নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে হারুনার রশিদ নামের এক দলিল লেখকের বাক্স থেকে রেজিষ্ট্রার ও বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রারদের নামের ৯ টি জাল সিল উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে জেলা রেজিস্ট্রার এর পক্ষ থেকে এ সিলগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলিল লেখক সমিতির সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। একই সাথে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে দলিল লেখক হারুনার রশিদকে। দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জানান, দলিল লেখক হারুনার রশিদ রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারদের নামের সিল বিভিন্ন কাগজ পত্রে মেরে তাতে জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জাল-জালিয়াতি কাজ করে আসছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম নিজেই সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দলিল লেখক হারুনার রশিদের বাক্স থেকে উক্ত ৯ টি সিল উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্র্রার লুৎফর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জাল-জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করায় এবং রেজিস্ট্রি আইনের ৮০/২ ধারা পরিপন্থী কাজ করায় দলিল লেখক হারুনার রশিদকে যার লাইসেন্স নাম্বার-১৭/২০১০ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ নুরুল হক। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষ ব্যানার্জী, হাবিবুর রহমান, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিরিন সুলতানা ও নবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নুসরাত জাহান প্রমুখ। এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা মিজানুর রহমান।
নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুদিন ধরে এ ঘরে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন সন্তোষ দাস। সোমবার সকালে দেখছি সেখানে সন্তোষ নেই। তার বাড়ি ঘরের কোনো জিনিসপত্রও চোখে পড়ছে না। তার ঘর জুড়ে ঝুলছে আওয়ামী যুবলীগের এক বিশাল ব্যানার। একথা জানালেন স্থানীয়রা। খোঁজ নিয়ে জানা গেল এ জমি এ ঘর এখন থেকে আওয়ামী যুবলীগ সংগঠনের, সন্তোষ বাবুর নয়। ঘটনাস্থল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ব্রহ্মরাজপুর সাহেব বাড়ির মোড়। তবে নিজের দীর্ঘ ব্যবহৃত ঘর জমি পুনরুদ্ধারে দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন সন্তোষ দাস। এ এলাকার ব্যবসায়ী আবদুস সেলিম জানান, তিনি সন্তোষ দাসের কাছ থেকে এক খন্ড খাস জমি ও ঘর মাসিক দুই হাজার টাকা ভাড়া চুক্তিতে তিন বছরের জন্য বন্দোবস্ত নিয়েছেন। রোববার চুক্তি সম্পাদনের পর থেকে তিনি সেখানে ছিলেন। সন্ধ্যা ৬ টায় হঠাৎ এলাকার কয়েক যুবক সেই ঘরে ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ব্যানার টানিয়ে দেয়। তিনি বলেন, আমি ঘরে বসে তাদেরকে জানাই এঘর আমার ভাড়া নেওয়া। এ কথা বলতেই তারা আমাকে সেখান থেকে জোর করে বের করে দেয়। বিষয়টি ঘরের মালিক সন্তোষ দাসকে টেলিফোনে জানালে দ্রুত তিনি ও তার স্ত্রী এসে নিজ ঘরে ওঠেন। যুবকরা তাকে বলেন, “কিসের ঘর তোর। এটা সরকারি জমি। আমরা সরকারি দলের লোক। এখানে সরকারি দলের অফিস হবে”Ñ বলে তাড়িয়ে দেয় তাদের। সন্তোষ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে চলে গেছেন। গতকাল সকাল থেকে দখলদার যুবক সোহরাব, শহীদ, কুদ্দুস, আকসাদ ও অজিয়ারের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা সেখানে খিচুড়ি রান্না করে খায়। আর মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজায়।
সখিপুর প্রতিনিধি: দেবহাটার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গণসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার সকাল থেকে উপজেলার সখিপুর, পারুলিয়া, কুলিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের সাথে ফুটবল প্রতীকে গণসংযোগ করেন তিনি। সখিপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতনের, ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য রেহেনা ইসলাম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আলফাতুন নেছা, ৭, ৮ ও ৯ নং আরুতি রানী, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান মোখলেছ, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আকবর আলী, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য পরিতোষ বিশ্বাস, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল করিম, ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য জগন্নাথ মন্ডল, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মোনাজাত আলী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুর রহমান প্রমুখ। এসময় তিনি ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।
সখিপুর প্রতিনিধি: দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান অগ্রগতি সংস্থার বাস্তবায়নে রুপান্তরের সহযোগিতায় পিস কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় গত রবিবার থেকে শুরু হয়ে সোমবার দুপুরে পুরস্কার বিতরণের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। ক্রীড়া ও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সখিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন। অন্যান্যদের মধ্যে অগ্রগতি সংস্থার উপজেলা অফিসার তহিদুজ্জামান(তহিদ), বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম সুজন।
দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলা নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দ। সোমবার দুপুরে নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিস আল-আসাদের সাথে এ শুভেচ্ছা জানান, দেবহাটা ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সহ-সভাপতি কেএম রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব লিটু, অর্থ সম্পাদক এমএ মামুন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হোসেন, নির্বাহী সদস্য গোপাল কুমার দাস, তরিকুল ইসলাম লাভলু, আরাফাত হোসেন লিটন, আবু জাফর প্রমুখ। এসময় নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণ বয়ে আনতে অনুরোধ জানন। একই সাথে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারার সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সহযোগিতার কথা বলেন।
নলতা প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার ঐতিহ্যবাহী কে বি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুলে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবছরও দু’দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অত্যন্ত আনন্দঘন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। অত্র বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় সংলগ্ন নলতা হাইস্কুল মাঠে ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি দু’দিন ব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠানের ২য় বা সমাপনী দিন রবিবার সকাল ৯ টা হতে বেলা ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানের মাঝে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ কে মুনছুর আহমদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দীন হাসান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন- সরকারি বিভিন্ন কাজের চরম ব্যস্ততার মধ্যেও নলতার ঐতিহ্যবাহী কে বি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুলের মনোমুগ্ধকর ও সুশৃঙ্খল একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারণ প্রতিষ্ঠানটির লেখাপড়ার মান যেমন জেলা সহ বিভাগের শীর্ষে। তেমনি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার পাশাপাশি ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের সাবলিলভাবে উপস্থিত বক্তৃতা শুনে এবং ২০১৫ সালে ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৪ জন বৃত্তি পাওয়ায় সত্যই আমি অভিভূত হয়েছি। তাই আমি প্রত্যাশা রাখি বিদ্যালয়ের এ্যাকটিভ ম্যানেজিং কমিটি ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলীর সম্মিলিত অব্যাহত প্রচেষ্টায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি একদিন সর্ববিষয়ে বাংলাদেশের অন্যতম স্বণামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেেেব আত্মপরিচিতি লাভ করবে। সে কারণে লেখাপড়া এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষকমন্ডলী কর্তৃক নৈতিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান অতিথি। অনুষ্ঠানের প্রথম দিন শনিবার একই সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিম। প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক শেখ আলমগীর কবীর ও সেখ আল-আজাদের যৌথ সঞ্চালনায় ২ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি, বিচারকমন্ডলী ও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নলতা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ, কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম তুষার কান্তি মন্ডল, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন পাড়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, অর্থ সম্পাদক এনামুল হক খোকন, কর্মকতা ডা. আবুল ফজল মাহমুদ বাপ্পী, অমিয় কুমার বসাক, আব্দুর রাজ্জাক, সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মহসিন, মোক্তারুল হক বুলবুল, সহকারী অধ্যাপক মমতাজুর রহমান, এ এস এম মিজানুর রহমান, আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী, সহকারী অধ্যাপক মানস চক্রবর্তী, প্রভাষক প্রশান্ত কুমার, অনন্ত কুমার, শিক্ষক রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস, আবু হাসান, দেবেন্দ্রনাথ, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রীকুমার বসাক, সহাকারী প্রধান শিক্ষক জগন্নাথ ঘোষ, সিনিয়র শিক্ষক কাজী আবেদুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, আলীমুজ্জামান শাহীন, ব্রজ কুমার ঘোষ, দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শিক্ষিকা মুর্শিদা ওয়ার্ছী নিলা, শিক্ষক মিহির কুমার, নাজমা খাতুন, আনোয়ারা খাতুন, রেজাউল করিমসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ, অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিচারক, অভিভাবক, প্রতিযোগী শিক্ষার্থী, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ক্যাডেট শাখাসহ প্লে থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিবর্গ। বিদ্যালয়ের আয়োজনে ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি শনি ও রবিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত দু’দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠানের ২য় বা সমাপনী দিনে ইংরেজি ও বাংলায় উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, যেমন খুঁশি তেমন সাজ, একক অভিনয়, নৃত্য, রবীন্দ্র সঙ্গীতসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতা, পূর্বে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ মোট ৪৯ টি ইভেন্টে ২১৪টি পুরস্কার এবং ২০১৫ সালে ৫ম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষায় ২১জন ট্যালেন্টপুলসহ ২৬ জন ও জেএসসি পরীক্ষায় ১৫জন ট্যালেন্টপুলসহ ২৮ জন সহ মোট ৫৪ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট পুরস্কারসহ দু’দিন ব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠানে সর্বমোট ২৬৮ জন বিজয়ী শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়া প্রতিবিছরের ন্যায় ২০১৬ সালে বিদ্যালয়ে একদিনও অনুপস্থিত না থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: পাসপোর্ট অফিস নির্মান সংক্রান্ত পাঁচ কোটি টাকার টেন্ডারে ঘাপলার অভিযোগ উঠেছে। যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের চাপের মুখে অনেক ঠিকাদার সিডিউল কিনেও তা ড্রপ করতে পারেন নি। অপরদিকে সর্বনি¤œ দরদাতার সিডিউল প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য করা হয়েছে। এর ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ৬৭ লাখ টাকা গুনতে হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আজ সকালে কথা বললেও বিকালে সর্বশেষ কথা বলার জন্য সংশ্ল্ষ্টি কর্মকর্তা গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তিনি তার টেলিফোন বন্ধ রেখেছেন। সকালে তিনি জানান গনপূর্ত বিভাগ সাতক্ষীরা জেলায় পাসপোর্ট অফিস নির্মানের জন্য টেন্ডার আহবান করে । সিডিউল ক্রয়ের শেষ দিন ছিল রোববার। সোমবার দুপুর ১২ টার মধ্যে তা ড্রপ করার নির্দেশ ছিল। গণপূর্ত অফিস, জেলা প্রশাসকের অফিস, পুলিশ সুপারের অফিস ও খুলনায় বিভাগীয় গণপূর্ত অফিসে তা ড্রপ করার কথা। তিনি জানান পুলিশ সুপার অফিসে একটি ও গণপূর্ত অফিসে চারটিসহ মোট পাঁচটি দরপত্র পাওয়া গেছে। কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করে বলেন, তারা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আবদুল মান্নান, জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি তানভির হুসাইন সুজনসহ দলীয় নেতাদের চাপের মুখে পড়ে টেন্ডার জমা দিতে পারেন নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঠিকাদার বলেন, তিনি সিন্ডিকেটের বাইরে থেকে পুলিশ সুপারের অফিসে থাকা বাক্সে টেন্ডার ড্রপ করে আসতেই শহরের মধ্যে তাকে সরকার দলীয় সদস্যরা ঘিরে ফেলেন। তারা তার কাছে টাকা দাবি করেন। সেখান থেকে তিনি সরে যাবার পর তারা তার বাড়িতে যান।