্রকার সাড়া পাচ্ছিল না। এ সময় বাচ্চাটি তার মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শুরু করে।’

‘এই দৃশ্য দেখে আমরা মর্মাহত হয়েছি। এটা ছিল খুবই দুঃখজনক। বক্ষ উন্মুক্ত অবস্থায় ওই নারীর মৃতদেহ পড়ে আছে, আর তাঁর বাচ্চাটি মায়ের পাশেই বসে আছে। এটা এমন ঘটনা ছিল, যা এর আগে আমরা দেখিনি। এটা আমাদের জন্য ছিল খুবই আবেগাপ্লুত ব্যাপার।’

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, দুর্ঘটনায় ওই নারী নিহত হয়েছেন। তাঁর নাক ও কান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমরা তাঁর ঠিকানা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। যাতে করে তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো যায়।’

হাসপাতালের মুখপাত্র বলেছেন, ‘সকাল ১০টার দিকে বাচ্চাটিকে সেখানে নেওয়া হয়েছে। আমরা বাচ্চাটির শারীরিক পরীক্ষা করেছি, সে ঠান্ডাজনিত রোগে ভুগছে। তাকে ওষুধ দেওয়া হয়েছে। বাচ্চাটির অন্য কোনো সমস্যা নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest