১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের জন্য সমবেত করসেবকদের ‘উত্তেজিত’ করতে কোন ‘প্ররোচনামূলক ভাষণ’ই দেননি ‘লৌহমানব’ লালকৃষ্ণ আদভানি, সেই ভাষণ আসলে দিয়েছিলেন তিনি নিজে, আজ একথা স্বীকার করে নিলেন সাবেক বিজেপি সাংসদ রাম বিলাস বেদান্তি।
বেদান্তি জানিয়েছেন, সেদিন তারই কণ্ঠে শোনা গিয়েছিল, “এক ধাক্কা অউর দো, বাবরি মসজিদ টুট দো” স্লোগান। আর এই স্লোগান শুনেই ‘রামপন্থী’ করসেবকরা একের পর এক আঘাতে ভেঙে ফেলেছিল বাবরি মসজিদ।
‘প্ররোচনামূলক ভাষণ’ দিয়ে ‘ফৌজদারি ষড়যন্ত্রে’র আওতা থেকে আদভানিকে ক্লিনচিট দিয়ে রাম বিলাস বেদান্তি আরও বলেন যে, তিনি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা অশোক সিংহল এবং মহন্ত অভেদ্যনাথ যখন ‘প্ররোচনা’ দিচ্ছিলেন, তখন বরং আদবানী, যোশী এবং বিজয় রাজে সিন্ধিয়ারা করসেবকদের ‘শান্ত করার’ চেষ্টা করছিলেন।
প্রসঙ্গত, যে ১৩ জনের নামে বাবরি কাণ্ডে ‘ফৌজদারি ষড়যন্ত্রে’র তদন্ত করার ছাড়পত্র পেয়েছে সিবিআই, তার মধ্যে অন্যতম হলেন রাম বিলাস বেদান্তি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ার দুদিন পরে ‘হঠাৎ করে’ কেন ‘সত্য স্বীকারে’র ইচ্ছা হল বেদান্তির।

‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না/ ফেরারী পাখিরা কূলায় ফেরে না’— লাকী আখন্দের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক জানাতে তার এই গানের কথা বেছে নিয়েছেন সংগীতসহ শোবিজের শিল্পীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তারা শোকময় স্ট্যাটাস দিয়ে কিংবদন্তি এই সংগীত ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র এক বল খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বোলিংয়ে শুরুতে সুযোগ পেলেও ওই ওভারে দিয়েছেন ৯ রান! খরুচে বোলিংয়ের উদাহরণ দিয়েছেন পরের দুই ওভারেও। দ্বিতীয় ওভারে ১৫ ও তৃতীয় ওভারে দেন আরও ১০ রান। মোট ৩১ রান দিলেও ঝুলিতে ছিল না কোনও উইকেট। সাকিবের এমন বিবর্ণ বোলিংয়ের ম্যাচে হারটাও যেন কাম্য ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। গুজরাট লায়ন্সের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে কেকেআর।
বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী লাকী আখান্দ আর নেই। শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অভূতপূর্ব সাফল্য ধরে রেখেছে। জেএসসি, পিএসসি ও এস. এস. সি পরীক্ষায় নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৬ সালের জেএসসি ও পিএসসি পরীক্ষায় জেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিদ্যালয়ের ফলাফল শ্রেষ্ঠ। বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এ বিদ্যালয়ের অবস্থান সাফল্যের শীর্ষে।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে অপহরণ অতঃপর পুলিশ উদ্ধার করার পর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার মাঘুরালী গ্রামে থেকে এ অপহরণের ঘটনাটি ঘটে। কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইমদাদুল হক জানান, সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের বিদেশে কর্মরত জনৈকের সাবেক স্ত্রী ও বর্তমান নলতার মাঘুরালি গ্রামের ফরিদ সরদারের স্ত্রী সাতক্ষীরা ভিশনের কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা অফিসে কর্মরত বিউটি খাতুনের কন্যা (আগের স্বামীর) সুরাইয়া সুলতানা বৈশাখিকে সম্প্রতি ভাড়–খালি গ্রামের আনিছুরের সাথে বিবাহ হয়। সংসারে মনমালিন্য হওয়ায় দেড় মাস আগে তাদের তালাক হয়। বর্তমানে বিউটি খাতুন তার কন্যকে নিয়ে মাঘুরালি গ্রামে আব্দুস সত্তারের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে আনিছুর রহমান ৭/৮ জন বন্ধুকে নিয়ে মাঘুরালি গ্রাম থেকে তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী সুরাইয়া সুলতানা বৈশাখিকে মাইক্রোবাসে যোগে অপহরণ করে ভাড়–খালি গ্রামে আব্দুর রহমানের বড়িতে নিয়ে যায়। বিষয়টি কালিগঞ্জ থানায় জানালে উপ-পরিদর্শক ইমদাদুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আব্দুর রহমানের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এসময় আনিছুর রহমানসহ তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। এব্যাপারে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে বিউটি খাতুন বাদি হয়ে আনিছুর রহমান, মামুন হোসেনসহ চার জনের নাম উলেখ ও অজ্ঞাতনামা চারজনের বিরুদ্ধে বৃহষ্পতিবার কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৯।