
নিজস্ব প্রতিবেদক : আধুনিক চিকিৎসায় হোমিও বিজ্ঞান সেমিনার ও বার্ষিক সভা ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন, গভঃ রেজিঃ হোমিও রিসার্স ও চিকিৎসক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড সাতক্ষীরার নির্বাহী চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ডা: এম এ জাফর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ খালিদ ইব্রাহিমের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, যশোর জেলা ডাক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি ও হোমিও মেডিকেল কলেজের প্রভাষক এমভিএম ভারত বিশেষজ্ঞ ডাঃ এম কে বাসার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরার হ্যানিম্যান ফার্মেসীর মালিক বিশিষ্ট হোমিও ঔষধ ব্যবসায়ী ডাঃ খুরশিদ আলী, জেলা সমবায় অফিসার শেখ নওশের আলী, নির্বাহী সদস্য ডা: শাহনেওয়াজ, ডাঃ হাফিজুর রহমান, ডাঃ রফিকুল ইসলাম,সহ-সভাপতি ডাঃ আঃ গফফার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, নুরনগর সভাপতি ডাঃ মুফতি মাহমুদুল হাসান ইস্রাফিল, মুন্সিগঞ্জ সভাপতি ডাঃ বিকাশ রপ্তান, সেক্রেটারি ডাঃ যগোশ চন্দ্র, নওয়াবেকী সভাপতি ডাঃ সুব্রত রপ্তান, সেক্রেটারী ডাঃ দিলিপ কুমার বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক ডাঃ দিলিপ কুমার, দেবহাটা উপজেলার সেক্রেটারি ডাঃ অহিদুজ্জামান, কুলিয়া সভাপতি ডাঃ ইমদাদুল হক, সাতক্ষীরা শহর সভাপতি ডাঃ হাবিবুর রহমান, আশাশুনি সভাপতি ডাঃ বেলায়েত হোসেন, সেক্রেটারি ডাঃ অসীম ব্যনার্জী প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, স্বল্প ব্যায়ে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসার একক দাবিদার হল হোমিও প্যাথিক। সরকারের উদ্দেশ্যে সবার জন্য সু-স্বাস্থ্য। এই উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন করতে হলে হোমিও প্যাথিক উন্নয়নে সরকারকে আরও সহযোগিতা করতে হবে। সমিতির চেয়ারম্যান ডাঃ জাফর ছিদ্দিক সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, প্রতিটি জেলাতে একটি করে ডিএইচএমএস কলেজ সরকারি করণ, সরকারিভাবে সকল উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র, হোমিও প্যাথিকের পূর্ণাঙ্গ রুপ দিতে সকল হোমিও মেডিকেল কলেজগুলোতে উচ্চ পর্যায়ের সার্জারি ও প্যাথলজি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া এ্যালোপ্যাথিকের কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগ সমিতির মাধ্যমে মাত্র ৩ মাসের ফার্মাসিস্ট প্রশিক্ষণের পর ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। সেরুপ হোমিও প্যাথিক প্যারামেডিকল বোর্ড হতে ২ একাডেমিক পড়াশোনার পর উত্তীর্ণ এল এইচ এম পি ডিগ্রি ধারী চিকিৎসকদের হোমিও ড্রাগ লাইসেন্স এর ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানান।







সেলেব্রিটি ইমেজ, উঠতি বয়সসহ বিভিন্ন কারণেই ক্রিকেটাররা স্ক্যান্ডালে জড়াচ্ছেন বলে সমাজবিজ্ঞানী ও সাবেক ক্রিকেটাররা মনে করছেন। করণীয় হিসেবে তারা বলেছেন, নতুন যারা ক্রিকেটে আসছেন তাদেরকে শেখাতে হবে কীভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা যায়। ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা সর্ম্পকে ধারণা দিতে হবে।